a
ফাইল ছবি
পরবর্তী ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুনরায় ভোটে দাঁড়িয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ড.মাহমুদ আহমেদিনেজাদ। গতকাল ১২ মে বুধবার ভোটের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করেন তিনি। বিপুলসংখ্যক জনসমর্থন নিয়ে ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন সাবেক এ প্রেসিডেন্ট।
তিনি নিজের নামের রেজিস্টার্ড সম্পন্ন করে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ বছর ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন ড. আহমাদিনেজাদ। ২০১৭ সালের নির্বাচনে পুনরায় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন কিন্তু সে সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনীর অধীনে থাকা পরিষদ তাকে যোগ্য বলে বিবেচিত না করায় নির্বাচন করতে পারেননি। এবার তিনি আশাবাদী, তিনি যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নিতে পারবেন ।
ফাইল ছবি: রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান
দ্বিতীয় দফা ভোটে রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছে দেশটির সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আহমেদ ইয়েনের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এরদোগান ৫২.১৪ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
তিনি বলেছেন, ‘যদিও প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের এখনও সব ভোট সিস্টেমে প্রবেশ করেনি। তবে তাতে ফলের কোনো পরিবর্তন হবে না।’ এখন পর্যন্ত ৯৯.৪৩ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। সেখানে এরদোয়ানের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিলিচদারগলু পেয়েছেন ৪৭.৮৬ শতাংশ ভোট।
এমতাবস্থায় টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এরদোয়ান। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
অধ্যাপক রাশীদ মাহমুদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক রাশীদ মাহমুদ মারা গেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। বুধবার সাতক্ষীরার শ্যামনগরে তিনি মারা যান বলে জানা যায়। ঢাবি নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফারহানা বেগম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, অধ্যাপক রাশীদ মাহমুদ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গবেষণার জন্য ফিল্ডওয়ার্কে ছিলেন। সেখানে তিনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। এর পরই তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্যামনগর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, তাকে (অধ্যাপক রাশীদ মাহমুদ) মৃত অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছিল। কী কারণে তিনি মারা গেছেন তা ময়নাতদন্ত না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারহানা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি করোনায় আক্রান্ত। আজ (বুধবার) সকালে রাশীদ ফোন করে আমার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। প্রাণবন্ত ও স্বাভাবিক একজন মানুষের মৃত্যুর খবর পেয়ে খুব খারাপ লাগছে। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে বেদনাহত।”
অধ্যাপক রাশীদ মাহমুদের পৈতৃক বাড়ি ফেনীতে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।