a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র ত্যাগ করে ঘরে ফিরে যেতে বলেছেন। যে কোনো রক্তপাতের জন্য ইউক্রেন সরকারই দায়ী থাকবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া পুতিন বলেছেন, তার বিশ্বাস আছে রুশ সেনারা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা সিএনএনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
তবে পুতিন বলেছেন, “ইউক্রেন দখল করার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমরা নিজেদেরকে কারও ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না।”
সংগৃহীত ছবি
তুরস্ক ও আজারবাইজান সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে এই সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই সামরিক মহড়া আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। মহড়ায় উভয় দেশের সেনাবাহিনীর ৬০০ সদস্য-কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন। খবর রয়টার্স
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আজারবাইজান ও তুরস্কের সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক-২০২১ যৌথ লাইভ ফায়ার কৌশল অনুশীলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুশীলনের মাধ্যমে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে যুদ্ধে আক্রমণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে গত ১৫ জুন আজারবাইজানের শুশা শহরে ভ্রমণ করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ওই সময় তুরস্ক এবং আজারবাইজান শুশা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির অন্যতম বিষয় ছিল-প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং নতুন পরিবহন রুট শুরু করা।
গত বছর আজারবাইজান নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী দেশ আর্মেনিয়ার সঙ্গে ব্যাপক যুদ্ধে লিপ্ত হয়। যুদ্ধে তুরস্ক সরাসরি আজারবাইজানকে সমর্থন করে। ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সমর্থন এবং অত্যাধুনিক তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে আজারবাইজনা সেনারা যুদ্ধে ব্যাপক সফলতা পায় এবং নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল পূনরুদ্ধার করে।
সংগৃহীত ছবি
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাঝকান্দি স্থানে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১০ জন। অন্যদিকে, ভাঙ্গায় প্রাইভেটকার-মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও ২ জন নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঝিনাইদহ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় দুইজন। আহত হয় মাইক্রোবাসের আরও ১৪ যাত্রী। তাদের মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরও ৪ জন। সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় এখনো মেলেনি।
এদিকে, রবিবার ভোরে ভাঙ্গা সদরের চৌরাস্তা মোড়ে প্রাইভেটকার-মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয় ১ জন। নিহতরা হলেন মোটর সাইকেলের আরোহী সাকিল খান ও নাইমুর রহমান। সূত্র: বিডি প্রতিদিন