a
ফাইল ছবি
বন্যার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ঈদুল আজহার পর শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান।
আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, দেশে সার্বিক বন্যার কারণে ঈদের আগে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। ঈদের পর পরীক্ষা নিতে হবে। আর এসএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার কারণে এইচএসসি পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে।
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা শেষ হতো ৬ জুলাই। কিন্তু সিলেটসহ সারা দেশে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ১৭ জুন এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কারণে আগামী ২৫ জুনের পরীক্ষা একদিন এগিয়ে আগামী ২৪ জুন (শুক্রবার) নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংশোধিত রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। ২৫ জুন নির্ধারিত ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষা ২৪ জুন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুন সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসির ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র, মাদরাসা বোর্ডের দাখিলের বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের ভোকেশনালের এসএসসি ও দাখিলের গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। ওই পরীক্ষাগুলো আগের দিন অর্থাৎ ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার দুর্বল হলে তা ভারত ও আমেরিকা কারও পক্ষেই সুখকর হবে না বলে মনে করে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার বর্তমান ভূমিকায় ভারত যে খুশি নয়, ওয়াশিংটনকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সেই বার্তাও। একাধিক স্তরের বৈঠকে বাইডেন প্রশাসনকে এ কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। সূত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।
নয়াদিল্লির নানা কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক এটা ওয়াশিংটনের মতো ভারতও চায়। কিন্তু যেভাবে হাসিনা সরকারকে অস্থির করার জন্য আমেরিকার তরফ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক নয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর তিন সপ্তাহ পরেই নয়াদিল্লিতে এক মঞ্চে বসবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে ভারতের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক মহলের বরাতে আনন্দবাজার আরও বলছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করছে কাবুলের পাশাপাশি ভারতের অন্য প্রতিবেশী সম্পর্কে আমেরিকার নীতিও নয়াদিল্লির জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে বাংলাদেশের যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি ভারতেও প্রভাব ফেলে।
সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার বলছে, নয়াদিল্লি এ কথাই বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়েছে যে জামায়াতকে আস্কারা দিলে একদিকে যেমন ভারতের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বাড়তে পারে, তেমনই চিনের প্রভাব বাংলাদেশে অনেকটাই বেড়ে যাবে, যা কাঙ্ক্ষিত নয় ওয়াশিংটনেরও।
মনে হচ্ছে, আমেরিকা জামাতকে বরাবর রাজনৈতিক ইসলামিক সংগঠন হিসাবেই দেখানোর চেষ্টা করে। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাকে তুলনা করে আমেরিকা।
বাংলাদেশের জন্য পৃথক একটি ভিসানীতি ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার উল্লেখ করেছে, বিষয়টি উচিত বলে মনে করছে না নয়াদিল্লি। এই ভিসানীতির ফলে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন যারা বানচাল করার চেষ্টা করবে, তারা আমেরিকায় প্রবেশের অধিকার পাবে না। ভারতের কূটনৈতিক শিবির মনে করছে, আমেরিকার প্রশাসন সরাসরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলাতেই নিজের দেশের আইন প্রয়োগ করে বাংলাদেশের জন্য পৃথক ভিসানীতি গ্রহণ করলো।
অনন্দবাজারের প্রতিবেদন আরও বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লি গিয়ে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তথা দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে গিয়েছেন। সেখানে তারাও বার্তা দিয়েছেন, আঞ্চলিক স্থিতি বজায় রাখার প্রশ্নে বিএনপি ও জামায়াত বিপজ্জনক। সূত্র: ইত্তেফাক