a
ফাইল ছবি
অধিকৃত ফিলিস্তিনের পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহরের পশ্চিমে বিশাল জঙ্গলে দাবানলের ভয়াবহ তাণ্ডব থামানোর চেষ্টা করছে ইসরায়েলের দমকল কর্মীরা।
আগুন নেভানোর জন্য ইসরায়েল ওই এলাকায় অন্তত ১১০টি অগ্নিনির্বাপক দল পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আটটি বিমান আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছে।
রবিবার এই অগ্নিকাণ্ড শুরু হয় এবং তিনদিনের প্রচেষ্টায় ইসরায়েল এখনও আগুন নেভাতে সক্ষম হয়নি। দাবানলে এরইমধ্যে জঙ্গলের বিশাল এলাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং বেশ কয়েকটি কমিউনিটি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
১৯৪৮ সালে পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্রে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর এই পর্যন্ত যে কয়টি বড় দাবানলের ঘটনা ঘটেছে এটি তার অন্যতম প্রধান। আল-জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলের খবর বলা হয়েছে, প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার আগুন নেভানোর জন্য সহযোগিতা চেয়ে গ্রিসকে অনুরোধ করেছে ইসরায়েল। এছাড়া, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ায়ির লাপিদ জানিয়েছেন, তিনি সম্ভাব্য সহযোগিতার জন্য সাইপ্রাস, ইতালি এবং ফ্রান্সকে অনুরোধ করেছেন।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিওর হাইয়াত জানিয়েছেন, গ্রিস এবং সাইপ্রাস দমকল কর্মী পাঠাতে রাজি হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ড থেকে সৃষ্ট কালো ধোঁয়ায় জেরুজালেম শহর ছেয়ে গেছে। ইসরায়েলের অগ্নিকাণ্ড এবং উদ্ধার বিভাগের প্রধান দেদি সিমচি জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্তকারীরা কাজ করছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে এই অগ্নিকাণ্ড শুরু হয়েছে।
এরইমধ্যে ওই এলাকার বহু লোকজনকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে ইসরায়েলসহ ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী দেশ আলজেরিয়া, সাইপ্রাস এবং তুরস্কে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।
ছবি: দেনিস ভ্লাদিমিরভিচ পুশিলিন
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভকে রাশিয়ার অংশ বলে দাবি করলেন দেশটির স্বশাসিত অঞ্চল ডোনেটস্কের প্রেসিডেন্ট দেনিস ভ্লাদিমিরভিচ পুশিলিন।
তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ রাশিয়ার অংশ এবং এগুলোকে অবশ্যই মুক্ত করে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
দেনিস ভ্লাদিমিরভিচ পুশিলিন বুধবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া এক পোস্টে লিখেছেন, কিয়েভ, খারকিভ ও ওডেসার মতো ‘রুশ শহরগুলো’ মুক্ত করার সময় এসেছে। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’ এর প্রতিবেদনে এমনটিই দাবি করা হয়েছে।
রাশিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রশ্নগুলোতে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের নির্লিপ্ততার সমালোচনা করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ২১ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডোনেটস্ক ও লুহানস্ক প্রজাতন্ত্রকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করার নির্দেশ দেন পুতিন। গত পাঁচ মাস ধরে চলা এ অভিযানে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের অনেক অঞ্চল দখল করে নিয়েছে রাশিয়া।
ডোনেৎস্কের প্রেসিডেন্ট আরও লিখেছেন, “রাশিয়ার জনগণের হাতে নির্মিত শহরগুলোকে মুক্ত করে রাশিয়ায় ফেরত আনার সময় এসেছে; কিয়েভ, চেরনিহাভ, পুলতাওয়া, ডেনপ্রোপেত্রোফেস্ক, খারকিভ, ওডেসা, জাপোরিঝঝিয়া এবং লুটেস্ককে অবশ্যই মুক্ত করতে হবে। সূত্র: ফক্সনিউজ
ছবি সংগৃহীত
সৌদি আরবে ২০ হাজারের বেশি অবৈধ বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বাসস্থান, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে সৌদিব্যাপী এক অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর আরব নিউজের।
জানা গেছে, গত ১২-১৮ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সহযোগিতায় নিরাপত্তা বাহিনী পরিচালিত যৌথ অভিযানের সময় ২০ হাজার ১৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ হাজার ৩০২ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘনের জন্য, পাঁচ হাজার ৬৫২ জনকে সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের জন্য এবং তিন হাজার ২০৫ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়া সৌদির সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টাকালে এক হাজার ৮৬১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ ইয়েমেনি নাগরিক, ৬৫ শতাংশ ইথিওপিয়ান নাগরিক এবং দুই শতাংশ অন্যান্য জাতীয়তার অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি অবৈধভাবে রাজ্য ত্যাগের চেষ্টা করার সময় মোট ১১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় এবং নিয়োগের সাথে জড়িত ১৭ জনকেও গ্রেফতার করেছে দেশটি। এছাড়া সৌদি আরবে বর্তমানে ২৬ হাজার ৪১১ জন পুরুষ এবং দুই হাজার ৬১৯ জন নারীসহ মোট ২৯ হাজার ৫৪০ জন প্রবাসীকে বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপের মধ্যে রয়েছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন