a
মুক্তা দাশ
মন কেমনের লকডাউন
এমন মিঠে বৃষ্টির আলাপনে ...
বড্ড মন কেমন করে সারাক্ষণ !
কেউ কেউ এর মধ্যে ই শাসায়... লক ডাউন!
লকডাউন চিৎকারে, বড্ড বিরক্তি ধরায়ে দেয় ।
কিভাবে থাকি বলো তো !?
তোমাকে ছাড়া এই বৃষ্টিমুখর জলসায় !
একটু মুড়ি-চানাচুরমাখা মুখোমুখি বৈঠকে
হাসিতে মুখর মাথা ঠোকাঠুকিতে
নাকে নাকে মিলমিশ
চোখে মুখে প্রেমের বন্যা ..
কি করে থাকি বলো তো ???
তোমায় যে বড্ড বেশি প্রয়োজন ।
এমন বৃষ্টি ভেঁজা মাদল হাওয়ায়
তোমার সুখটানের ধোঁয়ায় আমি ভেসে যাই,
বৃষ্টি আমায় ভিজিয়ে দেয় আপাদমস্তক !
তোমার আলতো স্পর্শ পাই ,, হারিয়ে যাই
সৃষ্টি রহস্যে! উন্মাদনার আগুন জ্বলে উঠে
পুড়িয়ে দেয় মনোভূমি কৃষ্ণচূড়ার রঙে দেহবল্লরী।
অমাবস্যার ঘুটঘুটে আঁধারে নির্বিকার! আমি
জানালার এপাশেে বৃষ্টি খুঁজে ফিরি ,
স্বৈরাচারী করোনার শাসনে
ভালোবাসাও শাসিয়ে বলে ...!!
সবেতেই লকডাউন এ ধরায় ।।
ছবি সংগৃহীত
★জমির হিসাবসমূহ উল্লেখ করা হলো:
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ৯৯১৩ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
জেনে নিন
খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার = ৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
সংগৃহীত ছবি
সময়টা ২০১৯ এর শেষ। সবার মনে অজানা এক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বেশীরভাগ মানুষের মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে চীনের উহান। সেই আতঙ্ক শুধু আতঙ্কের পর্যায়ে না থেকে কিছু দিনের মধ্যেই ইউরোপ, আমেরিকাসহ সারা পৃথিবীতে বাস্তব হয়ে দেখা দিল। অপ্রস্তুত পৃথিবীবাসী যেন হাঁটু গেড়ে আত্মসমর্পণ করল সেই অদেখা, অদ্ভুত শত্রুর কাছে। আর সাথে সাথে আমাদের জীবনে নেমে আসল ভয়ানক পরিবর্তন। লকডাউনের মত সিদ্ধান্ত নিতে হল সরকারগুলোকে। আমরা ঘরে আটকা পড়ে গেলাম। পরিশেষে আমরা কিছুটা পরিত্রান পেয়েছি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দয়ায় এবং কিছু মানুষের অক্লান্ত চেষ্টায়।
কিন্তু পরিবর্তন আসল আমাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের। অনেকে মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্য কে একি সাথে আলোচনা করলেও আমরা এটাকে পৃথকভাবে আলোচনা করছি। করোনা পরবর্তী মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্য আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আসুন দেখি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কি বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা কর্তৃক ১৯৪৮ ঘোষিত সংজ্ঞা হল,
“স্বাস্থ্য বলতে সম্পূর্ণ শারীরিক মানসিক এবং সামাজিক মঙ্গল বা কল্যাণবোধকে বোঝায়। শুধু রোগ বা দুর্বলতার অনুপস্থিতিকেই স্বাস্থ্য বলেনা। “বৃহত্তর সমাজে ব্যাক্তির অবস্থান অনেকটাই তার স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে।
তাই এখানে সামাজিক স্বাস্থ্যকে মানসিক স্বাস্থ্যের চেয়ে কম গুরুত্ব দেয়ার সুযোগ নেই। ব্যক্তি যেহেতু সমাজের সাথে যুক্ত তাই সামাজিক স্বাস্থ্য আলোচনার দাবি রাখে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতই।
করোনার সময় আমরা দেখেছি কিভাবে আত্মহত্যা, মাদকসহ নানারকম মানসিক সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। লম্বা সময় ঘরে বন্দী থাকলেও এখন স্কুল, কলেজ যাওয়াসহ নানা কাজে আমাদের বাইরের জগতে মিশতে হচ্ছে। আর এই জায়গাটাতেই হতে পারে সমস্যা। চলুন দেখি কোন জায়গা গুলোতে সমস্যা হতে পারে!!
