a ১০ জনের চেলসির কাছে লিভারপুলের ড্র
ঢাকা শুক্রবার, ১৯ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

১০ জনের চেলসির কাছে লিভারপুলের ড্র


ক্রীড়া ডেস্ক :
রবিবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৫০
১০ জনের চেলসির কাছে লিভারপুলের ড্র

ফাইল ছবি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের (ইপিএল) হাইভোল্টেজ ম্যাচে দশজন নিয়েও লিভারপুলকে তাদের মাঠেই আটকে দিল চেলসি। শনিবার (২৮ আগস্ট) রাতে তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে অলরেডদের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্লুরা।

চেলসির হয়ে কাই হাভার্টজ আর লিভারপুলের হয়ে সালাহ করেন একটি করে গোল। প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন চেলসি প্লেয়ার রিস জেমস। লাল কার্ডের বদৌলতে পেনাল্টি পায় লিভারপুল সেই শটে গোল করেন মিশরের তারকা মোহাম্মদ সালাহ।  

করোনার কারনে গত সিজনে মাঠে দর্শক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এবার অনুমতি পেয়েছে দর্শকরা। তৃতীয় রাউন্ডে এসেই লিভারপুল চেলসির হাইভোল্টেজ ম্যাচ উপভোগের সুযোগ পেয়েছে ফুটবলপ্রেমীরা। লিভারপুল বস ইয়্যুর্গেন ক্লপ ৪-৩-৩ ফরম্যাশন নিয়ে মাঠে নামে। অন্যদিকে, থমাস টুখেল তার দল সাজান ৩-৪-২-১ এ। যেখানে আছেন গেল ম্যাচেই অভিষেক হয়ে গোল করা বেলজিয়ান তারকা রোমেলু লুকাকু।

শুরু থেকেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। সুযোগ তৈরি হয় দু’দলেরই। কিন্তু সেই সুযোগ শেষমেশ কাজে লাগায় চেলসি। ম্যাচের ২২তম মিনিটে রেইসের অ্যাসিস্টে দারুণ এক গোল করেন কাই হাভার্টজ। গোল খেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে লিভারপুল। আক্রমণ থামায়নি চেলসিও। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল ব্লুরা। তবে, সে যাত্রায় তা ব্যর্থ হয় ফরোয়ার্ডদের ভুলে।

এদিকে সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি স্বাগতিকদের। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সাদিও মানের শট গোললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চেলসি ডিফেন্ডার রেইসের হাতে লাগলে পেনাল্টি পায় লিভারপুল। তা থেকেই গোল করে ম্যাচ সমতায় ফেরান মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ।

ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে দশজন নিয়ে খেলতে হবে এটা হয়তো ভাবেনি চেলসি। কিন্তু কোচ টুখেল ঠিকই নতুন গেম প্ল্যান নিয়ে বিরতির পর ফিরেছেন। একের পর এক খেলোয়াড় পরিবর্তন করে মজবুত করেছেন রক্ষণভাগ। কারণ আর যাই হোক গোল খাওয়া যাবে না। হয়েছেও তাই। পুরোটা সময় আর কোনো গোল হজম করতে হয়নি তাদের। ফলে ড্র করেই ঘরে ফিরেছে ব্লুরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

নিজের খেলা ভুলে মেসির খেলা দেখি মুগ্ধ নয়নে


ক্রীড়া ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২৩, ১০:৫০
নিজের খেলা ভুলে মেসির খেলা দেখি মুগ্ধ নয়নে

লিওনেল মেসির খেলা গোটা দুনিয়া মুগ্ধ নয়নে দেখে। এমনকি তাঁর খেলা দেখার লোভ সামলাতে পারেন না সতীর্থরাও। ইন্টার মায়ামিতে মেসির কানাডিয়ান সতীর্থ কামাল মিলার নিজেও বলেছেন, মেসির খেলা দেখতে গিয়ে তিনি নিজের খেলা মনোযোগ দিতে পারেন নাই।

