a বিশ্বনেতারা রক্ষা করবে ইউক্রেনকে? নাকি বাইডেনকে!
ঢাকা সোমবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিশ্বনেতারা রক্ষা করবে ইউক্রেনকে? নাকি বাইডেনকে!


খোরশেদ আলম, আন্তর্জাতিক সংবাদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২, ০৯:০৭
বিশ্বনেতারা রক্ষা করবে ইউক্রেনকে? নাকি বাইডেনকে!

ফাইল ছবি: জো বাইডেন ও জেলনস্কি

ইউক্রেনকে রক্ষা করতে বা রাশিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোসহ অন্যান্য দেশ যখন একাট্টা হয়ে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক অবরোধ ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সামরিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনকে। তখন হঠাৎ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কয়েকটি মন্তব্যে বিশ্বের নজর যুদ্ধের ময়দান থেকে এখন বাইডেনের মন্তব্য ঘিরে।

বাইডেনের সেসব মন্তব্যকে হালকা করে তুলে ধরে প্রকারন্তরে তাকে সমালোচনার হাত থেকে উদ্ধারে চেষ্টা করে যাচ্ছেন অনেক বিশ্বনেতা। নিচে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত উল্লেখ করলে এর পরিস্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে ইউক্রেনের শরণার্থীদের কাছে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শুনে বাইডেন পুতিনকে ‘কসাই’ আখ্যায়িত করেন। পোল্যান্ড সফরে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইউক্রেনে হামলার নির্দেশ দেওয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আর ক্ষমতায় থাকতে পারেন না।

জো বাইডেনের এসব বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ক্ষুদ প্রবীণ মার্কিন কূটনীতিক রিচার্ড হাস। মার্কিন বৈদেশিক সম্পর্ক পরিষদের সভাপতি রিচার্ড হাস এক টুইট বার্তায় বলেন, 'বাইডেনের এই মন্তব্য একটি জটিল পরিস্থিতিতে আরও জটিল করবে এবং একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলবে।'  

অপরদিকে, একদিন পর রবিবার (২৭ মার্চ) পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করার বক্তব্য নিয়ে সুর পাল্টিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র নিজেও। এ প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, রাশিয়ার বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পরিকল্পনা নেই।

ইউক্রেনে হামলা করায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘ক্ষমতায় থাকতে পারেন না’ বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের করা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাজ্যও। যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী নাদিম জাহাবী বাইডেনের মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, মন্তব্যটি ক্রেমলিনকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মুখ ফসকে বের হয়ে যাওয়া বক্তব্যের ব্যাখা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। ন্যাটোতে নিয়োজিত দেশটির দূত জুলিয়ান স্মিথ বলেছেন, বাইডেনের বক্তব্য ‘স্বাভাবিক মনুষ্য প্রতিক্রিয়া’।

ন্যাটোতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত জুলিয়ানের কাছে— পুতিন ক্ষমতায় থাকুক যুক্তরাষ্ট্র তেমনটি চায় কিনা, বক্তব্য পরিষ্কার করতে বললে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনসহ সম্পূর্ণ প্রশাসন মনে করে, ইউক্রেনে যুদ্ধের মুহূর্তে্ আমরা পুতিনকে ক্ষমতায়ন করতে পারি না।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে বাইডেনের জ্বালাময়ী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা নিয়ে সতর্ক করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।  গার্ডিয়ানের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, পুতিনকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন যে বক্তব্য দিয়েছেন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ তা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন।  

পুতিনকে নিয়ে বাইডেনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার বিষয়ে ম্যাক্রোঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে ম্যাক্রোঁ বলেন, বাইডেনের মতো তিনি ওইসব শব্দগুলো ব্যবহার করবেন না।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, সব কিছু করা উচিত উত্তেজনা থামানোর জন্য, যাতে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধ হয়।  ম্যাক্রোঁ বলেন, তার লক্ষ্য প্রথমে যুদ্ধবিরতি এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার। এটা করতে হলে কথা কিংবা কাজের মাধ্যমে উত্তেজনা বাড়ানো উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জেরুজালেমে সফরে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেন বলেন, 'আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট, হোয়াইট হাউজ গত রাতে এই বিষয়টি খুব সহজভাবে তুলে ধরেছেন। প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ইউক্রেন বা অন্য কারো বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা আগ্রাসন চালানোর ক্ষমতা দেওয়া যাবে না।'  

