a
ফাইল ছবি
বিচারক ইব্রাহিম রাইসি ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল। রবিবার (২০ জুন) দখলদার দেশটি বলছে, রাইসির অধীন ইরানে একটি নৃশংস জল্লাদের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। কাজেই বিশ্বশক্তিগুলোর উচিত হবে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনায় যোগ বিশ্বকে না দেওয়া। খবর আল জাজিরা'র।
তিনি জানান, মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে রাইসির বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।শুক্রবারের নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় নিয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। রাইসিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সচেতন হওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন ইরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট।
এদিকে ইরান সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাইসি। রাইসি বলেন, তিনি পুরো জাতির নেতা হবেন। আগামী অগাস্টে তিনি শপথ গ্রহণ করবেন।
ফাইল ছবি
স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার পর পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দুইটি অঞ্চলে সৈন্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টি ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়া বলেছে, আলাদা হয়ে যাওয়া অঞ্চল দুইটিতে 'শান্তি রক্ষার' কাজ করবে তাদের সৈন্যরা। ২০১৪ সাল থেকেই এসব এলাকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা করছে রাশিয়া। যদিও 'শান্তি রক্ষার' এই ঘোষণাকে 'ফালতু কথা' বলে বর্ণনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের অভিযোগ, রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার দেশ কাউকে বা কোন কিছুর জন্যই ভীত নয়।
রাশিয়ার এই পদক্ষেপের জের ধরে যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবতে শুরু করেছে।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ, ভারত শ্রীলঙ্কা, ভুটানসহ এশীয় অঞ্চলের প্রধান খাদ্য হিসেবে সকলের কাছে প্রথম পছন্দ ভাত। আর বাঙালি হলে সেক্ষেত্রে কথাই নাই। বাঙালি জনগোষ্ঠীর অন্য সব কিছু না হলেও ভাত ছাড়া চলে না তাদের। বর্তমান কৃষি ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের ধান চাষ করা হয় যেমন ইরি, বোরো, আউশ, আমন ইত্যাদি। যা আমাদের ভাতের চাহিদা মিটিয়ে থাকে।
বর্তমান সময়ে নতুন এক প্রজাতির ধানের সন্ধান দিয়েছে বিজ্ঞানীরা যা আমাদের ভাতের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দেহের কিছু কঠিন রোগ প্রতিরোধে ভুমিকা রাখতে সক্ষম। বিভিন্ন জায়গায় নতুন প্রজাতির কালো দেখা যাচ্ছে কালো ধানের চাষ হচ্ছে এ চাল নাকি ক্যান্সারকে দূরে রাখে। শুধু ক্যান্সারই নয়, এ চালে মানুষের স্নায়ুও ভাল রাখতে সক্ষম বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। এমনকী আরো দাবি করা হচ্ছে যে এ চাল আলঝাইমার্স-এর সঙ্গেও মোকাবিলার ক্ষমতা আছে।
ভারতে এ ধরনের চাল আগে চাষ হলেও এমন ঔষধিগুণ সম্পন্ন চালের কথা আগে শোনেননি ভারতের চাষিরা। তাঁদের সবার কাছে এমন ধানের কথা তুলে ধরেন মণিপুরের ধান গবেষক ৬৩ বছরের পি দেবকান্ত। এই ধানের নাম ‘চাখাও পোইরিটন’।
তিনি চাষিদের বলেছেন, “এটা আসলে আমাদের জন্য ধান নয়, এটা আসলে ভেষজ ঔষধ। শুধু টাকার জন্য চাষ না করে নিজেদের রোগমুক্ত রাখতে এই ধান চাষ করতে সকলকে আহ্বন জানান এই গবেষক"।
কালো ধান নিয়ে গবেষনা করা এই বিজ্ঞানী ২০১২ সালে ভারত কেন্দ্র সরকারের ‘প্রোটেকশন অফ প্লান্ট ভ্যারাইটিস অ্যান্ড ফার্মাস রাইট অ্যাক্ট’ পুরষ্কার পেয়েছেন। এই ধানের ফলন যাতে বেশি হয়, এজন্য উচ্চতর গবেষণা চলছে। কালো চাল ক্যান্সার প্রতিরোধক এবং এন্টি এজিং। এছাড়াও বার্ধক্য, ডায়াবেটিস, স্নায়ুরোগ প্রতিরোধক ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকর। এ চালের ভেতর ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল থাকে, অত্যন্ত পুষ্ঠিগুন সমৃদ্ধ।
বাংলাদেশও এ ধানের চাষ শুরু হয়েছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লায় কালো ধান চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন কুমিল্লার চাষী মনজুর হোসেন, নিজের তৈরি করা বীজ নিয়ে তিনি ১৫ জন কৃষকের সাথে চুক্তিভিত্তিক ভাবে চাষ করে কালো ধান, দেশব্যাপী এই ধান ছড়িয়ে দেওয়ার আশা করছেন কুমিল্লার এই কৃষক। একসময় এ ধান চীন, থাইল্যান্ড এ নিষিদ্ধ ছিল। যা একসময় শুধু রাজবংশের লোকেরাই খেয়ে থাকত। কুমিল্লার এই কৃষক আশাবাদী একদিন সাড়াদেশে সফল্যের সাথে ছড়িয়ে পড়বে এ ধান। যা চাষে কৃষক লাভবান হবে এবং নিজেদের পুষ্ঠিগত সমস্যাও পুরণ করতে সক্ষম হবে।