a পশ্চিমা নাগরিকরা দ্রুত কাবুল ত্যাগ করছে তালেবান সময়সীমার মধ্যেই
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পশ্চিমা নাগরিকরা দ্রুত কাবুল ত্যাগ করছে তালেবান সময়সীমার মধ্যেই


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৭:১৯
পশ্চিমা নাগরিকরা দ্রুত কাবুল ত্যাগ করছে তালেবান সময়সীমার মধ্যেই

সংগৃহীত ছবি

ব্রিটেন এবং ফ্রান্স বলছে, চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই তারা আফগানিস্তান থেকে তাদের সব নাগরিক এবং তাদের সহযোগী বেশিরভাগ আফগানকে সরিয়ে নিতে পারবে।প্রেসিডেন্ট বাইডেন কাবুল বিমানবন্দর থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সময়সীমা বাড়াতে অস্বীকৃতি জানানোর পর এই দুটি দেশ এই ঘোষণা দিল।

ফ্রান্সের ইউরোপ বিষয়ক মন্ত্রী ক্লেমেন্ত বোন বলছেন, আফগানিস্তানে সে দেশের উদ্ধার অভিযান বৃহস্পতিবারের মধ্যে শেষ হওয়ার 'সম্ভাবনা প্রবল'। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলছেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই এমন ব্রিটিশ নাগরিকদের বেশিরভাগকেই ইতোমধ্যে আফগানিস্তান থেকে বের করে আনা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, রাশিয়া, বেলারুশ, ইউক্রেইন, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানের পাঁচশোরও বেশি নাগরিকদের কাবুল থেকে বের করে আনার জন্য তারা চারটি বৃহদায়তন সামরিক বিমান পাঠিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই এই উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি টানা প্রয়োজন। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, কাবুল বিমানবন্দরের ওপর ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর হামলার ঝুঁকি রয়েছে।

নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উদ্ধার অভিযান শেষ করতে হলে আফগানিস্তানের নতুন শাসক অর্থাৎ তালেবানের কাছ থেকে ক্রমাগত সহযোগিতার প্রয়োজন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কাবুল থেকে বিবিসির ইয়োগিতা লিমায়ে খবর দিচ্ছেন, কাবুল বিমানবন্দরে মানুষজনকে দেশ ত্যাগে সহায়তা করছেন এমন লোকজন বলছেন, বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে যাত্রীদের বিভিন্ন তল্লাশি চৌকিতে আটকে দেয়া হচ্ছে। তবে কারা এটা করছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

তিনি জানান, বিমানবন্দরে প্রচণ্ড ভিড় দেখা যাচ্ছে। এর গেট পর্যন্ত পৌঁছুতে গত সপ্তাহে মানুষজনকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। চলতি সপ্তাহে এটা আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলছেন, কাবুল বিমানবন্দর থেকে প্রতি ঘণ্টাতেই যাত্রী-বোঝাই উদ্ধারকারী বিমানের ফ্লাইট আকাশে ডানা মেলছে।

তবে এখনকার আশঙ্কা হচ্ছে, যাদের রওনা হওয়ার কথা ছিল, তাদের কাউকে কাউকে বাদ দিয়েই ফ্লাইটগুলোকে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে হতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, দেশত্যাগে সাহায্য করারা লক্ষ্যে তারা ঝুঁকির মুখে থাকা আফগানদের সাথে যোগাযোগ রাখছে। তবে মাঠের পরিস্থিতি একেবারেই গোলযোগপূর্ণ এবং অনিশ্চিত। সূত্র: বিবিসি বাংলা/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত করোনাভাইরাসে বিশ্বে অনেক মানুষ মারা যাবে: হু


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:২১
ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত করোনাভাইরাসে বিশ্বে অনেক মানুষ মারা যাবে: হু

ফাইল ছবি

আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে নতুন করে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু দেখতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় অঞ্চলের পরিচালক হ্যান্স ক্লুগে।

ইউরোপীয় অঞ্চলের ৫৩ দেশে এখনও কোভিডের সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ফলে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে করোনার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতিকে ‘গুরুতর’ ও ‘উদ্বেগজনক’ অ্যাখ্যা দেন তিনি। বিশেষ করে ইউরোপে প্রাণঘাতী কোভিডের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডব্লিউএইচও’র এই পরিচালক। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাঁচ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডব্লিউএইচও'র তালিকায় ইউরোপের ৫৩টি দেশের পাশাপাশি মধ্য এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও রয়েছে। যদিও মহামারির দূর করতে বিশ্বজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম ভালই চলছে। তবে দরিদ্র দেশগুলো এক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। কোভিড টিকার সুষমে বণ্টনে সব ধনী দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনায় এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে ৫০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ড. আলাউদ্দিন আল আজাদের আজ জন্মদিন


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে, ২০২১, ০৭:৪৮
ড আলাউদ্দিন আল আজাদের আজ জন্মদিন

ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ । ফাইল ছবি

 

বাংলাদেশ ও বিশ্বের সাহিত্য ভাণ্ডারে আলাউদ্দিন আল আজাদ এক বিশেষ শ্রদ্ধেয় নাম। ভাষাসৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট কবি, সব্যসাচী লেখক, শিক্ষাবিদ ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। আলাউদ্দিন আল আজাদ বাংলাদেশের তথা সারা বিশ্বের সাহিত্য জগতের দীপ্তিমান প্রতিভা, মহান ব্যক্তিত্ব ও স্বকীয় মহিমায় উদ্ভাসিত এক নিরীক্ষাধর্মী সাহিত্যশিল্পী।

