a আফগানিস্তান ত্যাগের আগে সব সামরিক বিমান ধ্বংস করে গেল মার্কিন বাহিনী
ঢাকা শুক্রবার, ১ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৩ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আফগানিস্তান ত্যাগের আগে সব সামরিক বিমান ধ্বংস করে গেল মার্কিন বাহিনী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ৩১ আগষ্ট, ২০২১, ০৬:০৭
আফগানিস্তান ত্যাগের আগে সব সামরিক বিমান ধ্বংস করে গেল মার্কিন বাহিনী

ফাইল ছবি

সোমবার আফগানিস্তানে চূড়ান্তভাবে শেষ হয় মার্কিন অধ্যায়। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা থাকলেও স্থানীয় সময় ৩০ আগস্ট (সোমবার) বিকাল সাড়ে ৩টায় সব শেষ মার্কিন বিমান ছেড়ে যায় কাবুল বিমানবন্দর।

এরমধ্য দিয়ে শেষ হয় দেশটিতে আমেরিকার দীর্ঘ ২০ বছরের সামরিক অভিযান।

এদিকে, তালেবানের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তাড়াহুড়া করে কাবুল ত্যাগের ফলে সব সামরিক বিমান নিজ দেশে ফেরত নিতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র।

কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দর ত্যাগের আগে সেখানে থাকা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ৭৩টি সামবিক বিমান মার্কিন বাহিনী এমনভাবে নষ্ট করে রেখেছে, যাতে তালেবানরা আর এগুলো ব্যবহার করতে না পারে। 

মার্কিন সামরিক বাহিনীর জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি জানিয়েছেন, কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য যেসব সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা ছিল, সামরিক বিমানগুলোর মতো সেগুলোও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

কেনেথ ম্যাকেঞ্জি আরও বলেন, ফেলে আসা মার্কিন সামরিক বিমানগুলো আর কখনও আকাশে উড়বে না।

এছাড়া ৭০টি সামরিক যান এবং ২৭টি হামরি টহল যান নষ্ট করা হয়েছে, যার প্রতিটির মূল্য এক মিলিয়ন ডলার।

৩০ আগস্ট মার্কিন সামরিক বাহিনীর সর্বশেষ ফ্লাইটটি আফগানিস্তান ত্যাগ করেছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এর মাধ্যমে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো যুদ্ধের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটল।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি জানিয়েছেন, তারা ছয় হাজার মার্কিন নাগরিকসহ ৭৯ হাজার মানুষকে কাবুল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছেন। ১৫ আগস্ট তালেবান কাবুল দখল করার পর অল্প সময়ের মধ্যে সব মিলিয়ে কাবুল থেকে এক লাখ ২৩ হাজার সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন দেশে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এক ব্রিফিংয়ে কেনেথ ম্যাকেঞ্জি সাংবাদিকদের বলেন, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে ঘোষণা করতে আমি এখানে উপস্থিত হয়েছি।

তিনি বলেন, আজ রাতের এ প্রত্যাহার শুধু সেনা প্রত্যাহারই নয়, বরং এটি প্রায় ২০ বছর ধরে চলা যুদ্ধেরও সমাপ্তি, যে যুদ্ধ আফগানিস্তানে ২০০১ সালের ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের আরেকটি শহর বিধ্বস্ত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২, ১১:৪৩
রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের আরেকটি শহর বিধ্বস্ত

ফাইল ছবি

ইউক্রেনের চুহুভ শহরে রুশ বাহিনী ১০ দফা ক্ষেপনাস্ত্র ছুড়ার ফলে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানকার একটি স্কুল ও বহু বেসামরিক ভবন। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একটি জাদুঘরও।

সোমবারের এ হামলায় খারকিভ থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বের শহরটি বিধ্বস্ত হয়। খবর রয়টার্সের।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রুশ বাহিনীর এস থ্রি হান্ড্রেড অ্যান্টি ক্রাফট মিসাইলে বিধ্বস্ত হয় একটি স্কুল ও বহু বেসামরিক ভবন। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একটি জাদুঘর। আবর্জনার নিচে তিন জন জীবিত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাই উদ্ধারে ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে চলছে অনুসন্ধানের কাজ।

