a
ফাইল ছবি
ইরান বড় আকারের যুদ্ধ মহড়া শুরু করেছে সামরিক বাহিনী। তিন বাহিনীর বিশাল এই মহড়া পরিচালনার জন্য ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইস্পাহান প্রদেশে একটি সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যার নাম প্রদান করা হয়েছে স্কাই শিল্ড-১৪০০।
জানা গেছে, যৌথ এ সামরিক মহড়ায় ইরানের স্থল, বিমান ও নৌ বাহিনীর র্যাপিড রেসপন্স এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট অংশ নিচ্ছে। এতে ইলেকট্রিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামাদি প্রদর্শন করা হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর উপপ্রধান সমন্বয়ক অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান যেসব সামরিক মহড়া চালিয়ে আসছে তার মধ্যে এবারের মহড়ায় সবচেয়ে বেশি বাস্তবভিত্তিক অনুশীলন।
তিনি আরো জানান, সর্বশেষ পর্যায়ে সামরিক ক্ষেত্রে অর্জিত সফলতা ও সামরিক সরঞ্জামাদি এই মহড়ায় প্রদর্শন ও ব্যবহার করা হবে। মহড়ায় এরিয়াল ইন্টারসেপশন ও সাইবার ডিফেন্স অপারেশনও পরিচালনা করা হবে। এছাড়া, শত্রুর বিমান কতটা নির্ভুলভাবে ও দ্রুতগতিতে শনাক্ত করা সম্ভব সেটাও এখানে যাচাই করা হবে। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
টিকাভীতি কাটাতে সারা ভারত জুড়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবুও টিকা নিয়ে ভয় যে কাটেনি সাধারণ মানুষের মাঝে, তারই প্রমাণ মিলল মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার পাটানকালান গ্রামে। টিকা দেয়া কার্যক্রম চলছিল গ্রামে। তা দেখে ভয়ে এক ব্যক্তি গাছে উঠে পড়লেন সবার অগোচরে। যতক্ষণ না টিকাকরণ শিবির শেষ হয়, ততক্ষণ গাছেই বসে ছিলেন তিনি। এমনকি তার স্ত্রী যেন টিকা দিতে না পারেন, তাই স্ত্রীর আধার কার্ডও (ইআইডি) তিনি তার সঙ্গে নিয়ে চলে যান।
‘হিন্দুস্তান টাইমস’ গ্রুপের ‘লাইভ হিন্দুস্তান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি টিকাকরণের জন্য রাজগড় জেলার পাতানকালান গ্রামে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। গ্রামের অনেকেই টিকা নিতে ক্যাম্পে আসেন। কিন্তু কানওয়ারলাল নামে ঐ ব্যক্তি বেঁকে বসেন। নিজে টিকা নেননি এবং এখনও নেবেন না। অনেক বুঝিয়ে তার স্ত্রীকে টিকা নিতে রাজি করান স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় টিকাকরণ শিবিরে। সেই খবর জানতে পেরেই স্ত্রীর আধার কার্ড নিয়ে গাছে উঠে গা ঢাকার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি।
করোনা টিকাকরণের সময় যেহেতু আধার কার্ডের মতো পরিচয়পত্র আবশ্যিক, তাই খোঁজাখুঁজির পর কানওয়ারলালকে গাছে দেখে নেমে আসতে বলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু নিজের জেদে অনড় থাকেন। অবশেষে স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রাম থেকে চলে যাওয়ার পর নেমে পড়েন গাছ থেকে।
পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় ব্লকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। কথা বলেন কানওয়ারলালের সঙ্গে। জানা যায়, প্রবল জ্বর, গায়ে ব্যথা ও সর্দির ভয়ে নিজে টিকা নিতে চাননি ওই ব্যক্তি। সে স্ত্রীকেও টিকা নিতে দেননি। যদিও করোনা টিকাকরণের পর জ্বর, গায়ে ব্যথা একেবারে স্বাভাবিক পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া। তা দিনকয়েকের মধ্যে সেরেও যায়।
অবশেষে টিকাকরণ নিয়ে কানওয়ারলালের বিভ্রান্তি দূর করেন সেখানকার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং টিকা নিতেও রাজি করান। কানওয়ারলাল শেষটা সম্মতি দেন, গ্রামেরই অন্য একটি শিবিরে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে নিজেও টিকা নেবেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল প্রকল্প ২০২২ সালের জুন মাসে চালু করা হবে। একই সময়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল চালু করা হবে।
আজ রোববার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু চালুর সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। ২০২২ সালের জুন মাসের দিকে এটি চালু করা সম্ভব হবে। একই সময়ে আরও তিনটি প্রকল্প চালু হয়ে যাবে বলে আশা করেন তিনি। সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।
পদ্মা সেতু ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। তাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে সরকার আশা করছে। পদ্মা সেতু চালু হলে এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হবে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সমীক্ষায় দেখা যায়, ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে ওই বছর সেতুতে চলাচল করবে প্রায় ২৪ হাজার যানবাহন। সংখ্যাটি প্রতিবছরই বাড়বে। ২০৫০ সালে প্রায় ৬৭ হাজার যানবাহন চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে।