a ইসরায়েল হামাসের হুঁশিয়ারিতে প্যারেড বাতিল করতে বাধ্য হল
ঢাকা শুক্রবার, ২৩ মাঘ ১৪৩২, ০৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইসরায়েল হামাসের হুঁশিয়ারিতে প্যারেড বাতিল করতে বাধ্য হল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৮ জুন, ২০২১, ১১:৫৩
ইসরায়েল হামাসের হুঁশিয়ারিতে প্যারেড বাতিল করতে বাধ্য হল

ফাইল ছবি

পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহরে বিতর্কিত প্যারেড অনুষ্ঠান বাতিল করেছে ইসরায়েলের উগ্র-ডানপন্থি গোষ্ঠী। মূলত ফিলিস্তিনির ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হুমকির মুখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইহুদিবাদী দেশটি।

জানা গেছে, উগ্র ডানপন্থিরা আগামী বৃহস্পতিবার কথিত পাতাকা মিছিল বের করার পরিকল্পনা করেছিল। গতকাল সোমবার ইসরায়েলি পুলিশ হামাসের হামলার ভয়ে তা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

এর আগে, হামাসের অন্যতম শীর্ষ নেতা খলিল হাইয়্যা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পবিত্র আল-কুদস শহরে এ ধরনের পাতাকা মিছিল বা প্যারেড নতুন সংঘাত শুরু হতে পারে। এই হুমকির পরেই ইসরায়েলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ পতাকা মিছিল করার অনুমতি স্থগিত করার  কথা জানান। সূত্র: পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

তাইওয়ান ও চীনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২০ আগষ্ট, ২০২২, ০৯:৪৩
তাইওয়ান ও চীনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা

ফাইল ছবি

তাইওয়ান ও চীনের মধ্যে আবার উত্তেজনা বেড়েছে। দ্বীপটি ঘিরে আবার বড় ধরনের সামরিক কার্যক্রম চালানো শুরু করেছে বেইজিং। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, আজ শনিবার ১৭টি চীনা যুদ্ধবিমান ও ৫টি যুদ্ধজাহাজ তাইওয়ান ঘিরে চক্কর দিতে দেখা গেছে। এর মধ্যে চারটি যুদ্ধবিমান তাইওয়ান প্রণালিতে তাইওয়ান ও চীনের অলিখিত সীমা বা মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে বলে দাবি করেছে তাইপে।

তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের পর্যবেক্ষণে বেইজিংয়ের নতুন সামরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি ধরা পড়েছে। তাইওয়ান নিউজের বরাতে বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার বিকেল পাঁচটা থেকে চীনের সামরিক কর্মকাণ্ড দেখতে পাওয়া যায়।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এয়ার ফোর্সের ১৭টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে ৮টি সীমানা অতিক্রম করে। এগুলোর মধ্যে ছিল চারটি শিআন জেএইচ–৭ ফাইটার বোম্বার, দুটি সুখোই এসইউ–৩০ ফাইটার ও দুটি সেনইয়াং জে–১১ জেট বিমান। এগুলোর মধ্যে জেএইচ–৭–এ এসইউ–৩০ যুদ্ধবিমানগুলো উত্তর প্রান্ত ও জে–১১ ফাইটার বিমানগুলো দক্ষিণ প্রান্ত দিয়ে সীমানা অতিক্রম করে।

তাইওয়ানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, চীনের সামরিক কর্মকাণ্ডের মুখে তারা নজরদারি ও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে কমব্যাট এয়ার প্যাট্রোলস (সিএপি), নৌবাহিনীর জাহাজ ও প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সক্রিয় করার ব্যবস্থা নেয়।

চীনের কড়া হুঁশিয়ারির পরও এ মাসের শুরুতে তাইওয়ান সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। তাঁর ওই সফর ঘিরে তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর গত রোববার মার্কিন কংগ্রেসের আরেকটি প্রতিনিধিদল তাইওয়ানে গেলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। চীনের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বলা হয়, তাদের যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের দোরগোড়ায় রয়েছে। তাইওয়ানের কাছাকাছি পেংহু দ্বীপের ভিডিও প্রকাশ করে পিএলএ।

তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড মনে করে বেইজিং। কিন্তু তাইওয়ানের মানুষ নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই দেখেন। এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রয়োজন হলে সামরিক শক্তি খাটানোর হুমকিও দিয়ে আসছে বেইজিং। চীন বলে আসছিল, ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফরে গেলে এর পরিণাম হবে ভয়াবহ। কিন্তু বেইজিংয়ের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে পেলোসি তাইওয়ান যান। তাঁর এই সফর কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনায় তাইওয়ান প্রণালিতে ব্যাপক সামরিক মহড়া চালায় চীন। মোতায়েন করা হয় যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র। ১৯৯৬ সালের পর এটাই ছিল চীনের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া। পেলোসি ও তাঁর পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছে চীন। অবশ্য তাইওয়ানের দাবি, সামরিক মহড়া শুরুর পেছনে পেলোসির সফরকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে চীন।

এর মধ্যেই আবার মার্কিন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল তাইওয়ান সফর করে। এতে আরও বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করে বেইজিং। তাদের সফর ঘিরে সোমবার সেখানে আবারও সামরিক মহড়া চালায় বেইজিং। চীনের সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র শি ই বলেন, তাইওয়ান প্রণালিজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান। রাজনৈতিক কূটকৌশলও খাটাচ্ছে তারা। এই সামরিক মহড়া তারই একটি জবাব। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েবিন বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রয়োজন হলে চীন শক্ত পদক্ষেপ নেবে।

বেইজিংয়ের এমন হুমকির মুখে অবশ্য শক্ত অবস্থানে রয়েছে তাইপেও। তাইওয়ান এয়ার ফোর্সের ভাইস চিফ অব স্টাফ তুং পেই-লুন অবশ্য তাইওয়ান প্রণালিতে পেংহুর কাছে চীনের মহড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, বেইজিং কথার লড়াই চালাচ্ছে।

এদিকে তাইওয়ান প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আগামী সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের জবাব দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এ পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

গত বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, স্থিতাবস্থাকে ক্ষুণ্ন করার জন্য বেইজিংয়ের চলমান প্রচেষ্টার মুখে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রজুড়ে এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহ এবং মাসগুলোতে তা প্রকাশ পাবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে এ চ্যালেঞ্জকে দীর্ঘমেয়াদি বলে মনে করছে। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মক্কা-মদিনায় ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০২:১১
মক্কা-মদিনায় ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

ফাইল ছবি

 
সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতারের পর এবার সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে এ দুই শহরে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ বছর এপ্রিল মাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন আবহাওয়া বিপর্যয়। বিরল বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছে একের পর এক মরুর দেশ।

সৌদি ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি (এনসিএম) এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলে বিশেষ করে মক্কা ও মদিনায় ৫০ থেকে ৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

এই বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম সৌদি আরবের বাহা, আসির ও জিজান এবং উত্তর-পশ্চিমের তাবুকসহ অন্যান্য সৌদি অঞ্চলেও বিস্তৃত হতে পারে।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে উত্তর রিয়াদ ও পূর্ব প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার তালিকাভুক্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের এই সময়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

এনসিএমের মুখপাত্র হুসেইন আল কাহতানি সম্প্রতি বলেছেন, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের মুনিফা শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এক ঘণ্টায় ৪২ মিলিমিটার ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে আরও বৃষ্টিপাত এপ্রিলের শেষ অবধি অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়ার ওঠানামার কারণে জনগণকে সতর্কতা অবলম্বন এবং এনসিএমের নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গত সপ্তাহে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে কর্তৃপক্ষ সশরীরে ক্লাস স্থগিত করে। প্রদেশের শহরগুলোতে মাঝারি থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি প্রবল বাতাস, দুর্বল দৃশ্যমানতা, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত ও বন্যা দেখা দিয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক