a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি তুরস্ককে দ্বিমুখী হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। খবর আল জাজিরা।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তুরস্ক একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেনে দ্বন্দ্ব বন্ধ করতে মধ্যস্থ্যতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। আবার অন্যদিকে তারা তাদের দেশে রাশিয়ার পর্যটকদের দুই হাত উজাড় করে স্বাগত জানাচ্ছে।
গ্রিসের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ইআরটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি এ ব্যাপারে বলেন, একদিক দিয়ে তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে এবং ইউক্রেনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সহায়তা করছে।
কিন্তু অনদিক দিয়ে আমরা দেখছি, বিশেষ করে রাশিয়ান পর্যটকদের জন্য ভালো ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আর এমন কথা বলেই তুরস্ককে সরাসরি দ্বিমুখী বলে অভিহিত করে জেলেনস্কি বলেন, এগুলি দ্বিমুখী কাজ, যা ঠিক নয়। সূত্র: আল জাজিরা
ফাইল ছবি
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের হুমকি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য বেড়েছে। ইরানের পরমাণু স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর জন্য ইহুদিবাদী ইসরায়েল বাজেট তৈরি করছে বলে তাদের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করেছে।
ইসরায়েলি এ হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি বলেছেন, 'ইরানের বিরুদ্ধে নাশকতা চালানোর জন্য দেড়শ’ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার পরিবর্তে ইসরায়েলের উচিত ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ক্ষতি কাটিয়ে নিজের পুনর্গঠনের জন্য হাজার হাজার কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়া।'
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গত এক দশকে ইরানের বিরুদ্ধে বহুবার হুমকি দিয়েছেন। যদিও তারা জানে যে ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই এবং কোনো হুমকিই তারা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তারপরও যদি তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামান্যতম আগ্রাসনের দুঃসাহস দেখায় তাহলে কঠিন জবাব পাবে যার ফলে ইসরাইল নামক দেশটি ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে। আর এটা উপলব্ধি করেই ইসরাইল একের পর এক হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ইরানকে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের নতুন কর্মকৌশল তুলে ধরেন। অনেক বড় পরিসরে যুদ্ধে জড়াবার পরিবর্তে ছোট পরিসরে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা জানান বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি তেহরানের ওপর প্রচণ্ড কূটনৈতিক চাপও বৃদ্ধির কথা বলেন।
প্রকৃতপক্ষে, পশ্চিম এশিয়ায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠেছে এবং তারা যেভাবে ইসরাইলকে পাল্টা জবাব দিচ্ছে তাতে ইসরাইল চিন্তিত না হয়ে পারে না।
বলা বাহুল্য, প্রতিরোধ শক্তির কারণে এ অঞ্চলের রাজনৈতিক হিসাব নিকাশ পাল্টে গেছে এবং কিছুই ইসরায়েলের অনুকূলে নেই।
তাই ইসরায়েলের যে কোনো আগ্রাসন এখন আর বিনা জবাবে পার পাবে না। তাই ইরানকে হুমকি দিয়ে তাদের কোনো লাভ হবে না বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
আট দিনের জন্য আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় যে, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।
১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন চলবে। লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া, সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট)। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে শিল্প কলকারখানা।
আরো পড়ুন: হোটেল-রেস্তোরাঁ ১৩ ঘণ্টা, নিত্যপণ্যের দোকান ৬ ঘণ্টা খোলা
এর আগে, সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার।জুমা ও ওয়াক্তের নামাজসহ আসন্ন রমজানে তারাবি নামাজ আদায়ে এ পরিস্থিতিতে বিশেষ সতর্কতা ও নির্দেশনা জারি করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশের সব মসজিদে জুমা ও ওয়াক্তের নামাজ এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আগে ও পরে গণজমায়েতের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
আরো পড়ুন: সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
নির্দেশনায় আরও বলা হয় যে, জুমা ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ এবং প্রার্থনার আগে ও পরে মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোনো প্রকার সভা ও সমাবেশ করা যাবে না। মসজিদে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে তারাবিসহ অন্যান্য নামাজ আদায় করতে হবে এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রার্থনা করতে হবে। পরবর্তীতে বুধবার (৭ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২৯ মার্চ তারিখের প্রজ্ঞাপন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৪ এপ্রিলের নির্দেশনা মোতাবেক ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৫ এপ্রিল জারি করা সব নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে মেনে চলতে বলা হয়।