a
ফাইল ছবি । পুতিন ও বাইডেন
রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে জেল দেওয়ার ঘটনায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে আমেরিকা।
রবিবার মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেক সুলিভান এ কথা জানান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে বৈঠক করার কয়েকদিন পর সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞার কথা প্রকাশ করলেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।
ফলে আবারও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ১৬ জুন জেনেভা শহরে পুতিন ও বাইডেন শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত নতুন করে আমেরিকায় ফিরে গেছেন। ওয়াশিংটন এবং মস্কোর মধ্যে সম্পর্কের মারাত্মক অবনতি ঘটার পর গত মার্চ মাসে রুশ রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আমেরিকায় ফিরে যাওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল- দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নাটকীয় উন্নতি হয়েছে। কিন্তু রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনার কথা প্রকাশ হওয়ার পর সেই ধারণা পাল্টে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগেও নাভানলিকে জেল দেওয়ার ঘটনায় আমেরিকা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
২০২০ সালের আগস্ট মাসে নাভানলিকে নার্ভ গ্যাস প্রয়োগ করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। সে সময় নাভানলি অভিযোগ করেছিলেন যে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরাসরি নির্দেশে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। পুতিন এসব অভিযোগ বরাবরই নাকচ করে দিয়েছেন। মস্কো বলছে, পাশ্চাত্যের দেশগুলোর উসকানিতে নাভানলি রাশিয়ার ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
ফাইল ছবি
সদ্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ‘ওভারসাইট বোর্ড'। ফেসবুকের এমন বিরূপ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ফেসবুক, টুইটার ও গুগলের এরূপ আচরণ, দেশের ও জাতির জন্য অসম্মানজনক ও বিব্রতকর। তিনি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে আখ্যা দেন।'
এদিকে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্পের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরই ওভারসাইট বোর্ড জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা ফেসবুকের অন্যান্য সাধারণ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বাইরে কি না, তা বিবেচনার বিষয়। এই স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে মূল্য চুকাতে হবে। এবং আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আর ধ্বংস করার সুযোগ দেওয়া হবে না।’
এছাড়া সাধারণ ব্যবহারকারীসহ সকলের জন্য এই নিয়ম ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, এ ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্যেও কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে ওভারসাইট বোর্ড। গত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটালে হামলার ঘটনায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
ওভারসাইট বোর্ড বলছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তটি মানসম্পন্ন ছিল না। অন্য ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে যে নিয়ম অনুসরণ করা হয়, তাঁর ক্ষেত্রেও সে নিয়ম অনুসরণ করাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। এব্যাপারে পরবর্তী ছয় মাসের ভিতর ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে। ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেও ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ওভারসাইট বোর্ড।
এরই মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট চালু করেছেন। বলা হচ্ছে, এখন এই ওয়েবসাইট থেকেই সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্য পেশ করবেন।
ছবি সংগৃহীত: প্রধান উপদেষ্টার সাথে বিএনপির ৩ নেতার বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠক করেছেন বিএনপির তিন নেতা। বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।
আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়।
রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশে যাতে নতুন করে সাংবিধানিক সংকট না সৃষ্টি হয় সে ব্যাপারে আমরা খেয়াল রাখতে বলেছি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, পতিত স্বৈরাচারের দোসররা যদি দেশে আবার নতুন করে সংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরির পাঁয়তারা করে তাহলে অন্তর্বর্তী সরকারকে সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন লড়াই করে বহু সাথীর রক্তের বিনিময়ে আমরা যে পরিবর্তন অর্জন করেছি, এই পরিবর্তন সুরক্ষায় ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় রাখা দরকার।
অপরদিকে, বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবেই বিএনপির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান। সূত্র: যুগান্তর