a
ফাইল ছবি
বন্যার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ঈদুল আজহার পর শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান।
আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, দেশে সার্বিক বন্যার কারণে ঈদের আগে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। ঈদের পর পরীক্ষা নিতে হবে। আর এসএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার কারণে এইচএসসি পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে।
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা শেষ হতো ৬ জুলাই। কিন্তু সিলেটসহ সারা দেশে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ১৭ জুন এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার মতো এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। বিগত দুই বছরে করোনার কারণে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান সোমবার এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি গণমধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রবিবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, গত দুই বছরের মতো এ বছরও জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা হবে না। তিনি বলেন নতুন শিক্ষাক্রমেও এসব পরীক্ষার কথা নেই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নতুন কারিকুলাম শুরু হবে। অষ্টম শ্রেণি পর্যায়ে শুরু হবে ২০২৪ সালে। ফলে আগামী বছরও পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
গত ৩০ মে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে প্রণয়ন করা প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের নতুন কারিকুলামের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) যৌথ সভায় এ রূপরেখার অনুমোদন দেওয়া হয়।
জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণির আগে কোনো ধরনের পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের বিধান না থাকায় চলতি বছর থেকেই এ পরীক্ষাটি বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে পিইসি পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ফটো
টেন বল বিলিয়ার্ড ‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস ২০২১’ এর শিরোপা জিতেছেন মুনতাসির জুবেরি। রানারআপ হলেন আল আমিন। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) গুলশানে ‘দ্য অ্যারিনা আরকেবি’তে ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
টুর্নামেন্টের আয়োজক রিয়াসাত করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের পরিচালক ফাহিম সিনহা। ‘হৃদয় অ্যান্ড উদয় মটরস’ এর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজনের সহযোগী হিসেবে ছিল ‘মালিহা কে’।
সপ্তাহব্যাপি এই টুর্নামেন্টে মোট ১৮ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। মোট প্রাইজমানি ৩ লাখ টাকা। ট্রফি ছাড়াও চ্যাম্পিয়ন ১ লাখ ও রানারআপ পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা করে।
তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা খেলোয়াড় পেয়েছেন যথাক্রমে ৩৫ ও ২৫ হাজার টাকা। পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকাদের দেয়া হয় ২০ হাজার টাকা করে।
১৫ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে সপ্তম ও অষ্টম স্থানে ছিলেন যারা। নবম ও দশম স্থান নিশ্চিত করা দুইজনকে দেয়া হয় ১০ হাজার টাকা করে।
‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস ২০২১’ টুর্নামেন্টে ১৮ প্রতিযোগী মোট ৭৬ ম্যাচে অংশ নেন। ‘এ’ এবং ‘বি’ গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিযোগীরা ৭২টি লিগ ম্যাচে খেলেন। এলিমিনেশন, কোয়ালিফাইং ওয়ান, কোয়ালিফাইং টু খেলার পর ফাইনালে শিরোপার লড়াই হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিলিয়ার্ড খেলাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে আগামীতে আরও বড় পরিসরে নিয়মিত এমন টুর্নামেন্ট আয়োজনের ইচ্ছা রয়েছে তাদের।