a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র ত্যাগ করে ঘরে ফিরে যেতে বলেছেন। যে কোনো রক্তপাতের জন্য ইউক্রেন সরকারই দায়ী থাকবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া পুতিন বলেছেন, তার বিশ্বাস আছে রুশ সেনারা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা সিএনএনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
তবে পুতিন বলেছেন, “ইউক্রেন দখল করার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমরা নিজেদেরকে কারও ওপর চাপিয়ে দিতে চাই না।”
ফাইল ছবি
গত দুই মাস ধরে সেনা-বিরোধী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমারে সেনার বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে সশস্ত্র জনজাতি গোষ্ঠীগুলি।
গত শনিবার মিয়ানমারের সেনাদের গুলিতে এক দিনে শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়। ওই দিন থেকে সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুরু করেছে প্রত্যন্ত এলাকার জনজাতি জঙ্গিরা। আজ ভোরের দিকে উত্তর মিয়ানমারের কাচিন গেরিলা বাহিনী পুলিশের একটি পোস্ট দখল করে নেয়।
একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারেন গেরিলা বাহিনী। গত শনিবার এই জঙ্গি গোষ্ঠীই প্রথম সেনাদের উপরে হামলা চালিয়েছিল। তার জবাবে প্রত্যন্ত জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনারা। ইতিমধ্যেই ১০ গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে।
মায়ানমার পার্লামেন্টের নির্বাসিত সদস্যেরা সেনা-বিরোধী যে গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই গড়ছেন, আপাতত সেই সিআরপিএইচ গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন ডক্টর সাসা নামে এনএলডি-র এক নেতা। তিনি আজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, সেনার অত্যাচার রুখতে জনজাতি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সাহায্য নিতে তাঁরা প্রস্তুত। জনজাতি ও নাগরিক গোষ্ঠী একত্র হয়ে একটি ‘ফেডারেল আর্মড ফোর্স’ গঠনের চিন্তা-ভাবনা করছে বলেও জানান তিনি।
এই পরিস্থিতিতে চাপ বাড়ছে থাইল্যান্ড সীমান্তে। মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা থাই প্রদেশের গভর্নর আজ জানিয়েছেন, যে সব বাসিন্দা সীমান্ত পেরিয়ে তাঁদের দেশে ঢুকেছিলেন, তাঁরা স্বেচ্ছায় ফিরে গিয়েছেন। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, থাই সেনারা জোর করে তাঁদের ফেরত পাঠিয়েছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুত চান-ওচা।
এদিকে, মায়ানমারে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন এমন আমেরিকান কূটনীতিকদের অবিলম্বে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন।
ফাইল ছবি
দেশে করোনা পরিস্থিতি অবনতির কারণে আগামী ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ ও লক্ষীপুর-২ আসনসহ সব নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
সিইসি কে এম নুরুল হুদা বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে ইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘এটা হয়তো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ১ এপ্রিল। সে মোতাবেক আজ কমিশন একটা সভা করেছে, সেখানে তারা বলেছে যে, ৩১ মার্চের পর আর নির্বাচন হবে না। করোনার কারণে এটা ইসির নীতিগত সিদ্ধান্ত।
প্রসঙ্গত, এরআগে গত ২৯ মার্চ করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকার কারণে আগামী ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।