a
ফাইল ছবি
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত হল নতুন আরো ৫টি দেশ। সেগুলো হল- আলবেনিয়া, ব্রাজিল, গ্যাবন, ঘানা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
শুক্রবার এই দেশগুলোকে ক্ষমতাধর নিরাপত্তা পরিষদে ২ বছরের মেয়াদে সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ।
সবগুরো দেশ আসনের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেয় এবং প্রত্যেকেই প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
এর মধ্যে ঘানা ১৮৫, গ্যাবন ১৮৩, আরব আমিরাত ১৭৯, আলবেনিয়া ১৭৫ ও ব্রাজিল ১৮১ ভোট পেয়েছে।
এ পাঁচটি দেশ ভারত, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, মেক্সিকো ও নরওয়েসহ অন্য অস্থায়ী সদস্যের সঙ্গে যোগ দিল নিরাপত্তা পরিষদে।
২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশগুলোর কাজ শুরু হবে। এ মেয়াদে দেশগুলো এস্তোনিয়া, নাইজার, সেন্ট ভিনসেন্ট, তিউনিসিয়া ও ভিয়েতনামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।
ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আঞ্চলিকভাবে এ অস্থায়ী সদস্যপদগুলো দেওয়া হয়ে থাকে। সূত্র: ইউএননিউজ, রয়টার্স
ফাইল ছবি
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনকে নাৎসিমুক্ত করতে চান বলে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র দিমিত্রি মেদভেদেভ জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ এখন দেশটির নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একটি ফরাসি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, রাশিয়া কিছু শর্ত সাপেক্ষে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত।
ফেব্রুয়ারিতে আক্রমণের আগেও মস্কো স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে ন্যাটোতে ইউক্রেনের সদস্যপদ গ্রহণযোগ্য নয়। মেদভেদেভ এলসিআই টেলিভিশনকে বলেন, উত্তর আটলান্টিক জোটে তার অংশগ্রহণ ত্যাগ করা এখন অত্যাবশ্যক। তবে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এটা এখন যথেষ্ঠ নয়।
তিনি বলেন, রাশিয়া তার লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাবে। পুতিন বলেছেন যে তিনি ইউক্রেনকে ‘নাৎসিমুক্ত’ করতে চান। অবশ্য কিয়েভ এবং পশ্চিমারা দাবি করেন, এটা রাশিয়ার যুদ্ধ জয়ের একটি ভিত্তিহীন অজুহাতমাত্র। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন। এ নিয়ে দেশটিতে একটি নতুন আইনও পাস করা হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, উত্তর কোরিয়া কখনও তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না বলে জানিয়েছেন কিম।
নতুন আইন পাস হওয়া নিয়ে এক বিবৃতিতে কিম বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া কখনই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না, এমনকি যদি তার দেশকে ১০০ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়। এছাড়া, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে কোনও আলোচনা হতে পারে না।’
নতুন পাস হওয়া আইনটিতে বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ং নিজেকে রক্ষা করার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষণ করে। আসন্ন শত্রু শক্তির দ্বারা পারমাণবিক বা অ-পারমাণবিক আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে পড়লেই উত্তর কোরিয়া পারামাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।
কিম জং উন তার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা কখনই আমাদের আত্মরক্ষার অধিকার ছেড়ে দেবো না, যা আমাদের দেশের অস্তিত্ব রক্ষা করে। জাতীয় পারমাণবিক শক্তি নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন আইন ও প্রবিধান গ্রহণ একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কারণ আমরা জাতীয় প্রতিরক্ষার উপায় হিসেবে ইতোমধ্যে আইনত যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করেছি।’ সূত্র: ইত্তেফাক