a
ফাইল ছবি
পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহরে বিতর্কিত প্যারেড অনুষ্ঠান বাতিল করেছে ইসরায়েলের উগ্র-ডানপন্থি গোষ্ঠী। মূলত ফিলিস্তিনির ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হুমকির মুখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইহুদিবাদী দেশটি।
জানা গেছে, উগ্র ডানপন্থিরা আগামী বৃহস্পতিবার কথিত পাতাকা মিছিল বের করার পরিকল্পনা করেছিল। গতকাল সোমবার ইসরায়েলি পুলিশ হামাসের হামলার ভয়ে তা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।
এর আগে, হামাসের অন্যতম শীর্ষ নেতা খলিল হাইয়্যা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পবিত্র আল-কুদস শহরে এ ধরনের পাতাকা মিছিল বা প্যারেড নতুন সংঘাত শুরু হতে পারে। এই হুমকির পরেই ইসরায়েলের যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ পতাকা মিছিল করার অনুমতি স্থগিত করার কথা জানান। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
আবারও ভারতে দ্রুত বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। শনিবার (২৪ ঘণ্টায়) দেশটিতে ৬২ হাজার ৬৩১ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হন, যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এদিন করোনায় মৃত্যুবরণ করেন ৩১১ জন।
আজ রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৬২৪ জন। আর এ ভাইরাসে মারা গেছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৮৬ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৭৬২ জন
ফাইল ছবি
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দুটি জায়গা থেকে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এর একটি বাজার এবং অন্যটি গণপরিবহন। সংস্থাটির ভাষ্যমতে, দেশে এখন পর্যন্ত যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের বড় অংশই হয় বাজারে গেছেন, নয়তো গণপরিবহন ব্যবহার করেছেন।
৫ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট হাজার করোনা রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর জানিয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের ৬১ শতাংশের বাজারে যাওয়া এবং গণপরিবহন ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে। এছাড়া সংক্রমিত হওয়া ৩০ শতাংশের বেশি মানুষ জনসমাগমস্থল (সভা–সেমিনার) এবং উপাসনালয়ে গিয়েছিলেন।
ওই সাড়ে আট হাজার রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাঁদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে গিয়েছিলেন ২৬ শতাংশ, করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন ২২ শতাংশ। এ ছাড়া আন্ত:বিভাগ ভ্রমণ করেছিলেন ১৩ শতাংশ, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ১২ শতাংশ।
আইইডিসিআর জানিয়েছে, সংক্রমণ রোধে মাস্কপরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। সাথে নিতে হবে টিকা। গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে। বাজার খোলা জায়গায় নিয়ে আসার নির্দেশনা আছে, এটিও নিশ্চিত করতে হবে। কোথাও বদ্ধ জায়গায় বাজার হলে সেখানে যাতে জনসমাগম বেড়ে না যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে। সূত্র:ইত্তেফাক