a
ফাইল ছবি
ইরাকের একজন সিনিয়র সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চিন্তা করছে বাগদাদ। দেশের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো ও শত্রুর আগ্রাসন থেকে দেশকে রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ইরাকের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান রিদা আল-হায়দারের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল শিহাব জাহিদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মস্কো সফর করেছে এবং এ সফরে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুক্তি করতে কিছু সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
রিদা হায়দার বলেন, বাগদাদ এরইমধ্যে মস্কোর সঙ্গে বেশ কিছু চুক্তি করেছে যার আওতায় রাশিয়া ইরাকের আর্মার্ড ব্রিগেডকে আধুনিকায়ন করবে। তিনি আরও বলেন, ইরাকি সেনাদের রুশ সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে ট্যাংক ও আর্মার্ড ভেহিক্যাল ব্যবহারের পুরনো অভিজ্ঞতা রয়েছে। সূত্র : পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী অস্ত্র সমর্পণ করলে কিয়েভের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি আছে রাশিয়া। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।
এসময় তিনি বলেন, ‘রাশিয়া চায় না কোনো নব্য নাৎসি ইউক্রেনের ক্ষমতায় থাকুক।’ একই সংবাদ সম্মেলনে ল্যাভরভ বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনকে সামরিকভাবে নিরস্ত্রীকরণ করতে চায়। ইউক্রেন দখলের কোনো পরিকল্পনা মস্কোর নেই বলেও দাবি করেছেন ল্যাভরভ।
বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে সরাসরি সেনা অভিযান শুরু করেছে মস্কো। যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের নানা দেশ থেকে রাশিয়ার ওপর বেশকিছু নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও ন্যাটো জোটসহ মার্কিন মিত্ররা জানায়, তারা সরাসরি কেউ ইউক্রেনের হয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি : ডোনাল্ড ট্রাম্প
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার ছেলে ট্রাম্প জুনিয়র এবং ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে তদন্তের অধীনে আনার জন্য সমন জারি করা হয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবীরা এই সমন এড়াতে সর্বাত্বক চেষ্টা করছেন। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল সোমবার এই সমন জারি করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের অফিস জানায়, ট্রাম্প ও তার সন্তানদের মালিকানাধীন কোম্পানির সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ সম্পর্কিত তদন্তের জন্য জবানবন্দি নিতে ও সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র খতিয়ে দেখতে এই সমন জারি করা হয়েছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার কোম্পানির সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণে ইচ্ছাকৃতভাবে কম-বেশি দেখানো হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। তাই এই বিষয়ে ফৌজদারি তদন্ত চলছে। খবর: এএফপি, সূত্র: যুগান্তর