a মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গোলাম রাব্বানীর ঋণের হিসাব!
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গোলাম রাব্বানীর ঋণের হিসাব!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:৩০
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গোলাম রাব্বানীর ঋণের হিসাব

ফাইল ছবি

ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার ফেসবুকে নিজের জীবনের ঋণ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। পাঠকের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘ঋণ করলে আত্মার অপমৃত্যু ঘটে, আম্মু এই কথাটা প্রায়ই বলতেন।

কথাটা আমিও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি ও মানি। প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেন, ‘শহীদ ব্যক্তির সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। কিন্তু ঋণ ছাড়া।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৮৮৬) ‘মুমিনের আত্মা তার ঋণের সঙ্গে ঝুলন্ত থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।’ (তিরমিজি, হাদিস: ১০৭৮) গতরাতে ভালো বোধ করছিলাম নাহ। অসুস্থ অবস্থায় ভাবছিলাম, কৃতজ্ঞতার ঋণ তো অনেকের কাছেই ঢের রয়েছে, তবে কারো নিকট কোন আর্থিক ঋণ রয়েছে কিনা।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে হল ও ক্যাম্পাসের কোন দোকান, ক্যান্টিন বা কোথাও আমি স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে একটি টাকাও ফাও বা বাকি খাইনি। অনেক সময় অনুজরা আমার জ্ঞাতসারে বঙ্গবন্ধু হলের মনির ভাই, রশিদ ভাই ও ক্যান্টিনে ডালিমের কাছে কিছু বাকি খেতো, যা ১/২ দিনে চাওয়ার আগেই শোধ করে দিয়েছি। অনেকের একান্ত প্রয়োজনে ধার দিয়েছি, কিন্তু কোনদিন নিজের প্রয়োজনে কারো কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছি বলে স্মরণে নেই।

তবুও, কারো নলেজে যদি আমার কাছে পাওনার কোন হিসেব থাকে, অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন। আল্লাহ সবাইকে সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত হয়ে কবরে যাওয়ার তাওফিক দিন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সবাই আমাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিয়েন


ফেসবুক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১, ০৮:৩৮
সবাই আমাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিয়েন

সিদ্দিকী নাজমুল আলম

সবাই আমাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিয়েন। বাঁচবো কি না জানি না, তবে এই চরম মুহূর্তে কিছু সত্য কথা বলে যাই। আমি রাজনীতিটা একমাত্র দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে মেনেই করতাম এবং করি। কোনদিন তার বাইরে যাইনি। সাবেক অনেক বড় ভাইদের কথায় আমি কখনও চলিনাই। বরং পেছনের সারির অনেককে নেতা বানাইছি নিজের ইচ্ছায়। আর প্রেম করেছিলাম কিন্তু মানিয়ে নিতে পারিনি তাই বিয়ে হয়নি। আর শেষ কথা হলো বাংলাদেশে কোনো ব্যাংকে আমার নামে এক পয়সাও লোন নাই এবং লোনের কোন টাকা বিদেশেও নিয়ে আসিনি। তদবির, ঠিকাদারি, দালালি ও পদ বানিজ্য কখনও করিনি। লন্ডনে গায়ে খাঁটি জীবনে যে কাজ করিনি তা করে জীবন যুদ্ধে লিপ্ত ছিলাম কিন্তু আমার কপাল ভালো না।

কিছুক্ষণ আগেই আমার এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে অনেকগুলো ব্লক ধরা পড়েছে ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হবে হয়তোবা, আজকালের মধ্যেই করবে।
 
সরকারি হাসপাতালেই করবে কারণ এই দেশে চিকিৎসা ফ্রি তাই আর কেউ কষ্ট কইরা ভুল তথ্য দিয়েন না- যে কোটি টাকার অপারেশন। যদি মরে যাই একটাই কষ্ট থাকবে নিজের দলের মানুষের প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছে বারবার আমার নামে। আর আফসোস হয়তোবা বড় কোন ভাই আমার নামে অনেক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার নেত্রীর কান ভারী করে রেখেছে, সেই ভুলগুলো হয়তো ভাঙিয়ে যেতে পারলাম না। আপা আপনিই আমার মমতাময়ী জননী, স্নেহময়ী ভগিনী।
 
আপনাকে অনেক ভালোবাসি ক্ষমা করে দিয়েন আমাকে। সবাই ভালো থাকবেন আপনাদের আর যন্ত্রণা দিবো না।
 
এস এন আলম, বার্থ হাসপাতাল(এনএইচএস), লন্ডন 
১৮-০৬-২১। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পাকিস্তান দলের কোচিং প্যানেল থেকে পদত্যাগ করেছেন মিসবাহ ও ওয়াকার


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন 
মঙ্গলবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:৪৭
পাকিস্তান দলের কোচিং প্যানেল থেকে পদত্যাগ করেছেন মিসবাহ ও ওয়াকার

ফাইল ছবি

পাকিস্তানকে কেন আনপ্রেডিক্টেবল বলা হয় তা হয়তো ক্রিকেট মাঠে তাদের যোগ্যতা দিয়ে তা প্রমাণ করেছে। পাকিস্তান ঠিক বিশ্বকাপের দল ঘোষণারর পর পরই আরেকটা আনপ্রেডিক্টেবল ঘটনার জন্ম দিলো বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার দিনে আকস্মিক পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির প্রধান কোচ মিসবাহ উল হক ও বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনিস। হুট করে পদত্যাগের পেছনে মিসবাহ ‘পারিবারিক ব্যস্ততা’ এবং ওয়াকার মিসবাহর পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে কারণ উল্লেখ করন।

গতকাল সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) নিজেদের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান মিসবাহ ও ওয়াকার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে একইসাথে পাকিস্তানের কোচিং প্যানেলে যুক্ত হন সাবেক এই দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার।

দুইজনই চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাকি রেখেই সরে দাঁড়িয়েছেন দায়িত্ব থেকে। মিসবাহ তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তিগত কারণকে দায়ী করেছেন। ওয়াকারের দাবি, মিসবাহ সরে দাঁড়ানোর কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। পাকিস্তান দলে কোন্দল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সমালোচিত ছিলেন মিসবাক ও ওয়াকার।

মিসবাহ বলেছেন, ‘জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকলে আমি আমার পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারছি না। এই বিষয়টি বিবেচনা করে আমি আমার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম।’

ওয়াকার বলেন, ‘মিসবাহ আমাকে তার সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানানোর পর আমার জন্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কঠিন ছিল না। আমরা একইসাথে কাজ নিয়েছিলাম, জুটি হয়ে কাজ করেছি এবং একইসাথে পদ থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি।’

মিসবাহর বদলি হিসেবে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রধান কোচের অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পেয়েছেন সাকলাইন মুশতাক। আব্দুল রাজ্জাক কাজ করবেন ওয়াকারের বদলি হিসেবে, অর্থাৎ বোলিং কোচ হিসেবে। তাদের দুইজনেরই জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে কোচ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়