আলাউদ্দিন আল আজাদ ১৯৩২ সালের ৬ মে বৃহত্তর ঢাকার বর্তমানে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রামনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা গাজী আব্দুস সোবহান এবং মাতার নাম মোসাঃ আমেনা খাতুন। আলাউদ্দিন আল আজাদ অভিজাত, বনেদি ও সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্ম নিলেও শৈশবটা তেমন সুখকর ছিল না। মাত্র দেড় বছর বয়সে মাকে হারান এবং দশ বছর বয়সে বাবা ইন্তেকাল করেন। আর তখন থেকেই শুরু প্রায় সর্বহারা আজাদের সংগ্রামশীল জীবনের।  

আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন প্রগতিশীল লেখক, বামপন্থী চিন্তাধারা ও কর্মকাণ্ডের সাথে তিনি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। বামপন্থী রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনে এবং প্রগতিশীল সাহিত্য-আন্দোলনে আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহসী ভূমিকা আজ অনেকেই ভুলে গেছেন। কিন্তু পথে-মাঠে-ময়দানে ও শিল্পকর্মে আলাউদ্দিন আল আজাদ মার্ক্সসীয় ভাবধারাকে সমুন্নত রাখার জন্য ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন। আলাউদ্দিন আল আজাদ তার প্রকৃত নাম নয়। আলাউদ্দিনের সাথে যুক্ত হয়েছে লেখক নাম 'আল আজাদ'। আর তাঁর ডাক নাম ছিল 'বাদশা'। শৈশবে তিনি বাবা-মাকে হারান; আর এখান থেকেই শুরু হয় তার জীবনসংগ্রাম। গ্রামজীবনের কৃষিভিত্তিক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা ছিল তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী।

আলাউদ্দিন আল আজাদ ১৯৪৯ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে অইএ পাস করেন। ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম এবং ১৯৫৪ সালে প্রথম শ্রেণীতে এমএ পাস করেন। ১৯৫৫ সালে তোলারাম কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ঈশ্বরগুপ্তের জীবন ও কবিতা বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। 

পরবর্তীকালে সিলেট এমসি কলেজ, চট্টগ্রাম কলজসহ পাঁচটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা এবং পরবর্তীকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালে তিনি ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপালও ছিলেন। পেশাগত জীবনে মস্কোর বাংলাদেশ দূতাবাসে সংস্কৃতি উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক বিভাগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রেই ছিল তার পদচারণা। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৪৯টি। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহঃ

১। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০),
 ২। শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২), 
৩। কর্ণফুলী (১৯৬২),
 ৪। ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪),
 ৫। খসড়া কাগজ (১৯৮৬), 
৬। শ্যাম ছায়ার সংবাদ (১৯৮৬), 
৭। জ্যোৎস্নার অজানা জীবন (১৯৮৬), 
৮। যেখানে দাঁড়িয়ে আছি (১৯৮৬), 
৯। স্বাগতম ভালোবাসা (১৯৯০), 
১০। অপর যোদ্ধারা (১৯৯২), 
১১। পুরানা পল্টন (১৯৯২), 
১২। অন্তরীক্ষে বৃক্ষরাজি (১৯৯২), 
১৩। প্রিয় প্রিন্স (১৯৯৫), 
১৪। ক্যাম্পাস (১৯৯৪), 
১৫। অনূদিত অন্ধকার (১৯৯১), 
১৬। স্বপ্নশীলা (১৯৯২), 
১৭। কালো জ্যোৎস্নায় চন্দ্রমল্লিকা (১৯৯৬),
 ১৮। বিশৃঙ্খলা (১৯৯৭)

গল্প গ্রন্থঃ 
১। জেগে আছি,
২। ধানকন্যা, 
৩। মৃগনাভি,
৪। অন্ধকার সিঁড়ি,
৫। উজান তরঙ্গে, 
৬। যখন সৈকত, 
৭। আমার রক্ত স্বপ্ন আমার

কাব্য গ্রন্থঃ 
১। মানচিত্র, 
২। ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ, 
৩। সূর্য জ্বালার স্বপন,
৪। লেলিহান পান্ডুলিপি

নাটকঃ
১। এহুদের মেয়ে, 
২। মরোক্কোর জাদুকর,
৩। ধন্যবাদ, 
৪। মায়াবী প্রহর, 
৫। সংবাদ শেষাংশ। 

রচনাবলীঃ শিল্পের সাধনা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা বই "ফেরারী ডায়েরী (১৯৭৮)"

দেশবরেণ্য এই গুণীকবি বিভিন্ন সময় নানান ধরনের পুরস্কার লাভ করেছেন তার ভিতর উল্লেখযোগ্য কিছু হলো:
বাংলা একাডেমি পুরস্কার ১৯৬৪, ইউনেস্কো পুরস্কার ১৯৬৫, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ১৯৭৭, আবুল কালাম শামসুদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৩, আবুল, মনসুর আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৪, লেখিকা সংঘ পুরস্কার ১৯৮৫, রংধনু পুরস্কার ১৯৮৫, অলক্তা, সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৬, একুশে পদক ১৯৮৬, শেরে, বাংলা সাহিত্য পুরস্কার ১৯৮৭, নাট্যসভা ব্যক্তিত্ব, পুরস্কার ১৯৮৯, কথক একাডেমী পুরস্কার ১৯৮৯ এবং
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ স্বর্ণ পদক ১৯৯৪।

দেশবরেণ্য এই কবি ২০০৯ সালের ৩রা জুলাই মৃত্যুবরণ করে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক