a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র ত্যাগ করে ঘরে ফিরে যেতে বলেছেন। যে কোনো রক্তপাতের জন্য ইউক্রেন সরকারই দায়ী থাকবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া পুতিন বলেছেন, তার বিশ্বাস আছে রুশ সেনারা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা সিএনএনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
তবে পুতিন বলেছেন, “ইউক্রেন দখল করার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমরা নিজেদেরকে কারও ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না।”
সংগৃহীত ছবি
নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর ১১ দিনের বর্বর হামলার কারণে ব্রিটেনের সাধারণ মানুষের মধ্যে ইহুদিবিরোধী মনোভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে।
বিগত ১ মাসে দেশটিতে ইসরাইলের দূতাবাস ঘেরাও, রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলসহ ইহুদিবিরোধী বহু সভা-সমাবেশ হয়েছে। খবর বিবিসি
এ সব ঘটনার কারণে ব্রিটেনে বসবাসকারী ইহুদিদের আতঙ্কে দিন কাটছে। সম্প্রতি ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠানেও হামলা হয়েছে।
দক্ষিণ লন্ডনের একটি সিনাগগে (ইহুদি উপাসনালয়) গত মাসে জনরোষের ভয়ে এর রাব্বি (ইহুদি ধর্মযাজক) নিকি লিস মধ্যরাতে এসে উপাসনালয়ে প্রবেশ করেন।
১৩ বছর ধরে তিনি এ উপাসনালয়ে ধর্ম যাজকের কাজ করছেন। কিন্তু বর্তমানে এখানে ইহুদিদের বসবাস করাটা অনেকটা কঠিন বলে মনে করছেন তিনি।
কারণ কিছুদিন আগে শহরটির একটি সিনাগগের বাইরে রাফি গুডউইন নামে এক রাব্বিকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা।
ফিলিস্তিনে ইসরাইলি নৃশংসতার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে দক্ষিণ লন্ডনের সেইন্ট জনস উড এলাকায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
এর আগে কখনো দখলদার ইসরাইলের বর্বতার বিরুদ্ধে এধরনের প্রতিবাদ হয়নি ব্রিটেনে। এ কারণে অনেক আতঙ্কে আছে ব্রিটেনের ইহুদিরা।
ফাইল ছবি
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) শুরু হয়েছে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই নির্বাচন সিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচন মনিটরিং করছে ইসি।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে একযোগে স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে বড় এই নির্বাচনের ভোট শুরু হয়। দেশের ৫৭টি জেলা পরিষদে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।
সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা এই নির্বাচনের ভোটার। মূলত তারাই ভোট দিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচিত করবেন।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৯২ জন, সদস্য পদে ১ হাজার ৪৮৫ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৬০৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার রয়েছেন ৬০ হাজার ৮৬৬ জন।
এর আগে, শনিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে শেষ হয় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ২৭ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ৬৯ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সূত্র: ইত্তেফাক