a করোনায় (১৪জুন) মৃত্যু ৫৪, শনাক্ত ৩০৫০ এবং সুস্থ ২৫৬৪
ঢাকা রবিবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

করোনায় (১৪জুন) মৃত্যু ৫৪, শনাক্ত ৩০৫০ এবং সুস্থ ২৫৬৪


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১, ০৬:৫৫
করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য

করোনাভাইরাস

গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৩ হাজার ১৭২ জন।
 
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৩০৫০ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২৯ হাজার ৯৭২ জন।
 
আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২৫৬৪ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩০ জন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যেসব খাবার ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ রাখে


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৯:৪৯
যেসব খাবার ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ রাখে

ফাইল ছবি

শরীরে অগ্ন্যাশয় যথাযথভাবে ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে অথবা শরীরে ইনসুলিনের সঠিক কাজ ব্যাহত হলে সেখানেই ডায়াবেটিস সৃষ্টি হয়। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণা অনুভব করেন এবং বারবার মুখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তিরা দুর্বলতা অনুভব করেন, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্পসময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানারকম সমস্যায় ভোগেন। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নীচে উল্লেখ করা হলো-

সবুজ চাঃ সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে এটি অন্যরকম সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

ওয়াইল্ড স্যামনঃ ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম একটি ঔষধী খাদ্য ওয়াইল্ড স্যামন। এতে উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস এটি। ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁঁকিও কমায় ওয়াইল্ড স্যামন।

মাছঃ গবেষণায় দেখা যায় মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।

টক দইঃ টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতেও সাহায্য করে। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে।

ডিমের সাদা অংশঃ ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চমানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চমানের চর্বিহীন প্রোটিন ও কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, যা ২ ধরনের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লেবুঃ লেবু ও লেবুজাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি‌'র অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে। তবে লেবুজাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি'র অভাব অনেকটা পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা ও লেবু এসব ফল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

সবুজ শাকসবজিঃ সবুজ শাকসবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতাকপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুসপাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় দেখা যায়, সবুজ শাকসবজি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে। সূত্র:বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাফরুল্লাহ ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতারণার শিকার বাংলাদেশ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২১, ০৪:২০
ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতারণার শিকার বাংলাদেশ

সবকিছু ঠিকঠাক এগুচ্ছিল। বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি হয় ভারতের ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি সিরাম ইনস্টিটিউটের। চুক্তি মোতাবেক চলতি জানুয়ারিতেই ভ্যাকসিন পাওয়ার আশার কথা শুনিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। কিন্তু হঠাৎ বেঁকে বসে ভারত সরকার। এ নিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতারণার শিকার হয়েছে।

আজ (সোমবার) দিনভর চলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। উদ্বেগ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, নিষেধাজ্ঞার খবর শোনার পর আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় তাদের (ভারত) হাইকমিশন এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছে। চুক্তি ব্যাহত হবে না বলে আশ্বস্ত করেছে ভারত।

সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ মালেক আরো বলেন, ভারত সরকার তাদের দেশে এমার্জেন্সি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করবে। আমরা শুনেছি, এ জন্য তারা আপাতত বিক্রি বন্ধ রাখবে। এর পরপরই আমরা বিষয়টি নিয়ে আলাপ করেছি। আলোচনা অব্যাহত থাকবে।আমাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে ভারতের সঙ্গে। আশাকরি এ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

চুক্তি অনুযায়ী, সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে ৩ কোটি ভ্যাকসিন আমদানি করার কথা বাংলাদেশের। প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে ৬ মাসের মধ্যে এই ভ্যাকসিন আনার কথা ছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য