a ইসরায়েল যুদ্ধে পরাজয়ের প্রথম ধাক্কা মোসাদ প্রধানের চাকরিচ্যুতি
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইসরায়েল যুদ্ধে পরাজয়ের প্রথম ধাক্কা মোসাদ প্রধানের চাকরিচ্যুতি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১, ০৯:৩৮
ইসরায়েল যুদ্ধে পরাজয়ের প্রথম ধাক্কা মোসাদ প্রধানের চাকরিচ্যুতি

ফাইল ছবি

 

ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধানকে বহিস্কার করে তার উপ-প্রধানকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। সোমবার রাতে এক ঘোষণায় এমনটাই জানায় নেতানিয়াহুয়। এতে বলা হয়, মোসাদ প্রধান ইয়োসি কোহেনকে সরিয়ে দিয়ে এই সংস্থার উপ প্রধান ডেভিড বার্নিয়াকে সেই পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।

৫৬ বছর বয়সি বার্নিয়া গত ২৫ বছর যাবত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা অর্থাৎ মোসাদের প্রধান হয়ে কাজ করে আসছেন। সোমবার রাতে মোসাদের কিছু কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বলেন, ইয়োসি কোহেনকে বরখাস্ত করে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ডেভিড বার্নিয়াকে।

উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ শেষে অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করা হলে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো এ যুদ্ধে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করে এবং হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নাগরিক রাস্তায় নেমে বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করেন। 

অন্যদিকে ইহুদিবাদী ইসরায়েলও এ যুদ্ধে বিজয়ের দাবি করলেও সেখানকার কোন নাগরিকক বা সংগঠনকে উল্লাস করতে দেখা যায়নি। সূত্র: পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একের পর এক ইউক্রেনীয় শহর পতন এবং রুশ বাহিনীর জয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২, ১২:৫৬
একের পর এক ইউক্রেনীয় শহর পতন এবং রুশ বাহিনীর জয়

ফাইল ছবি

পাঁচ মাসে গড়িয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। এসময়ের মধ্যে একাধিক ইউক্রেনীয় শহর দখল করেছে রুশ বাহিনী। সবশেষ সেভেরোদোনেটস্কের পতন ঘটলো। শহরের মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক দাবি করেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এই শহরটি রুশ সেনারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। খবর আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ সময় ধরে চলা যুদ্ধে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের মারিউপোলের পর এবার আরেকটি শহর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় ভূমি সংঘাতের কারণে শনিবারও ইউক্রেনের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ অংশে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সেভেরোদোনেটস্কে এক সময় এক লাখের বেশি মানুষ বসবাস ছিল। সেটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত মাসে মারিউপোল বন্দর দখল করার পর থেকে এই শহর দখলে মস্কোর সবচেয়ে বড় বিজয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে সেভেরোদোনেটস্কের মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক বলেন, শহরটি এখন রাশিয়ার দখলে। তারা এখন সেখানে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে। সেভেরোদোনেস্কে কর্তৃপক্ষও নিয়োগ দিয়েছে রাশিয়া।

লুহানস্ক ও দোনেস্ক এই দুই মিলে ডনবাস। লুহানস্কে অবস্থিত সেভেরোদোনেস্ক শহরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী লড়াই চলছিল। শহরটি দখলে নিতে সর্বশক্তি নিয়ে হামলা চালায় রাশিয়া।

ডনবাসের নিয়ন্ত্রণ মস্কোর জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের ফলে ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে করিডর তৈরি করা সম্ভব হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ-এর উদ্যোগে ১৯ দফা দাবী বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ১০:০৭
জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ-এর উদ্যোগে ১৯ দফা দাবী বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী, সাবেক মন্ত্রী এম. নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ  ১৭ মার্চ, সোমবার, জাতীয় প্রেসক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ-এর উদ্যোগে সাংবাদিক সম্মেলনে নিম্নোক্ত ১৯ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিসমূহ:
১। জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণহত্যাসহ সকল গুম, নির্যাতন, শাপলা চত্বরে খুন ও বিডিআর হত্যা এবং ভোটাধিকার হরণের বিচার দ্রæত সম্পন্ন করতে হবে। ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদেরও বিচার করতে হবে এবং রাজনীতি করা থেকে বিরতসহ তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।

২। সকল প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে জাতীয় নির্বাচন করতে হবে যৌতিক সময়ের মধ্যে।

৩। জাতীয় ঐক্যমতের সরকার চাই, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ চাই, ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই, শাসক ও শোষকের অবসান চাই।

