a
সংগৃহীত ছবি
আফগানিস্তান থেকে তুরস্কের সামরিক বাহিনীও তাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে তুর্কি বিশেষজ্ঞরা কাবুল বিমানবন্দরের পরিচালনায় তালেবানকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে থেকে যেতে পারেন। বুধবার (২৫ আগস্ট) এ কথা জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্ধারিত সময়সীমার (৩১ আগস্ট) মধ্যে বিদেশি বাহিনী চলে যাওয়ার পর কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা করতে তুরস্কের কাছে প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে তালেবান।
ন্যাটো জোটের অধীনে কাবুলে থাকা তুর্কি সামরিক বাহিনীকেও আগস্টের শেষ তারিখের মধ্যে পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অসংখ্য যোগাযোগ এবং বর্তমান পরিস্থিতি ও অবস্থার মূল্যায়ন করার পর, তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর উপাদানগুলো সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।
তুর্কি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেন, সেনা প্রত্যাহারে ৩৬ ঘন্টা সময় লাগবে এবং প্রথম বিমানটি ইতিমধ্যে উড্ডয়ন করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দর পরিচালনায় তালেবান তুরস্কের কাছ থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছিল। সেই আলোচনা সম্ভবত ইতিবাচক ফলাফলে পৌঁছাবে। সৈন্য প্রত্যাহারের পর, আমরা সেখানে বিমানবন্দর পরিচালনা করতে পারি।
অবশ্য মাসখানেক ধরে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার বলে আসছে যে, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলেও তারা কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য কিছু সৈন্য রেখে যাবে। এখন তালেবান কর্তৃক কাবুল দখল করার পর তাদেরকে বিমানবন্দরের প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তা সহায়তা দিতে অনুরোধ করেছে তালেবান।
ফটো: জেনারেল অনিক গাসপ্রায়ান ও প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান
আর্মেনিয়ার সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অনিক গাসপ্রায়ানকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান। সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানোর পরিকল্পনার কারণে জেনারেল গ্রাসপ্রায়ানের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার পাশিনিয়ানের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমনটাই জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল অনিক গাপ্রায়ানকে বিধিসম্মতভাবে ১০ মার্চ হতে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
এর আগে, গতমাসে জেনারেল গাসপ্রায়ানের পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে লেখা এক ডিক্রিতে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন আর্মেনিয়ার প্রেসিডেন্ট আরমেন সারকিসিয়ান। সূত্র:বাংলাদেশ প্রতিদিন
দেশে করোনায় বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু
দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। যা এ বছরে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর করোনায় মারা যান ৩৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৭৯৭ জনে।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৫৮৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৫ জনে। এর আগে গত বছরের ২ জুলাই দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৪ হাজার ১৯ জনের শরীরে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯৮৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ২৯ হাজার ৮৯৪ জন।