a
ফাইল ছবি
ইউক্রেন ইস্যুতে যেসব পদক্ষেপের কারণে উত্তেজনা বেড়েই চলছে তা থেকে বিরত থাকতে আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। একইসঙ্গে বেইজিং জোর দিয়ে বলেছে, ইউরোপে নিরাপত্তার বিষয়ে মস্কো যে উদ্বেগ প্রকাশ করছে তাকেও আন্তরিকভাবে বিবেচনা আনতে হবে।
বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের সঙ্গে টেলিফোন আলাপকালে এসব কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এসময় দুই মন্ত্রী ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া ও মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর মধ্যে বেড়ে চলার উত্তেজনা নিয়ে কথা বলেন।
আলোচনাকালে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব পক্ষকেই স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার মানসিকতা সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে এবং ভারসাম্যপূর্ণ, কার্যকর ও টেকসই ইউরোপীয় নিরাপত্তা কৌশল বের করতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে। ওয়াং ই বলেন, পূর্বমুখী ন্যাটো জোটের বিস্তারের বিষয়ে মস্কোর উদ্বেগ বিবেচনায় নেয়া ছাড়া সামরিক জোট গঠন কিংবা তা শক্তিশালী করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না।
ফাইল ছবি: ইমন গিলমোর
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের এবং পরের পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নজর রাখবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোর। তাছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষও দেখতে চায় জোটটি।
মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে বৈঠক করেন ইইউর বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোর। বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ইমন গিলমোর।
ইমন গিলমোর বলেন, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মানবাধিকার। আমরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানবাধিকারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এ নির্বাচনের আগে ও পরে মানবাধিকারসহ সব ধরণের পরিস্থিতি নজরে রাখবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ জোট বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ দেখতে চায়।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ইমন গিলমোর বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল সফর শেষে ব্রাসেলসে রিপোর্ট পেশ করবে। সেটির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ সফরে আসেন ইমন গিলমোর। এটি তার দ্বিতীয় বাংলাদেশ সফর। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: ইউসিজি কর্তৃক বাজেট বৈষম্যের অভিযোগে আজ মঙ্গলবার (৬ মে,২৪) দুপুর ১২টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বৃদ্ধিসহ চার দাবি জানিয়েছেন তারা।
শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবিগুলো হলো-
১. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধি এবং অন্তত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ভাতা অন্তর্ভুক্ত করা।
২. দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ এবং পুরান ঢাকায় ড. হাবিবুর রহমান হল ও বাণী ভবনের নির্মাণকাজ আগামী ১০ মে’র মধ্যে শুরু করা।
৩. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি ১৫ দিন অন্তর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও হল নির্মাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি মুক্তমঞ্চে ব্রিফ করার বাধ্যবাধকতা আরোপ।
৪. আগামী ১৫ মে’র মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা।
এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০ হাজার শিক্ষার্থীর আবাসন সংকট, ক্লাসরুমের সংকট। যা শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। কিন্তু অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা থেকেই বাৎসরিক বাজেটে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এসময় বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা আগামীকাল ভিসি ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।