a কুর্দিদের সিরিয়ার আফ্রিনে গণহত্যার কথা অস্বীকার
ঢাকা বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

কুর্দিদের সিরিয়ার আফ্রিনে গণহত্যার কথা অস্বীকার


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১, ১১:৪৫
কুর্দিদের সিরিয়ার আফ্রিনে গণহত্যার কথা অস্বীকার

সংগৃহীত ছবি

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ আফ্রিনে শুক্রবার পর্যন্ত ৬৮টি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।

সিরিয়ার ওই এলাকাটি ওয়াইপিজি নামে কুুর্দি যুদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে, এখানে গণহত্যার কথা অস্বীকার করেছে কুর্দিরা। খবর আরব নিউজের।

এদিকে, ২০১৮ সাল থেকে আফ্রিনে সিরীয় সরকারের পাশাপাশি 'অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ' নামে কুর্দিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে তুরস্ক।

তুরস্ক বৃহস্পতিবার জানায়, আফ্রিনে যেসব গণকবর পাওয়া যাচ্ছে এ জন্য ওয়াইপিজির (কুর্দি) সন্ত্রাসীরাই দায়ী।

আফ্রিনের পাশে অবস্থিত তুরস্কের হাতায় প্রদেশের গভর্নর রাহমি দোগান বলেছেন, সেখানে তুর্কি ও সিরীয় সেনারা অভিযান চালানোর আগে কুর্দি সন্ত্রাসীরা ওই গণহত্যা চালিয়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোতে আফ্রিনের গণকবরের ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রণতরী এজিয়ান দ্বীপগুলোতে পাঠাল গ্রিস


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৯:৫৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রণতরী এজিয়ান দ্বীপগুলোতে পাঠাল গ্রিস

ফাইল ছবি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রণতরী নিরস্ত্রীকৃত এজিয়ান দ্বীপগুলোতে মোতায়েন করেছে গ্রিস, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে লেসবোস ও সামোস অঞ্চলে এসব রণতরী পাঠানো হয়েছে।আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে গ্রিসের এই কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা সূত্রের তথ্যমতে, তুর্কি আর্ম ফোর্স (টিএসকে) ড্রোন মিশন পরিচালনা করছে এবং এজিয়ানে দুটি গ্রিক রণতরী চিহ্নিত করেছে। যেগুলো লেসবোস ও সামোস অঞ্চলের দিকে যাচ্ছে।

সূত্রে জানানো হয়, লেসবোসের দিকে যাওয়া রণতরীটি ২৩ ট্রাক্টিকাল অস্ত্রে সজ্জিত এবং সামোসের দিকে অগ্রসারমান রণতরীটি ১৮ ট্রাট্ক্যিাল অস্ত্রে সজ্জিত। এসব রণতরী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলেক্সজান্দ্রপলি বন্দরের দিকে পাঠানো হয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, এইসব কর্মকাণ্ডগুলো ১৮ থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে গ্রিস তার প্রতিবেশী দেশ তুরস্কের কাছাকাছি দ্বীপাঞ্চলে রণতরী মোতায়েন করে আইন লঙ্ঘন করছে।

সূত্রের তথ্যানুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে অস্ত্রগুলো দ্বীপটিতে পাঠানো হয়েছে। ন্যাটোভুক্ত দেশটির এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে তুরস্ক, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর এমন আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে অবন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ‘কখনো গ্রহণযোগ্য’ হবে না। সূত্র : ডেইলি সাবাহ

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ ঢাকার বাতাস ‘ঝুঁকিপূর্ণ’


আবহাওয়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৪, ১০:৩৭
আজ ঢাকার বাতাস ঝুঁকিপূর্ণ

ছবি সংগৃহীত

বায়ুদূষণে বিশ্বের ১১০ শহরের তালিকায় আজ প্রথম স্থানে রয়েছে ঢাকা। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-একিউআই) ঢাকার স্কোর ছিল ৪৮৯। এ স্কোরকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঘানার শহর আকরা এই শহরের স্কোর ৩৩০। তালিকার ১৮৮ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের শহর মুম্বাই।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার দূষিত বাতাসের শহরের এ তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই স্কোর একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানায়।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

ঢাকায় বায়ু দূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণের ফলে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকি। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক