a
সংগৃহীত ছবি
ওমান উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে দুষছে ইসরায়েল। ওই হামলায় দুই ক্রু নিহত হয়েছেন। তাদের একজন ব্রিটিশ নাগরিক। অন্যজন রোমানিয়ার নাগরিক।
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, এমভি মার্সার স্ট্রিট নামের ট্যাংকারটি পরিচালনা করে লন্ডন-ভিত্তিক জোডিয়াক মেরিটাইম। আরব সাগরে ওমান উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় বৃহস্পতিবার এ ঘটনাটি ঘটে।
ইসরায়েলি শিপিং ম্যাগনেট আইল ওফার মালিকানাধীন কোম্পানিটি বলছে, তারা ঘটনার বিস্তারিত জানতে কাজ করছে। তবে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিড শুক্রবার এটিকে সরাসরি ‘ইরানের সন্ত্রাসবাদ’ বলে উল্লেখ করেন।
এক বিবৃতিতে লাপিড বলেন, ‘ইরান শুধু ইসরায়েলের সমস্যা নয়’ এবং ‘এ ঘটনায় বিশ্ব চুপচাপ থাকতে পারে না’।
তবে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাপানি মালিকানাধীন ট্যাংকারটিতে হামলার ঘটনা এখনও অস্পষ্ট এবং এ বিষয়ে ইরান এখনও কোন মন্তব্য করেনি।
এ হামলা ওই অঞ্চলে উত্তেজনা গুরুতরভাবে বাড়িয়ে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড্রোনের মাধ্যমে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ফাইল ছবি
ইসরাইলের আকাশের ওপর টানা ৪০ মিনিট অবস্থানের পর লেবাননে অক্ষত অবস্থায় ফিরে এসেছে হিজবুল্লাহর পাঠানো ড্রোন। লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন-হিজবুল্লাহ শুক্রবার এ দাবি করেছে। খবর আনাদোলুর।
লেবাননের আল-মানার টিভি চ্যানেলে প্রচার হিজবুল্লার এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় পৌনে ১ ঘণ্টা ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে আকাশে সফলভাবে নজরদারির পর অক্ষত অবস্থায় ড্রোন নিরাপদে লেবাননের আকাশে ফিরে আসে।
ইসরাইলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার ভোরে লেবাননের আকাশ থেকে একটি ড্রোন তাদের আকাশ সীমায় প্রবেশ করে। তারা এটাকে শনাক্ত করার পর গুলি করে ভূপাতিত করার আগেই তা লেবাননে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র অ্যাভিচে আদ্রায়ি বলেছেন, লেবানন থেকে আসা ড্রোনটি শনাক্ত করার পর ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ধংস করতে কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
এদিকে, হিজবুল্লাহ সামরিক দিক থেকে এটাকে তাদের বিরাট এক সাফল্য হিসেবে মনে করছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জাররাহ এলাকার বাসিন্দা ফিলিস্তিনি আন্দোলনকর্মী সেই দুই ভাই-বোনকে মুক্তি দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি পুলিশ। আটকের কয়েক ঘণ্টা পর ইসরায়েলি পুলিশ তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য দেয়। খবর আল-জাজিরার
খবরে বলা হয়, ২৩ বছর বয়সী দুই আন্দোলনকর্মীর নাম মুনা আল-কুরদ ও মোহাম্মদ আল কুরদ। তারা শেখ জাররাহতে চলমান ফিলিস্তিনি আন্দোলনের সম্মুখসারির কর্মী।
ইসরায়েলি পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্তির পর মুনা আল-কুরদ বলেন, ‘আমাদের আতঙ্কিত করতে এবং ভয় দেখাতে দখলদাররা যাই করুক না কেন এবং যতোবার গ্রেফতার করুক, তাতে আমরা ভীত নয়। আমরা আমাদের বাড়িতে থাকব এবং আমাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠার ভূমি রক্ষায় প্রতিরোধ আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
মুনার ভাই মোহাম্মদ আল কুরদ বলেন, ‘আমরা মোটেও ভীত নয়। আমরা সব অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলে যাব এবং আমাদের বাড়ি ও ভূমি রক্ষায় আরও তৎপর থাকব।’
এর আগে রোববার (৬ জুন) মুনা ও মোহাম্মদকে আটক করে নিয়ে যায় ইসরায়েলি পুলিশ। শেখ জাররাহ আন্দোলনের পেছনে তাদের উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ করে দখলদার ইসরায়েলি পুলিশ।
মুনা আল-কুরদকে আটকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায় মুনাকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি পুলিশ। এসময় মুনা তার পরিবারকে ভয় না পেয়ে আরও শক্ত হতে বলতে শোনা যায়।