৪। অত:পর গণপরিষদ নির্বাচন করে গণপরিষদ সদস্যদের ভোটে সংবিধান সংশোধন করতে রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জুলাই-আগষ্ট গণ অভ্যুত্থানের চেতনা সমৃদ্ধ নতুন সংবিধান পণয়ন করার দাবি জানাই।  যেন আর কোন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার সৃষ্টি হতে না পারে এবং নির্বাচন কমিশনের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হয়। যাতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা যায় সেই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

৫। সরকার শুধুমাত্র কয়েকটি দলের সাথেই সংলাপ করে সংলাপ হয়ে গেছে বলে জাতীকে জানিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় জণমত জরিপে যাছাইয়ের মাধ্যম ছাড়া হতে পারে না। এটি একটি চুড়ান্ত পদক্ষেপ নয় বলেও জাতি মনে করে। সরকারের নিকট আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সামাজিক সংগঠন, নাগরিক সংগঠন ও নাগরিক, পেশাজীবিসহ সকল পর্যায়ের স্টেক হোল্ডারদের সংগে আলোচনা করে সকল জাতীয় গুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলে প্রকৃপক্ষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমাদের নিকট প্রতীয়মান হয়। এটাই বাস্তবতা এবং এটাই সময়ের দাবি। আমাদের জানা মতে, দেশে ১৫০-১৬০ টির মতো রাজনৈতিক দল রয়েছে। ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনকে ৯৩টি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে, সে সকল দলের সংগে সংলাপ করতে হবে অন্যথায় এ সংলাপও সিদ্ধান্তসমূহ অর্থবহ হবে না।

আমাদের জানা মতে দেশে ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসর ছাড়া প্রায় ৯৩টির মতো রাজনৈতিক দল রয়েছে। যাদের নিবন্ধন নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৬। অবিলম্বে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় চাউল, তেল, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস- জ্বালানী তেলসহ সকল দাহ্য পদার্থের দাম কমাতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ব্যবসায় সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে জনমনে স্বস্তি আনতে হবে। মূদ্রাস্ফীতি কমাতে হবে। ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী করতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। নাগরিকদের কর্মসংসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলেই প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে যাওয়া সহজ হবে। ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। অর্থনৈতিক সচল করাসহ সকল ধরনের চাঁদাবজি বন্ধ করতে হবে।
৭। সরকারের উপদেষ্টাদের আরো তৎপর ও শক্তিশালী হতে হবে।

৮। সরকারের দেশ চালাতে যদি সমস্যা মনে করেন বা তাদের নিকট যদি ভার মনে হয় তাহলে আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য হলো প্রয়োজনে পূর্ণাঙ্গ ক্যাবিনেট করে জাতীয় সরকার বা বিকল্প সরকার গঠন করতে হবে। যাতে করে শক্তিশালীভাবে দেশ পরিচালিত হয় এবং ছাত্র জনতার গণ আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করতে হবে। আমরা চাই এই সরকার যাতে ব্যর্থ না হয়ে সফলতা অর্জন করে। এ বিষয়ে গণভোট (জবভবৎবহফঁস) জনগণের মতামত নেওয়া যেতে পারে।

৯। দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে কূটনৈতিক মিশনে ফ্যাসিস্টদের দোসরদের প্রত্যাহার করে দেশ প্রেমিক যোগ্যদের নিয়োগ দিতে হবে। বিশেষত: ভারতে বসে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনা দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভারতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

১০। প্রশাসনের সকল স্তরে ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের প্রত্যাহার করে বা বরখাস্ত করে দেশপ্রেমিক যোগ্যদের নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।

১১। সংসদ সদস্যদের সংখ্যা ৫০০তে উন্নীত করতে হবে। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থায় উচ্চকক্ষে ২০০ জন সদস্য (সিনেটর) করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রস্তাবগুলো সংসদ সদস্যদের খরচ কমাতে হবে।

১২। শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে। যাতে থাকবে আলেম ওলামাসহ জ্ঞানী ব্যক্তিগন। ফ্যাসিস্টদের শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে দেশ ও জাতীর কল্যাণে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাসহ বিশ্ব মানের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রনয়ন করতে হবে। জুলাই গনঅভ্যুথানকে আমরা ধারন করি, সম্মান করি এই চেতনা অব্যাহত থাকুক।

