a
সংগৃহীত ছবি
সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ আফ্রিনে শুক্রবার পর্যন্ত ৬৮টি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
সিরিয়ার ওই এলাকাটি ওয়াইপিজি নামে কুুর্দি যুদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে, এখানে গণহত্যার কথা অস্বীকার করেছে কুর্দিরা। খবর আরব নিউজের।
এদিকে, ২০১৮ সাল থেকে আফ্রিনে সিরীয় সরকারের পাশাপাশি 'অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ' নামে কুর্দিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে তুরস্ক।
তুরস্ক বৃহস্পতিবার জানায়, আফ্রিনে যেসব গণকবর পাওয়া যাচ্ছে এ জন্য ওয়াইপিজির (কুর্দি) সন্ত্রাসীরাই দায়ী।
আফ্রিনের পাশে অবস্থিত তুরস্কের হাতায় প্রদেশের গভর্নর রাহমি দোগান বলেছেন, সেখানে তুর্কি ও সিরীয় সেনারা অভিযান চালানোর আগে কুর্দি সন্ত্রাসীরা ওই গণহত্যা চালিয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোতে আফ্রিনের গণকবরের ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়।
ফাইল ছবি: প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারোর
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারোর উপর ক্ষোভে পদত্যাগ করেছেন দেশটির সেনা, নৌ এবং বিমানবাহিনীর প্রধানরা। এছাড়াও প্রতিরক্ষা প্রধানরা প্রেসিডেন্ট বলসোনারো সামরিক বাহিনীর উপর অযৌক্তিক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করার জন্য যে প্রচেষ্টা দেখছেন তার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা যায়।
এদিকে, সোমবার মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল আনতে বাধ্য হন বোলসোনারো। তার পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করায় আকস্মিক এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি।
করোনা মহামারির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারায় জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন বোলসোনারো। তার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ক্ষোভ এবং হতাশা তৈরি হয়েছে।
গত, দুই বছর আগে দায়িত্ব গ্রহণ করা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের দাবি, করোনা মোকাবেলায় লকডাউন জারি করলে তা অর্থনীতিতে ধস নামবে। তিনি মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এমনকি কোয়ারেন্টাইনেরও পক্ষে নন।
এখন পর্যন্ত ব্রাজিলে প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার মানুষ মারা গেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৮। বিশ্বে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তালিকায় ব্রাজিলের অবস্থান দ্বিতীয় অবস্থানে।
ফাইল ছবি
বারবার চেষ্টার পরেও আবার ব্যর্থ হলো ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, ইসরোর মহাকাশ অভিযান। গত বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৪৩ মিনিটে ভারতের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ন স্পেস সেন্টার থেকে ইওএস-০৩ নামের স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ব্যর্থ হলো ভারতের স্যাটেলাইট যাত্রা। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এমনটি হয়েছে। ইসরোর চেয়ারম্যান কে সিভান জানিয়েছেন, ক্রায়োজেনিক স্তরে ত্রুটি ছিল। যার ফলে উপগ্রহটিকে কক্ষপথে বসানো যায়নি। খুব শীঘ্রই আবারো এ উপগ্রহ পাঠানোর চেষ্টা করা হবে।
জিএসএলভি-এফ-১০ রকেটে করে জিও ইমেজিং স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হয়। পৃথিবীর বুকে বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস পেতে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ধরনের স্যাটেলাইট রিয়েল টাইম মনিটরিং করতে সক্ষম।
ইসরো জানায়, উৎক্ষেপণের পর প্রথম দুটি পর্যায় ঠিকঠাকই ছিল। চারটি স্ট্র্যাপ অন বুস্টারও কাজ করছিল। কিন্তু, সমস্যা দেখা দেয় তারপর। উৎক্ষেপণের ৪ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড পর দ্বিতীয় স্টেজটি আলাদা হয়ে যায়। তার এক সেকেন্ড পরেই তৃতীয় স্টেজ অর্থাৎ, ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন চালু হয়। এটিই মহাকাশে উৎক্ষেপণকারী যানের শেষ ধাপ।
অত্যন্ত জটিল এই ইঞ্জিনটি ঠিকমতো কাজ করেনি। ফলে, রকেটটি গতি ও উচ্চতা হারিয়ে ক্রমে পূর্ব নির্ধারিত পথ থেকে সরতে শুরু করে। কয়েক মিনিটের নীরবতার পর ব্যর্থতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয় ইসরো। এরপরই কন্ট্রোল রুম থেকে ‘কিল সুইচ’ ব্যবহার করে মাঝ আকাশেই রকেটটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় হতাশ ইসরোর সাবেক চেয়ারম্যান জি মাধবন নায়ার বলেছেন, এই নিয়ে দুটি ক্ষেত্রে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে মিশন ব্যর্থ হল।কিন্তু আমরা আমাদের লক্ষে না পৌছানো পর্যন্ত চেস্টা চালিয়ে যাবো।