a
ফাইল ছবি: তালেবানের হাতে নিহত আফগানিস্তানের কৌতুক অভিনেতা খাসা জাওয়ান
আফগানিস্তানের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা খাসা জাওয়ানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে তালেবান মুখপাত্র। একই সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করে জড়িতদের বিচারের ঘোষণাও দিয়েছে তারা। বিখ্যাত কমেডিয়ান নজর মুহাম্মদকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই তারা স্বীকার করে।
ভিডিওতে দেখা যায়, নজর মুহাম্মদকে অস্ত্রের মুখে গাড়িতে তুলেছেন দুজন ব্যক্তি। গাড়িতে বসেও তিনি তালেবানদের নিয়ে কৌতুক করছিলেন। এ সময় পাশ থেকে বন্দুক হাতে এক ব্যক্তি তার গালে পরপর চড় মারেন।
তালেবানের মুখপাত্র জাহিবুল্লাহ মুজাহিদ গাড়িতে নজরের সাথে থাকা ওই দুই ব্যক্তিকে তালেবানের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
গত সপ্তাহে বিখ্যাত কমেডিয়ান নজর মুহাম্মদকে কান্দাহারের নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের পেছনে তালেবানের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছিল তার পরিবার।
তবে তালেবান সে সময় এ অভিযোগ অস্বীকার করেছিল বলে স্থানীয় গণমাধ্যম তোলো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কিন্তু নজর মুহাম্মদকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি স্বীকার করতে বাধ্য হয় তালেবান মুখপাত্র।
তালেবানের মুখপাত্র জানিয়েছেন, নজর মুহাম্মদকে ধরার সময় ভিডিওতে থাকা ওই দুই সদস্যকে তালেবানের নিজস্ব আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
ভিডিও লিংকঃ lkDeElgPfRw
ফাইল ফটো
পাকিস্তানের সংসদ থেকে চীনা ক্যামেরা উদ্ধার নিয়ে হৈ-চৈ শুরু হয়। পাকিস্তানের সংসদে তখন ভোট চলছিল। দেশটির সংসদের উপরের কক্ষে সিনেট চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে গত শুক্রবার (১১ মার্চ) সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল সংসদের অধিবেশন। এক্ষেত্রে ভোটের প্রক্রিয়া চলছিল গোপনীয়তা রক্ষা করে।
খবরে জানা যায়, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। হঠাৎ ভোট চলাকালে সিনেট হল থেকে উদ্ধার করা হয় চীনা গোপণ ক্যামেরা। হয়তোবা কোন চীনা স্পাই গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে মনিটরিং করে আসছিল বলে ধারণা করা হয়। ফলে ফের হট্টগোল শুরু হয়। ব্যাহত হয় ভোট প্রক্রিয়া।
সিনেটের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে গোপন ব্যালটে নির্বাচন চলছিল। সেখানে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে কে রেকর্ডিং করছিলেন তা জানা যায়নি। তবে পাকিস্তানের সংসদের মধ্যে চীনের স্পাই ক্যামেরা উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশে বর্তমানে করোনায় সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে ডেলটা ধরন পাওয়া গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএসএমএমইউতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ও জিনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের সুপারভাইজার শারফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের ৮ বিভাগ থেকে করোনার ৩০০ নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
উপাচার্য বলেন, ডেলটা অতি সংক্রামক ধরন। এ থেকে সুরক্ষা পেতে টিকা নিতে হবে। টিকার লাভ হলো, জটিলতা কম হয়। এতে মৃত্যুহার কমে যাবে। তবে সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরতে হবে।
গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ পুরুষ। ৯ মাস বয়স থেকে ৯০ বছর বয়সী রোগী গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে ৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী রোগীর সংখ্যা বেশি ছিল। গত ২৯ জুন থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে এই গবেষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, মোট সংক্রমণের প্রায় ৯৮ শতাংশ ডেলটা ভেরিয়েন্ট। আর ১ শতাংশ বিটা ভেরিয়েন্ট।
গবেষণার প্রথম ১৫ দিনে এই বিটা ভেরিয়েন্ট ছিল ৩ শতাংশ। এ ছাড়া এক করোনা রোগী পাওয়া গেছে, যিনি মরিসাস ভেরিয়েন্ট অথবা নাইজেরিয়ার ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে।
ভারতে শনাক্ত ভেরিয়েন্টটি ডেলটা ভেরিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত ভেরিয়েন্টটি বিটা ভেরিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত আলফা ভেরিয়েন্টে সংক্রমণের হার বেশি ছিল। মার্চ মাসের প্রতিবেদন অনুসারে, ওই সময় বিটা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণের হার বেশি ছিল।
করোনার এই জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার প্রধান গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যানাটমি বিভাগের চেয়ারম্যান ও জেনেটিকস অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির অধ্যাপক লায়লা আনজুমান বানু। সহযোগী গবেষক ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ও সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) এ কে এম মোসারফ হোসেন। এ ছাড়া ১৪ জন গবেষক এই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন। সূত্রঃ প্রথম আলো