a
ফাইল ছবি
ইয়েমেনের মারিব শহরে দেশটির সরকার-সমর্থিত বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে হুতি বিদ্রোহীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশটির এক সামরিক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ খবর জানায়।
গত ৪৮ ঘণ্টায় সংঘর্ষে সরকার-সমর্থিত বাহিনীর ২২ সদস্য নিহত হন। আহত হন আরও ৫০ জন। অন্যদিকে হুতি বিদ্রোহীদের ৪৩ জন সদস্য নিহত হয়েছে।
গত রবিবার ইয়েমেনের আল-আনাদ সামরিক ঘাঁটিতে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অন্তত ৩০ সেনা নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়।
ফাইল ছবি
ইরানে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত সালাহ আল জাওয়ায়ি বলেছেন, এবারের গাজা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে।
আজ শনিবার) 'খনেয়ে মিল্লাত' সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বলেন, ইমাম খোমেনী (রহ.) ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পরিপূর্ণ ধ্বংসে বিশ্বাস করেছিলেন। ইসরায়েলের সাথে ফিলিস্তিনিদের ১২ দিনের যুদ্ধ ইসরায়েলের ধ্বংসের সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করবে।
সালাহ আল জাওয়ায়ি বলেন, মুসলিম দেশগুলোকে ফিলিস্তিনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিতে হবে। এসব দেশের সমর্থন ছাড়া প্রতিরোধ সংগ্রাম সহজে বিজয়ী হবে না।
ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কোনো মুসলিম দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের সব মুসলিম দেশের উচিত ফিলিস্তিনিকে পূর্ণ সমর্থন প্রদান করা।
গত ১০ মে গাজা উপত্যকার উপর ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু হয় এবং তা ২১ মে পর্যন্ত চলে। এ আগ্রাসনে ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হন এবং আহত হন প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েলি আগ্রাসনের মোকাবিলায় দখলীকৃত ভূখণ্ডে চার হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ২১ মে মিশরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয় ইসরায়েল। এ যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম বিজয় হিসেবে গন্য করা হয়।
ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে উত্তর কোরিয়ার একটি তেলবাহী জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় উত্তর কোরিয়ার জাহাজ আটকের কথা ঘোষণা করে।
এদিকে মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজটি সিঙ্গাপুরের মালিকানাধীন এবং এটি তেলজাতীয় পণ্য নিয়ে উত্তর কোরিয়ায় যাচ্ছিল। উত্তর কোরিয়ার নামপো বন্দরে এই তেল খালাস করার কথা ছিল।
মার্কিন বিচার মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ২০২০ সালের মার্চ মাসে মার্কিন সরকারের নির্দেশ অনুসারে কম্বোডিয়া কর্তৃপক্ষ জাহাজটি আটক করে এবং এতদিন ধরে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল। গতকাল থেকে এ বিষয়ে মার্কিন ফেডারেল আদালতে বিচার শুরু হয়েছে এবং তখনই বিষয়টি জনসমক্ষে এনেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দেশের সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের যুদ্ধ-প্রস্তুতি জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী মাসে দক্ষিণ কোরিয়া এবং আমেরিকা যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করবে। তার আগে কিম জং উন নিজের দেশের সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিলেন। তবে এই নির্দেশের সঙ্গে জাহাজ আটকের ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কিনা তা পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে না।
উত্তর কোরিয়া পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে যার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যবহার করে দেশটি উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।