a
ফাইল ছবি
ইউক্রেন ইস্যুতে যেসব পদক্ষেপের কারণে উত্তেজনা বেড়েই চলছে তা থেকে বিরত থাকতে আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। একইসঙ্গে বেইজিং জোর দিয়ে বলেছে, ইউরোপে নিরাপত্তার বিষয়ে মস্কো যে উদ্বেগ প্রকাশ করছে তাকেও আন্তরিকভাবে বিবেচনা আনতে হবে।
বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের সঙ্গে টেলিফোন আলাপকালে এসব কথা বলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। এসময় দুই মন্ত্রী ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া ও মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর মধ্যে বেড়ে চলার উত্তেজনা নিয়ে কথা বলেন।
আলোচনাকালে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব পক্ষকেই স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার মানসিকতা সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে এবং ভারসাম্যপূর্ণ, কার্যকর ও টেকসই ইউরোপীয় নিরাপত্তা কৌশল বের করতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়ার যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে। ওয়াং ই বলেন, পূর্বমুখী ন্যাটো জোটের বিস্তারের বিষয়ে মস্কোর উদ্বেগ বিবেচনায় নেয়া ছাড়া সামরিক জোট গঠন কিংবা তা শক্তিশালী করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না।
ফাইল ছবি
নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারি আগামী নভেম্বরে নেপালের সাধারণ নির্বাচরনের আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে দেশটির সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। এ নিয়ে নেপালে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট শুরু হলো। খবর রয়টার্সের।
গত বছর ২০ ডিসেম্বর দেশটির প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি হঠাৎ করে দেশটির নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কাঠমান্ডু পোস্টের খবরের বরাত দিয়ে বলা হয়, দেশটির নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পর দেশটির সর্বোচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। আদালত ঘোষণা দেয় এ সিদ্ধান্ত সম্পুর্ণ অসাংবিধানিক।
এরপর প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি গতকাল শুক্রবার রাত ২টার দিকে হঠাৎ পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি কিংবা বিরোধী নেতা শের বাহাদুর দেউবা—কেউই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত তাদেরকে সময় দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আগামী ১২ নভেম্বর হবে প্রথম ধাপের নির্বাচন এবং দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৯ নভেম্বর। প্রেসিডেন্টের গৃহিত এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো নেতা কেউ কোন মন্তব্য করেনি।
ফাইল ছবি
উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মির্জিওয়েভ আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এরই মধ্যে তালেবানের সাথে যোগাযোগও করেছেন। তিনি বলেন, যদি আফগান জনগণের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা তাদের সাহায্য করতে প্রস্তুত। খবর ইয়েনি সাফাকের।
গতকাল শুক্রবার উজবেকিস্তানের উত্তরের নাভোই এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। প্রেসিডেন্ট শওকত আরো বলেছেন, আফগানদের সহযোগিতা করার জন্য সীমান্তের একটি সেতু খুলে দিয়েছে উজবেকিস্তান।
এছাড়া বিদেশ থেকে আফগানদের যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয় তা উজবেকিস্তান থেকে রেলপথে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এটাই একমাত্র রেলপথ যা আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফ শহর পর্যন্ত বিস্তৃত।