a
ফাইল ছবি
ইরাকের একজন সিনিয়র সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চিন্তা করছে বাগদাদ। দেশের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো ও শত্রুর আগ্রাসন থেকে দেশকে রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ইরাকের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান রিদা আল-হায়দারের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল শিহাব জাহিদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মস্কো সফর করেছে এবং এ সফরে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুক্তি করতে কিছু সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
রিদা হায়দার বলেন, বাগদাদ এরইমধ্যে মস্কোর সঙ্গে বেশ কিছু চুক্তি করেছে যার আওতায় রাশিয়া ইরাকের আর্মার্ড ব্রিগেডকে আধুনিকায়ন করবে। তিনি আরও বলেন, ইরাকি সেনাদের রুশ সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে ট্যাংক ও আর্মার্ড ভেহিক্যাল ব্যবহারের পুরনো অভিজ্ঞতা রয়েছে। সূত্র : পার্সটুডে
ফাইল ছবি
২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী যৌথভাবে জিতেছেন ফিলিপাইনের সাংবাদিক মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ান সাংবাদিক দিমিত্রি মুরাতভ।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রচেষ্টার জন্য তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যা গণতন্ত্র এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, সাহসিকতার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তারা। একই সঙ্গে মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরতভ তাদের সেই সব পূর্বসূরীদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যারা সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে গণতন্ত্র, শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
গত বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। ১৯০১ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী শান্তিপ্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ১০১বার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ পুরস্কার পেয়েছেন ১৩৫ জন, যাদের মধ্যে ১০৭ জন ব্যক্তি ও ২৮টি প্রতিষ্ঠান আছে।
ফাইল ছবি
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১০৩ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।
গতকাল দুপুর ১টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে একাদশে দুই পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে তামিম ইকবালের দল। উইকেটে নেমেই দারুন সূচনার পর আউট হন তামিম ইকবাল, তামিমের বিদায়ের পর মাঠে আসে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান তবে ক্রিজে তিন বলের বেশি টিকতে পারেনি সাকিব, ০ রানে চামিরার বলে এলবিডব্লিউর ফাদের পরে সাজঘরে ফিরে যান সাকিব। ধীরস্থির ভাবে খেলতে থাকা লিটন আউট হন ব্যক্তিগত ২৫ রানে, দলীয় রান যখন ৪৯ রান আউট তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। মুশফিকুর রহিম মাঠে নেমে লঙ্কান বোলারদের তুলোধুনো করে এক পাশে খেলতে থাকেন এই ব্যাটসম্যান। দলীয় ৭৪ রানে মোসাদ্দেক আউট হলে মাঠে নামে মাহমুদউল্লাহ। রিয়াদ-মুশফিক জুটিতে ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে থাকে খেলার চিত্র দুজনে মিলে দলীয় খাতার যোগ করেন ৮৭ রান। এর পর এক পাশে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকলেও ক্যারিয়ারের আট নাম্বার সেঞ্চুরি তুলে নেন মি.ডিপেন্ডেবল মুশফিক। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ রানে অল আউট হয়।
জবাব দিতে নেমে দারুন সূচনা করে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার ২৪ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর আর তেমন জুটি গড়তে পারেনি লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। বৃষ্টি আইনে ম্যাচ নির্ধারণ করা হয় ৪০ ওভারে, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালে ৯উইকেটে মাত্র ১৪১ রান করতে পারে লঙ্কানরা। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ২৪ রান এসেছে গুনাথিলাকার ব্যাট থেকে।
স্কোর কার্ডঃ
বাংলাদেশ: ৪৮.১ ওভারে ২৪৬ (মুশফিক ১২৫, মাহমুদউল্লাহ ৪১,চামিরা ৪৪/৩, সান্দাকান ৫৪/৩
শ্রীলঙ্কা: (লক্ষ্য ৪০ ওভারে ২৪৫) ৪০ ওভারে ১৪১/৯ (গুনাথিলাকা ২৪, নিসাঙ্কা ২০, মিরাজ ২৮/৩, মুস্তাফিজ ১৬/৩
ম্যান অব দ্যা ম্যাচ: মুশফিকুর রহিম