a
ফাইল ছবি
ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর নির্বাহী বোর্ডের যে বার্ষিক বৈঠক শুরু হয়েছে তাতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনও প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে না বলে ঘোষণা করেছে আমেরিকা।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, “নির্বাহী বোর্ডের চলতি বৈঠকে [ইরানের বিরুদ্ধে] কোনও প্রস্তাব উত্থাপন করার পরিকল্পনা আমাদের নেই।”
সোমবার আইএইএ’র ৩৫ সদস্যদেশের উপস্থিতিতে বার্ষিক এ বৈঠক শুরু হয়েছে এবং তা ১ সপ্তাহ ধরে চলবে। সোমবার বৈঠকের উদ্বোধনী অধিবেশনেই সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন।
রাফায়েল গ্রোসি এমন সময় ইরানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করলেন যখন রবিবার তার তেহরান সফরে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে স্থাপিত আইএইএ’র পর্যবেক্ষণ ক্যামেরাগুলো সার্ভিস করার পাশাপাশি এগুলোর মেমোরি কার্ড প্রতিস্থাপন করতে সম্মত হয় দু’পক্ষ।
ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মাদ ইসলামির সঙ্গে গ্রোসির সাক্ষাতের পর দুই কর্মকর্তা এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ওই সমঝোতার কথা জানান।
তারা বলেন, দু’পক্ষ এনপিটি চুক্তির সম্পূরক প্রটোকলের আওতায় পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়। গ্রোসি এ সমঝোতার ব্যাপারে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তেহরান ত্যাগ করেছিলেন।
ফাইল ছবি: রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস
যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়ার পথে বিকল হয়ে গেছে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ হিসেবে খ্যাত রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস। সোমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
তিন বিলিয়ন পাউন্ডের যুদ্ধজাহাজটি পোর্টসমাউথ থেকে ‘ল্যান্ডমার্ক’ এভিয়েশন ট্রায়াল মিশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। যাত্রার একদিন পর বিকল হয়ে যায় রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস।
রয়্যাল নেভির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধজাহাজটি আইল অব উইটের কাছে দক্ষিণ উপকূল অনুশীলন এলাকায় রয়ে গেছে। কারণ রয়্যাল নেভি ‘হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি তদন্ত’ করছে। পূর্বের প্রযুক্তিগত সমস্যাটি যান্ত্রিক সমস্যার সাথে সম্পর্কিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি।
ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ও ন্যাটোর ফ্ল্যাগশিপ ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসের এর আগেও কয়েকবার সমস্যায় পতিত হওয়ার ইতিহাস আছে। এর আগে ২০২০ সালের শেষের দিকে পোর্টসমাউথের ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকে বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে বিকল হয়ে পড়ে জাহাজটি। সূত্র: বিবিসি/বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: ভারতীয় মুদ্রা রুপি ও ডলার
নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর সর্বকালের তলানীতে এসে পৌঁছেছে। গতকাল মঙ্গলবার ভারতে প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য বেড়ে ৮৪.৭৫ রুপিতে পৌঁছেছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে।
জানা গেছে, ভারতের অর্থনীতি নিয়ে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল- চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি হবে। কিন্তু সেই পূর্বাভাসকে সম্পূর্ণরূপে ভুল প্রমাণিত করে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.৪ শতাংশ, যা গত ১৮ মাসে সর্বনিম্ন। প্রবৃদ্ধির এই অধোগতির প্রভাব পড়েছে দেশটির মুদ্রা রুপির উপর।
এদিকে, রুপির আশঙ্কাজনক দরপতন হতে থাকলে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরবিআইয়ের হস্তক্ষেপে তা কিছুটা থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরবিআই রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ডলার বিক্রি করে বাজার থেকে কিছু রুপি তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে কিছুটা হলে দরপতন কমানো গেছে।
রুপির এই ধারাবাহিক দরপতনকে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগজনক জানিয়েছে। রুপির দরপতনের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বেড়ে গেছে। আমদানি-রফতানি থেকে শুরু করে বিদেশে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের, সকলের উপর প্রভাবে পড়েছে। রুপির দরপতনের খেসারত ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদেরও।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহে টান পড়ার ফলে রুপি দাম কমেছে। অন্যদিকে সম্ভাব্য ব্রিকস মুদ্রার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুমকির প্রভাবেও রুপির দাম কমেছে। পাশাপাশি টানা ৮ সপ্তাহ যাবৎ ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে বলে বিশেষ এক সূত্রে জানা গেছে। এদিকে, উগ্রবাদী হিন্দুরা, বাংলাদেশ ঘিরে ভারতের মিডিয়ায় যে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে তারও একটা প্রভাব পড়তে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স