১.সামাজিক অভিযোজনঃ করোনার পরবর্তী সময়ে সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের সমস্যা হতে পারে। কেননা, দীর্ঘদিন ঘরে আটকা থেকে একা থাকার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।
২.অল্পতেই রেগে যাওয়াঃ সিগমুন্ড ফ্রয়েডের তত্ত্বানুসারে কোন জিনিস অনবদমিত থাকলে সেটা অন্যভাবে প্রকাশ পায়। আমরা করোনার সময় ঘরে বন্দী থেকে যে বিষয়গুলো অবদমন করেছি আমাদের সচেতন মন থেকে অচেতন মনে, সেই জিনিস গুলো রাগ হিসেবে বেরিয়ে আসতে পারে।
৩.সম্পর্কের সমস্যাঃ করোনা পরবর্তী সময়ে আমাদের সম্পর্কগুলো করোনা পূর্ববর্তী সময়ের মত কাজ নাও করতে পারে। এটা হতে পারে সময় এবং ব্যক্তির নিজের মধ্যে পরিবর্তনের ফলে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের করণীয় --
১.নেচার থেরাপিঃ এখন যেহেতু আমাদের বাইরে যাওয়ার সুযোগ তৈরী হয়েছে, তাই নেচারকে উপভোগ করা এবং এর সান্নিধ্যে গেলে আমরা আমাদেরকে নতুনভাবে খুঁজে পাব।
২.কৃতজ্ঞতা প্রকাশঃ সবসময় হা-হুতাশ না করে যা হয়েছে তাকে গ্রহণ করে নিতে হবে। যা আছে সেটার উপর সন্তুষ্ট এবং কৃতজ্ঞ থাকতে হবে।
৩.অন্যকে বোঝাঃ করোনার মধ্যে সবকিছুই পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবকিছু। সেই আমাদের ব্যক্তি মনন ও মানসিকতারও ঘটেছে আমূল পরিবর্তন। এই ক্ষেত্রে আমরা আগের মত করে আমার চারপাশের মানুষগুলোকে না বুঝে বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে বুঝতে হবে।
৪.সামাজিক কাজে সক্রিয় থাকাঃ অনেক বেশি মানুষ এখন সামাজিক সমস্যার মধ্যে পতিত হয়েছে। তাদের সাহায্য সহযোগীতায় এগিয়ে আসলে তাদের যেমন উপকার হবে ঠিক তেমনি আমাদের অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তাই নিজেকে উন্নয়নমূলক কাজে যুক্ত করতে হবে।
৫.ক্ষমা করাঃ ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। বুঝতে হবে যে আমার যে সমস্যা গুলো হচ্ছে নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে, ঠিক তেমনি অন্য একজনেরও আমার সাথে একি রকম সমস্যা হতে পারে। তাই ওই ব্যক্তিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা।
উপরোক্ত বিষয়গুলো অনুসরণ করলে আমরা আমাদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনে সুন্দর একটি মানসিক অবস্থা নিয়ে জীবন যাপন করতে পারব।
সর্বোপরি আমরা যদি সমাজের জন্য এবং সমাজের মানুষের জন্য ভালো কিছু করার মানসিকতা রাখি তাহলে আমাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সকল স্বাস্থ্যই ভালো থাকবে ইনশাআল্লাহ।
এইচ.এম তৌফিকুর রহমান
শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট, সেন্টার ফর এডভান্স সোশ্যাল রিসার্চ।