a
ফাইল ছবি
লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ২ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে আক্রান্তের হিসেবে এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ।
এ বছর ৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বুধবার নতুন রের্কড গড়ল ভারত।
দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও দেশটিতে বুধবার তৈরি হল নতুন রের্কড। দেশে এই প্রথম একদিনে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের।
করোনা ভাইরাসের এই মহামারীতে দেশে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন। সূত্র: আনন্দবাজার
ফাইল ছবি
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেনে পূর্ণ হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে রাশিয়া- এমন দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।
তিনি বলেছেন, “রাশিয়া বর্তমানে প্রস্তুতির সর্বোচ্চ চূড়ায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রুশ সেনারা ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে।” যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুর মিলিয়ে মরিসন বলেন,“রাশিয়া কার্যত ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে দিয়েছে।”
এ সময় তিনি রাশিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে দেশটির ‘বিনা উসকানিমূলক’ পদক্ষেপকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন। ইতিপূর্বে, সোমবার পূর্ব ইউক্রেনের দুটি অঞ্চলকে রাশিয়া স্বাধীন বলে স্বীকৃতি দিয়ে সেখানে রুশ সেনাদের প্রবেশের অনুমতি দেয়।
এরই মধ্যে এ ঘটনায় আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, যুক্তরাজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, পাশাপাশি জাপানও নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সিম কাস্টেন, টম ম্যালিনভস্কি এবং সুসান ওয়াইল্ড মিলে এ বিলটি উত্থাপন করেছেন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সৌদি আরব থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা বলেছেন।
এই তিন আইন প্রনেতা বলেন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি পুতিনকে সাহায্য করে তা হলে তার কাছেই তাদের নিরাপত্তা চাওয়া উচিত। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।
তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক প্লাস গত বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিদিন উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ওপেক প্লাসের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল আমেরিকা কিন্তু সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশগুলো আমেরিকার চাপ উপেক্ষা করে তেলের উৎপাদন কমানোর পক্ষে মত দিয়েছে।
এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র দেশ দুটিকে শাস্তি দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা বলছেন, পারস্য উপসাগরীয় রাজতান্ত্রিক দেশ দুটি ধীরে ধীরে রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং সেনা প্রত্যাহার করে দেশ দুটিকে শাস্তি দিতে চান মার্কিন আইনপ্রণেতারা।
তারা বলছেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সফর সত্ত্বেও সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত মারাত্মকভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র: যুগান্তর