a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি তুরস্ককে দ্বিমুখী হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। খবর আল জাজিরা।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তুরস্ক একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেনে দ্বন্দ্ব বন্ধ করতে মধ্যস্থ্যতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। আবার অন্যদিকে তারা তাদের দেশে রাশিয়ার পর্যটকদের দুই হাত উজাড় করে স্বাগত জানাচ্ছে।
গ্রিসের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ইআরটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি এ ব্যাপারে বলেন, একদিক দিয়ে তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে এবং ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সহায়তা করছে।
কিন্তু অনদিক দিয়ে আমরা দেখছি, বিশেষ করে রাশিয়ান পর্যটকদের জন্য ভালো ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আর এমন কথা বলেই তুরস্ককে সরাসরি দ্বিমুখী বলে অভিহিত করে জেলেনস্কি বলেন, এগুলি দ্বিমুখী কাজ, যা ঠিক নয়। সূত্র: আল জাজিরা
ফাইল ছবি
পাকিস্তান এখন আর যুদ্ধবিমান ক্রয় করছে না; বরং বিক্রির দিকেই ঝুঁকছে। ইসলামাবাদ থেকে ১২টি জেএফ-১৭ থান্ডার জঙ্গিবিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে আর্জেন্টিনা।
পাকিস্তানের কাছ থেকে এসব জঙ্গিবিমান কেনার জন্য আর্জেন্টিনা ২০২২ সালের খসড়া বাজেটে ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। খবর দ্য ডনের।
জেএফ-১৭ থান্ডার বিমান চীন ও পাকিস্তানের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি এক ইঞ্জিনের মাল্টি রোল যুদ্ধবিমান।
ইতিমধ্যে এ বাজেট দেশটির জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়নি, তবে দেশটি পাকিস্তান থেকে জঙ্গিবিমান কিনতে চায়— সেটি পরিষ্কার।
গত কয়েক বছর ধরে আর্জেন্টিনা বেশ কয়েকটি দেশের কাছ থেকে জঙ্গিবিমান কেনার চেষ্টা করে আসছিল, কিন্তু অর্থের ঘাটতি এবং ব্রিটেনের আপত্তির কারণে তা সম্ভব হয়ে উঠেনি।
সর্বশেষ গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে জঙ্গিবিমান কেনার প্রচেষ্টাও আটকে দিয়েছিল ব্রিটেন। আর্জেন্টিনার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিটিশ এ পদক্ষেপকে ‘সাম্রাজ্যবাদী অহংকার’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল গ্রামের বাউয়ালাবন্দে নয়নাভিরাম সূর্যমুখী ফুল চাষ কৃষিতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। নতুন মাত্রা কৃষকদের সূর্যমুখী ফুল চাষে আগ্রহী করছে ও ভবিষ্যতে অপার সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে। কৃষিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ হবে লাভজনক। এই সূর্যমুখী ফুল দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভীড় জমাচ্ছে সিংগারবিল বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবুল এলাহীর বাউয়ালাবন্দের প্রায় সাত বিঘা জমিতে।
এ অঞ্চলের মাটির গুনাগুন আবহাওয়া ও জলবায়ু সূর্যমুখী ফুল চাষাবাদের জন্য উপযোগী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষিবিদ। সূর্যমুখীর তেল অন্যান্য সাধারন তেলের চেয়ে আলাদা। কোলোষ্ঠোরেলমুক্ত প্রচুর পরিমাণ প্রাণ শক্তি থাকায় সূর্যমুখী তেল মানুষের শরীরের দূর্বলতা ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়। রান্নার জন্য সয়াবিন তেলের চেয়ে সূর্যমুখী তেল দশ গুণ বেশি পুষ্টি সমৃদ্ব হওয়ায় শরীরের হাড় সুস্থ ও মজবুত করে। সূর্যমুখী তেলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আমাদের মানুষিক চাপ দূর করে। এই তেল মানব দেহের মহৌষধ হিসেবে কাজ করে বলে সূত্রে জানা যায়।
সূর্যমুখী ফুলবীজ বপনের ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যে এই ফসল তোলা যায়। হাইসান ৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে বাবুল এলাহীর ৭ বিঘা জমিতে। তিনি জানান ফুল ফোটার পর অনেক দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে এই হলুদের সমারোহ নয়নাভিরাম সৌর্ন্দয্য দেখার জন্য। বিজয়নগর কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় ও তাদের সহযোগিতায় এই প্রথম আমি সূর্যমুখী ফুল চাস করলাম। এতে আমার তেমন কোন খরচ নেই বললেই চলে। কৃষি অফিস বীজ সার ও অন্যান্য খরচ বহন করেছে। আমি আশা করছি অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী ফুল চাষ লাভজনক হবে।কিন্তু বর্তমানে টিয়াপাখি ফুলের বীজ নষ্ট করছে।
এ ব্যাপারে সিংগারবিল ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা হাদিউল ইসলাম সৃজনের সাথে কথা বলে জানা যায় বাবুল এলাহীকে কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগীতা করা হয়। আগামীতে আমরা আরও বেশি কৃষক সমন্নয় করে সূর্যমুখী ফুলের চাষ বাড়াতে চাই। কিন্তু এই সূর্যমুখী ফুল বীজ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তেল ভাঙানোর তেমন মিলার নাই। সরিষার তেল ভাঙানোর মেশিন দিয়েই আপাতত তেল ভাঙানো হচ্ছে।