a
ফাইল ছবি
আফগানিস্তান থেকে বিদেশি বাহিনী প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ আগস্ট। এর আগেই দেশটি থেকে প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইডেন ও স্পেন। অন্যান্য দেশগুলোও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের বাহিনী সরিয়ে নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, এএফপি ও সিএনএন।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাতে কাবুল থেকে যাত্রীদের নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সর্বশেষ ফ্লাইটটি ছেড়ে গিয়েছে। আফগানিস্তানে তাদের আর কোনো নাগরিক নেই বলে জানানো হয়। তবে কাবুলে আরও কয়েকজন রয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে কিউই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে তারা আর কোনো বিমান পাঠাবে না।
আজ শুক্রবার প্রত্যাহার কার্যক্রম সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার ডাটন। তিনি বলেন, কাবুল থেকে চার হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে তারা। এ জন্য অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
শুক্রবার সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন লিন্ডে জানিয়েছেন, কাবুল থেকে প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এক হাজার ১০০ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে।
আজ সকালে স্পেনের সর্বশেষ দু'টি ফ্লাইটও কাবুল থেকে ছেড়ে গিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আফগান ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
ফাইল ছবি
পাকিস্তান সরকারকে ৪২০ কোটি ডলার সহয়তা দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব সরকার। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে এ কথা জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। খবর ব্লুমবার্গের।
তিন দিনের পশ্চিম এশিয়া সফরে গিয়ে বুধবার সৌদির রাজধানী রিয়াদে সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ইমরান খান। সেখানেই পাকিস্তান সেন্ট্রাল ব্যাংকে ৩০০ কোটি ডলার আমানতের প্রস্তাব দেন সৌদি যুবরাজ।
পাশাপাশি ১২০ কোটি ডলারের পেট্রলজাত পণ্য দেওয়ার কথাও জানান তিনি। সৌদি সরকারের এই সহায়তা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন ইমরান খান।
প্রসঙ্গত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন সালমান। সেই সময় করোনার কারণে বিধ্বস্ত পাক অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনের জন্য অর্থ সহায়তার আহ্বান জানিয়েছিলেন ইমরান খান।
ফাইল ছবি
সাইবার অপরাধ দমনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এ আইন কোনো মতেই বাতিল করা যায় না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।
রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, আইজিপির সঙ্গে প্রতিনিয়ত মামলা-মোকদ্দমা নিয়ে আলোচনা হয়। অনেক মামলা আদালতে যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি হয় এবং সেসব মামলার জটিলতা থাকে সেগুলো নিয়ে আমরা আলাপ-আলোচনা করি। মামলা জট কমানোর জন্য আলাপ-আলোচনা করি। সেই আলোচনার জন্য উনি এসেছিলেন। এতটুকুই হয়েছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। এটি বাতিলের দাবি উঠেছে এ বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা আইন। এ আইনকে কোনো মতেই বাতিল করা যায় না। এ আইনের তো অপব্যবহার হচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইনমন্ত্রী বলেন, সেটা তো আমরা দেখছিই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন