a
ফাইল ছবি
১২ নভেম্বর ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে অংশ নিতে যুক্তরাষ্টে গিয়েছেন নায়ক শাকিব খান। কিছুদিন পর খবর বের হয় যে, আমেরিকান নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছেন শাকিব। তবে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি শাকিব। এর মধ্যেই জানা গেল অন্য আরেক তথ্য—শাকিব খান শুধু নিজের জন্যই নয়, তাঁর একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়ের নাগরিকত্বের জন্যও আবেদন করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে শাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ফোন ধরেননি তিনি। তবে সন্তানসহ নাগরিকত্বের আবেদনের বিষয়টি শাকিব না বললেও বিভিন্ন সূত্র থেকে জেনেছেন শাকিব খানের সাবেক স্ত্রী অপু বিশ্বাস থেকে।
অপু বিশ্বাস বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর স্তব্ধ হয়ে গেছি। এ বিষয় নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। আব্রাম ছোটবেলা থেকেই আমার সঙ্গে থাকে। তাকে মানুষ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করছি। গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রাম, নরসিংদীতে শো করেছি, এখন (গতকাল দুপুর) আছি নোয়াখালীর পথে। যা করছি তা তো আব্রামের জন্যই। ওকে যদি কেউ ছিনিয়ে নিতে চায় সেটা অন্যায় হবে।’ সূত্র: কালের কন্ঠ
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বৃহত্তর ময়মনসিংহ কর আইনজীবী সমিতি কর্তৃক আয়োজিত কাকরাইল অস্থায়ী কার্যালয়ে বার্ষিক বনভোজন-২০২৬, সাফল্যমন্ডিত করতে অদ্য ৭ ডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ কর আইনজীবী সমিতির মাননীয় সভাপতি এডভোকেট মোঃ কামরুল আহসান মিলটনের সভাপতিত্বে বিশেষ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন, সিনিয়র কর আইনজীবী ও অত্র আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ মোঃ রেদওয়ান হামজা।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ ইউসুফ গোলাম মাবুদ, মোঃ জসীম উদ্দিন খান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ এনামুল, হারুন-অর-রশীদ, মোঃ নকীব আলী কামরুল, এ.এম শোয়েব, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মোঃ নকিব আলী কামরুল, মোহাঃ খোরশেদ আলম প্রমুখ।
বার্ষিক বনভোজনে স্পট নির্ধারিত হয় সর্বসম্মতিক্রমে ঐতিহ্যবাহী শালবন গ্রীণ রিসোর্ট, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর এবং তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২৬ । উক্ত বনভোজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রেফেল ড্র-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং পুরো পরিবার নিয়ে ভ্রমণের উৎসাহদানে বিভিন্ন প্রনোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফাইল ছবি
ভোক্তা-গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে চটকদার, লোভনীয় ও অসত্য বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে কর্তৃপক্ষের নিস্ক্রিয়তা কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে এ ধরনের বিজ্ঞাপন দাতাদের বিরুদ্ধে কেনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হোসেন তালকুদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন তামজিদ হাসান পাপুল ও রবিউল আলম।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তথ্য সচিব, বাণিজ্য সচিব, সংস্কৃতি সচিব এবং ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর লোভনীয় বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে নিয়ে চ্যালেঞ্জ রিট দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কামরুল ইসলাম।