মেসিকে দেখে মুগ্ধতার কথা জানাতে গিয়ে কামাল আরও বলেছেন, ‘মেসি মাঠে না থাকলে আমরা বুঝে যাই নিজেদের খেলার মানটা বাড়াতে হবে। সে মাঠে থাকলে আমরা ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিই এবং জায়গা তৈরি করি। ম্যাচটা তখন যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণ করাই হয় আমাদের কাজ। (মাঠে) কখনো কখনো নিজের দায়িত্ব ভুলে মেসিকে দেখি। তার খেলা উপভোগ না করাটা খুব কঠিন, আর এর চেয়েও কঠিন হলো মাঠে তার মতো কেউ উপস্থিত থাকতে নিজের খেলায় মনোযোগ দেওয়া।’

মেসি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর থেকেই তো চলছে ‘মেসিম্যানিয়া’। মায়ামির প্রতি ম্যাচেই টিকিটের দাম ওঠে আকাশচুম্বী। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) অভিষেকেই গোল করা মেসি প্রতিদানও কম দিচ্ছেন না। মায়ামির হয়ে এ পর্যন্ত ৯ ম্যাচে করেছেন ১১ গোল। জিতিয়েছেন লিগস কাপের শিরোপাও।

এরপরও মেসিকে দেখে সতীর্থ কামাল মিলারের এতটুকু মনে হচ্ছে না, আর্জেন্টাইন তারকার আগমনে তাঁরা সবাই ঢাকা পড়েছেন। বরং কিংবদন্তির খেলায় অবদান রাখতে পেরে মেসির মায়ামি-সতীর্থরাও খুশি।

কামাল মিলারের কথায় তা–ই মনে হবে। এমএলএসে নিউইয়র্ক রেড বুলসের বিপক্ষে জয়ের পর মেসির নেতৃত্বগুণ এবং খুব কাছ থেকে তাঁর খেলা দেখা নিয়ে কথা বলেছেন কানাডার এই ডিফেন্ডার। আর্জেন্টাইন তারকা এখন মায়ামিতে তাঁর বাকি সতীর্থদের নিয়ন্ত্রণ করছেন—নিন্দুকেরা এর আগে এমন মন্তব্যও করছেন।

সংবাদমাধ্যমে তার জবাবে কামাল মিলার বলেছেন, ‘মেসি যে দলে খেলবে, সে দলকেই নেতৃত্ব দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। তাই লোকে যখন বলে সে আমাদের পরিচালিত করছে, সেটা আমাদের জন্য মোটেও অপমানজনক কিছু নয়।’  সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্র বন্ধের ফলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২, ০২:০১
কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্র বন্ধের ফলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পুরো সিলেট

ফাইল ছবি

অনেক চেষ্টার পরও সচল রাখা যায়নি সিলেটের কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্র। ভারিবর্ষণের ফলে পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ করে দিতে হয়েছে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটি। ফলে ন্যাশনাল গ্রিড লাইন থেকে সিলেটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে পুরো সিলেট জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রে পানি ঢুকতে শুরু করে। খবর পেয়ে ওইদিন সকালে ছুটে যান সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সাথে কথা বলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারদিকে বাঁধ দিয়ে সেচ দিয়ে পানি কমানোর উদ্যোগ নেন। এরপর এই কাজে যুক্ত হন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।

শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেনা সদস্যরা চেষ্টা চালিয়ে বালু, মাটি ও পাথরের বস্তা ফেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারদিকে বাঁধ দেন। এছাড়া পাম্প ও সাকার মেশিন দিয়ে সেচে পানি কমিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিরাপদ রাখেন। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে স্বস্তি ফিরে সিলেটের মানুষের মাঝে।

কিন্তু শুক্রবার মধ্যরাত থেকে টানা ভারিবর্ষণের কারণে শনিবার সকাল থেকে পানি হু হু করে বাড়তে থাকে। বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করে কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়।

বিউবো সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল কাদির জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত কমলে সেচ দিয়ে পানি কমিয়ে আবারও বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করার চেষ্টা করা হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