এদিকে দোনেৎস্কে বিমান হামলা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। বাখমুত, ক্রমাতোরস্ক, চাসিভ ইয়ার, স্লোভিয়ানস্ক শহরে চলছে একটানা হামলা। আক্রমণ করা হচ্ছে আশপাশ এলাকাগুলোতেও।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া বিরামহীন হামলা চালিয়ে আসছে ইউক্রেনে। এ যুদ্ধে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটলেও দুপক্ষের কেউ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে আসেনি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ত্বক ফর্সার নামে বিষ! বাজারে এখনও বিক্রি হচ্ছে মার্কারি যুক্ত বিষাক্ত প্রসাধনী


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ০৭:৪৫
ত্বক ফর্সার নামে বিষ বাজারে এখনও বিক্রি হচ্ছে মার্কারি যুক্ত বিষাক্ত প্রসাধনী

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  ত্বক ফর্সার নামে বিষ! বাজারে এখনও বিক্রি হচ্ছে মার্কারি যুক্ত বিষাক্ত প্রসাধনী। ত্বক ফর্সাকারী পণ্যে মার্কারি নিয়ে ESDO ও BAN Toxics-এর উদ্বেগজনক অনুসন্ধান” নিয়ে আজ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন- এসডো, ইউরোপীয় এনভায়রনমেন্টাল ব্যুরো (ইইবি)-এর সহযোগিতায় এবং ফিলিপাইন ভিত্তিক সংস্থা ব্যান টক্সিকস-এর পরীক্ষামূলক সহযোগিতায় আজ ১৯ জুন ২০২৫, ঢাকার লালমাটিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। 

এসডো, ইইবি এবং ব্যান টক্সিকস-এর পরিচালিত সাম্প্রতিক এক যুগান্তকারী গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, বাংলাদেশে পরীক্ষিত ২৬টি ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমের মধ্যে ২২টিতে পারদের মাত্রা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত নিরাপত্তা সীমা ১ পার্ট পার মিলিয়ন (পিপিএম) থেকে বহুগুণ বেশি রয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রকাশিত এই ফলাফলগুলো ক্ষতিকারক সৌন্দর্যের প্রবণতা এবং বাজারে নিষিদ্ধ প্রসাধনী বিক্রি বন্ধ করার জন্য জরুরি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সিভিল সোসাইটি, এসডো, এবং ফিলিপাইনের ব্যান টক্সিকস বাংলাদেশে পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী পণ্য বিক্রি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা, জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।

সাম্প্রতিক এই গবেষণায় সরাসরি শপিং মল, বাজার, দোকান, ও অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে সংগৃহীত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমের পারদের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি ESDO-এর ২০১৭ সাল থেকে চলমান নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। অন্যদিকে, BAN Toxics ফিলিপাইনে পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী পণ্যের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছে।
এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স (XRF) মেশিন ব্যবহার করে গবেষকরা পরীক্ষিত পণ্যে অস্বাভাবিক উচ্চ মাত্রার মার্কারি উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। সর্বোচ্চ পারদসহ দুটি ব্র্যান্ড হলো ডিউ বিউটি ক্রিম (২৪,৮০০ পার্ট পার মিলিয়ন) এবং গোল্ডেন পার্ল বিউটি ক্রিম (২০,৭০০ পার্ট পার মিলিয়ন)। গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, পারদ শনাক্ত হওয়া ২২টি পণ্যের মধ্যে তিনটি পণ্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI) কর্তৃক নিষিদ্ধ। এই তিনটির মধ্যে রয়েছে উপরে উল্লেখিত দুটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড এবং Goree Beauty Cream with Lycopene। তবে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও এসব পণ্য এখনো স্থানীয় বাজার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও, বেশ কিছু ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রায় পারদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: FEIQUE Herbal Extract Whitening Freckle Removing Cream 15,500 ppm, Parley Beauty Cream - 10,000 ppm, Kim Whitening Ginseng and Pearl Cream - ৭,৪০০ ppm। এইসব পণ্যের মধ্যে পারদের পরিমাণ আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাত্রা (১ ppm)-এর তুলনায় হাজার গুণ বেশি, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