১৩। আন্দোলনে সকল শহীদদের ক্ষতিপুরন দিতে হবে। দ্রু তাদের ক্ষতিপুরনের ব্যবস্থা করতে হবে। সকল আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করা। তাদের জন্য কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সারা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা সাফল্য ফিরিয়ে আনতে হবে।

১৪।    আমরা বাংলাদেশ কে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করতে চাই। যা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারে। অর্থনৈতিক মুক্ত ও অর্থনৈতিক বৈষম্য নূন্যতম পর্যয়ে থাকে। রাজনীতি নয় রাজনীতি নয় জননীতিতে কাজ করতে হবে। সাম্য, ন্যায় বিচার ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

১৫।    এছাড়াও আমরা জাতীয় ঐক্য ও গন মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে ও রাজনৈতিক সমাজিক ও পেশাদারকে ঐক্যবদ্ধ করে ঐক্যবব্ধ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদ এর  আরো পরিসর বৃদ্ধি করতে হবে।

১৬।     কৃষক-শ্রমিক মেহনতী মানুষের অধিকার সংরক্ষণে সকল প্রকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।
১৭।    কুরআন ও সুন্নাহ পরিপন্থী কোনো আইন পাস করা যাবে না।

১৮।    রাষ্ট্রীয় সকল মৌলিক প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যমত্য বাংলাদেশী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাকরণ এবং উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তন করা।

১৯। তেল, গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি উৎসের পাশাপাশি পানিসম্পদ থেকে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যবস্থা করা, এছাড়া নিরাপদ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে  জাতীয়ভাবে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান করা। জনগণের গোচরীভুক্ত করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল চুক্তি সম্পাদন করা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান, জাতীয়ঐক্য সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়কারী ও মিডিয়া উইং চীপ শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐক্য সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেকমন্ত্রী এম. নাজিম উদ্দিন আল-আজাদ আরও বলেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আরও দৃঢ়ভাবে দেশকে পরিচালনা করতে অন্যান্য দলের ন্যায় তাদের সমন্বয় পরিষদের সকল দলের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। পাশাপাশি তিনি জাতীয় ভীত মজবুত করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন প্রক্রিয়াকে অভিনন্দন জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কমিশনগুলো যাতে দ্রুত সংস্কার সম্পন্ন করে দেশে সকল ধরণের নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা সহজতর হয়।

পাশাপাশি জুলাই আগষ্টে ছাত্র জনতার গণ অভ্যু্ত্থানের মধ্যদিয়ে দীর্গ ১৬ বছর ধরে জগদ্দল পাথরের ন্যায় জাতির ঘাঁড়ের উপর জবরদস্তি চেপে বসে সম্পূর্ণ ফ্যাসিবাদ শাসনের মাধ্যমে এদেশের সকল রাজনৈতিক দলের কণ্ঠরোধ করে দেওয়া হয়েছিল। একইসাথে গণ অভ্যুত্থান প্রতিহত করতে ফ্যাসিবাদ সরকারের দলীয় মন্ত্রী, এমপি, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনের নেতা কর্মিরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কায়দায় ছাত্র জনতা তথা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মিদের ওপর গুলিবর্ষণ, হত্যা, গুম, নির্যাতন, আয়নাঘরে রেখে অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে তাদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের সঠিক বিচার করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে জাতীয় সরকার গঠন করে জনগনের প্রত্যাশিত অবাধ-নিরপক্ষ ও অংশগ্রহন মূলক জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয় পরিষদের সকল দলের চেয়াম্যান, মহাসচিবসহ দলের কর্মী। উপস্থিত দলের চেয়ারপার্সনরা হলেন: জাতীয় মুক্তিদলের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম মমতাজুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান সেকেন্দার আল মনি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান এ. আর. এম. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, স্বাধীন পার্টির চেয়ারম্যান মির্জা আজম, ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান প্রফেসর এ আর খান, বাংলাদেশ জনতা পার্টির চেয়ারম্যান এসএম মোস্তাফিজু ররহমান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল এম আর করিম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোঃ জুয়েল সমট্রা চিসতী, সিটিজেন পার্টির চেয়ারম্যান ড. আসলাম আল মেহেদী,বাংলাদেশ ইসলামী সাম্যবাদী দল পার্টির চেয়ারম্যান মুফতি নুরুল আমিন, বি.আর.পি পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ হিরু, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন পার্টির সভাপতি চেয়রম্যান খাজা মহিবউল্লাহ শান্তিপুরী, স্বদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ আনিছুর রহমান, মানবাধিকার ও পরিবেশ উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খোরশেদ আলম প্রমুখ।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক