a
এস এম মহসীন
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন অভিনেতা এস এম মহসীন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছির ৭৩ বছর।
আজ রোববার (১৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি বারডেম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এস এম মহসীনের ছেলে বাসেদ মহসিন। এস এম মহসীন প্রায় চার দশক ধরে মঞ্চ ও টেলিভিশনে অভিনয় করছেন। অভিনয়ে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২০ সালে একুশে পদক পেয়েছেন তিনি।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং তা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
চলচ্চিত্র পর্দার মতো এবারেও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নায়ক-ভিলেনের মুখোমুখি ভোটযুদ্ধ শুরু হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল থেকে তারকারা অংশ নিচ্ছেন। একটি প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, অন্যটির নেতৃত্বে আছেন মিশা সওদাগর।
ইলিয়াস কাঞ্চনের প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন চিত্রনায়িকা নিপুন এবং মিশা সওদাগরের প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। নির্বাচনে দুটি প্যানেলই নিজেদের জয় নিয়ে আশাবাদী।
ফাইল ছবি
হিজাব পরে শ্রেণিতে ক্লাস নেয়া যাবে না- কলেজ কর্তৃপক্ষের এমন বিধিনিষেধের মুখে চাকরিই ছেড়ে দিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি আইন কলেজের শিক্ষিকা সানজিদা কাদের। তার অভিযোগ, কলেজ গভর্নিং বডি কর্তৃক জারি করা কথিত আদেশটি তার মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।
কলেজটিতে হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল গত ৩১ মে। এরপর চাকরিতে ইস্তফা দেন সানজিদা কাদের এবং ৫ জুন থেকে তিনি আর ক্লাস নেননি।
গত মার্চ-এপ্রিল থেকেই হিজাব পরিধান করেই ক্লাস নিচ্ছিলেন সানজিদা। তবে তার কয়েক সপ্তাহ পর হঠাৎ কলেজ কর্তৃপক্ষ জারি করে পোশাক বিধি। ওই শিক্ষিকার অভিযোগ, ক্রমশ পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, জুন মাসের পাঁচ তারিখ কলেজ থেকে তিনি চাকুরি ছাড়তে বাধ্য হন।
এরপর বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসায় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। ফলে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরে তারা দাবি করেন, কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমনটি ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ এও দাবি করে যে, তারা কখনোই সানজিদা কাদেরকে ক্লাস নেওয়ার সময় কাপড় দিয়ে মাথা ঢেকে রাখতে নিষেধ করেনি।
এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ গত ১১ জুন সানজিদা কাদেরকে একটি ইমেইল পাঠিয়ে পুনরায় ক্লাস নেওয়ার অনুরোধ জানায়। সেখানে আরও বলা হয়েছে যে, শিক্ষকদের পোশাক বিধি পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ক্লাস নেওয়ার সময় সানজিদা কাদের দোপাট্টা বা স্কার্ফ ব্যবহার করে মাথা ঢাকতে পারবেন। সূত্র: ইত্তেফাক