২০২৪ সালের পরীক্ষায় দেখা যায়, Jiaoli Whitening Night Cream-এ সর্বোচ্চ ৫,১৪০ ppm পারদ রয়েছে। Collagen Plus Vitamin E Night Cream, Jiaoli Day Cream, এবং আরও কয়েকটি পণ্যে উচ্চ মাত্রার পারদ পাওয়া গেছে। যদিও Thanaka 3 Collagen Plus Vitamin E Day Cream-এ পারদ শনাক্ত হয়নি, তবুও এই ফলাফলগুলো দেখায় যে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পারদযুক্ত কসমেটিকস এখনো বাজারে সহজলভ্য এবং যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি।

এসডো'র সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম বলেন, “স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছু অগ্রগতি হলেও এখনো বাজারে এসব পণ্য সহজলভ্য, এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক”। এসডো'র নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রভাব যেমন বিয়ে ও ক্যারিয়ারের সুযোগ এসব কারণে নারীদের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। ফলে ফর্সা হতে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকার পরও ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এসডো'র সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “পারদের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকার, সিভিল সোসাইটি ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার। ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে থাকা মার্কারি অনেক সময় কোনো তাৎক্ষণিক উপসর্গ ছাড়াই ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করে”।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, পারদ স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করে। আন্তর্জাতিক জোট Zero Mercury Working Group (ZMWG) অনুযায়ী, পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম দীর্ঘমেয়াদে চোখ, ফুসফুস, কিডনি, হজম ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে। এসব পণ্যে থাকা পারদ শুধু ব্যবহারকারীর নয়, আশপাশের মানুষের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে শিশু, নবজাতক ও গর্ভস্থ ভ্রূণের জন্য।

BAN Toxics-এর অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন অফিসার থনি ডিজন বলেছেন, পারদযুক্ত সৌন্দর্য পণ্যের অব্যাহত উপস্থিতি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, এবং এর অবৈধ সীমান্ত পার বাণিজ্য বন্ধের জন্য জরুরি আন্তঃসরকারি সহযোগিতা ও পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পারদযুক্ত ১৮টি নমুনার ঘোষিত উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, চীন, কোরিয়া, থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম।
“জোরালো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং মিনামাটা কনভেনশন অন মার্কারি এর মত আন্তর্জাতিক চুক্তির কঠোরভাবে পালন খুব জরুরি। দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করে এই বিষাক্ত পণ্যের উৎপাদন, বাণিজ্য ও বিক্রয় বন্ধ করতে হবে।”
ডিজন আরও বলেন, ফিলিপাইনের অবস্থাও বাংলাদেশের মতোই। ফিলিপাইন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ১০০টির বেশি পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী পণ্য নিষিদ্ধ করলেও, এই পণ্যের ব্যাপক বিক্রির বিরুদ্ধে কার্যকর বাস্তবায়ন এখনও বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে।
২০১৭ সাল থেকে ESDO ও BAN Toxics অংশ নিচ্ছে ইউরোপীয় এনভায়রনমেন্টাল ব্যুরো এবং Zero Mercury Working Group (ZMWG) নেতৃত্বাধীন পারদযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী পণ্যের বিরুদ্ধে চলমান বৈশ্বিক আন্দোলনে। যেখানে তারা দৈনন্দিন ব্যবহার্য পণ্যে, বিশেষ করে শিশুদের পণ্যে, থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক নিয়ে গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক