a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি তুরস্ককে দ্বিমুখী হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। খবর আল জাজিরা।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তুরস্ক একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেনে দ্বন্দ্ব বন্ধ করতে মধ্যস্থ্যতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। আবার অন্যদিকে তারা তাদের দেশে রাশিয়ার পর্যটকদের দুই হাত উজাড় করে স্বাগত জানাচ্ছে।
গ্রিসের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ইআরটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি এ ব্যাপারে বলেন, একদিক দিয়ে তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে এবং ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সহায়তা করছে।
কিন্তু অনদিক দিয়ে আমরা দেখছি, বিশেষ করে রাশিয়ান পর্যটকদের জন্য ভালো ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আর এমন কথা বলেই তুরস্ককে সরাসরি দ্বিমুখী বলে অভিহিত করে জেলেনস্কি বলেন, এগুলি দ্বিমুখী কাজ, যা ঠিক নয়। সূত্র: আল জাজিরা
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে ভূমি দখল করে নিজেদের বসত বাড়ি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর দমনপীড়ন চালিয়ে আসছে ইসরাইল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি রাষ্ট্রটির একের পর এক অপকর্মে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, মধ্যপ্রাচ্য যেভাবে দিন দিন উত্তপ্ত হচ্ছে, তাতে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত লেগে যেতে পারে।
এই প্রেক্ষিতে নতুন করে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, মুসলিম রাষ্ট্র বাহরাইনের কাছ থেকে একটি দ্বীপ কিনে নিয়েছে ইসরাইল। তাদের নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুসলমানদের প্রতিশোধ দানা বাধলে বা যে কোনো কারণে যুদ্ধ বেধে গেলে, তবে দ্বীপটিতে সরিয়ে নেওয়া হবে ইসরাইলিদের।
২০২০ সালে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে বাহরাইন। একারণে দেশটিতে ব্যাপক প্রতিবাদ হয়েছে। এখনও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে নতুন এই খবর বেরিয়েছে।
মিডেল ইস্ট মনিটর আল-মায়াদিন টেলিভিশনের বরাত দিয়ে সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ইসরায়েলের টিভি৭ প্রথম খবরটি প্রচার করলেও পরে তা সরিয়ে নেয়। কিন্তু সরানোর আগেই বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এর স্ক্রিনশট নিতে সক্ষম হন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি ফার্ম হিমনোটা ২১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে দ্বীপটি কিনেছে। ফার্মটি চালায় ইহুদি জাতীয় তহবিল বা জেএনএফ। কথিত দাতব্য সংস্থাটির কাজ হলো ফিলিস্তিনি ভূমি দখল এবং ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধের পক্ষে সাফাই গাওয়া ও প্রচার প্রসারে কাজ করে যাওয়া।
খবরে বলা হয়েছে, ৯ হাজার ৫৫৪ বর্গ মিটারের দ্বীপটি বিনিয়োগ প্রকল্পের জন্য ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি কোনো কারণে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে ইসরায়েলিদের সেখানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
কোম্পানির পরিচালনা পরিষদে থাকা অ্যাভেরি শ্নেয়ার বলেছেন, দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তরের জন্য বন্ধু দেশ বাহরাইন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
এ খবর সামনে আসার পর বাহরাইন সরকারের বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা চলছে। মানবাধিকারকর্মী মরিয়ম আল খাজা দ্বীপ কেনার ঘটনাকে ঔপনিবেশিক শাসনের সম্প্রসারণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে টুইটারে দেওয়া পোস্টে দেশটির সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি।
বাহরাইনের সাবেক আইনপ্রণেতা এবং সালম ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের প্রধান জাওয়াদ ফাইরুজ দ্বীপ বিক্রির ঘটনাকে খুবই বিপজ্জনক এবং উদ্বেগজনক সংকেত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
শিল্পোন্নত ৭ জাতি গোষ্ঠীর সংগঠন জি-সেভেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে আগ্রাসী এবং ভিত্তিহীন সমালোচনার মাধ্যমে বিপজ্জনক খেলা খেলায় মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রিটেনে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিন।
কেলিন বলেন, জি-সেভেনের এই অপতৎপরতার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়ে যাবে। ফলে দু’টি দেশ ঐক্যবদ্ধভাবে পশ্চিমাদের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।
ব্রিটেনে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। জি-সেভেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা চীন ও রাশিয়াকে কঠোর সমালোচনা করেছেন চলতি মাসের গোড়ার দিকে।
ইউক্রেন এবং চীনা তাইপের বিষয়ে মস্কো এবং বেইজিংকে তারা বলদর্পী ও বিদ্বেষী শক্তি হিসেবে কটাক্ষ করে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, জি-সেভেন তাদের দীর্ঘ ঘোষণাপত্রে পক্ষপাতপূর্ণ, সাংঘর্ষিক ও সারবত্তাহীন বক্তব্য প্রদান করেছে। এতে করে চীন ও রাশিয়ার জনগণের মধ্যে পশ্চিমা-বিরোধী ধ্যান-ধারণার উদ্বুদ্ধ করছে।