ব্লিনকেন এসময় আরও বলেন, আপনারা জানেন এবং আমাদের কাছ থেকে বারবার বলতে শুনেছেন, রাশিয়ায় বা অন্য কোথাও, এই বিষয়ে শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরিকল্পনা আমাদের নেই।

রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের পর আমেরিকা যেভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ন্যাটোর সদস্যগুলোকে নিয়ে একাট্টা বেধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যেসব কৌশল অবলম্বন করেছেন তা অনেকটা সফল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করলেও, সর্বশেষ বাইডেনের উপরেল্লিখিত মন্তব্য ও পাল্টা মন্তব্যে ইউক্রেনের যুদ্ধ ময়দান থেকে সবার কৌশল বাইডেনের মন্তব্য আড়াল করা।

 

লেখক: মোহা. খোরশেদ আলম, আন্তর্জাতিক কলাম লেখক, সম্পাদক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন শিগগিরই বসছে আফগান ইস্যুতে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৫৯
পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন শিগগিরই বসছে আফগান ইস্যুতে

ফাইল ছবি

আফগান ইস্যুতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে প্রতিবেশী পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন বসতে যাচ্ছে।

আফগানিস্তান থেকে আকস্মিকভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর চলমান গোলযোগপূর্ণ অবস্থা নিয়ে এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে আলোচনা করা হবে। এতে অংশ নেবেন আফগানিস্তানবিষয়ক চার দেশের বিশেষ প্রতিনিধি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

গতকাল (শনিবার) ইরান, রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে টেলিফোন আলাপে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ করা হয়। এরপর চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আফগানিস্তান ইস্যুতে খুব শিগগিরই ভার্চুয়াল সম্মেলনে বসার ব্যাপারে একমত হন।

এর আগে, গত মাসে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি ইরান সফরে করেন। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানের সঙ্গে আফগানিস্তানের ঘটনাবলি ও আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে তিনি এক টুইটার পোস্টে জানান, আঞ্চলিক শান্তি এবং আফগানিস্তানের বিষয়ে সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে দেশটির নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সমাধানের বিষয়ে কাজ করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এরপর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহিয়ান রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন। এসব আলাপে আফগানিস্তানে একটি অংশগ্রহণমূলক সরকার গঠনের বিষয় নিয়ে কথা হয়। সূত্র: পার্সটুডে 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মির্জা আব্বাসের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি বিএনপি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ০১ মে, ২০২১, ০২:৪০
মির্জা আব্বাসের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি বিএনপি

মির্জা আব্বাস । ফাইল ছবি

এম ইলিয়াস আলী ইস্যুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের দেওয়া সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি দলটির হাইকমান্ড। বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার অভিমত, মির্জা আব্বাস যে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কিত হয়েছিলেন তার জন্য তিনি হাইকমান্ডের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা পেয়েছেন। পাশাপাশি দলের পক্ষ থেকে কড়া সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে, দলের কাছে সবাই গুরুত্বপূর্ণ হলেও কেউই অপরিহার্য নয় এবং কেউ কাউকে ‘জমা-খরচ’ না দিয়ে চললেও দলের কাছে সবার জবাবদিহি করতে হবে।

বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর ‘নিখোঁজ’ হওয়ার নয় বছর উপলক্ষে গত ১৭ এপ্রিল আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় মির্জা আব্বাস বলেছিলেন, ‘ইলিয়াস আলী নিখোঁজের পেছনে দলের (বিএনপি) একটা অংশ জড়িত। সরকার ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করেনি।’

তার এমন বক্তব্যে দলের ভেতরে-বাইরে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। এরপর দলের পক্ষ থেকে চাপে পড়ে পরদিন (১৮ এপ্রিল) নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন মির্জা আব্বাস। সেখানে তিনি দাবি করেন, মিডিয়ায় তার বক্তব্য খণ্ডিত করে প্রচার করা হয়েছে। যদিও হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে মির্জা আব্বাসকে একটি লিখিত চিঠি দেয়া হয়েছিল, বলা হয়েছিল সংবাদ সম্মেলনে তিনি শুধু ওই চিঠি পাঠ করবেন। কিন্তু সেটা না করে তিনি তার ‘মনমতো’ বক্তব্য দেন বিধায় আরও নাখোশ হয় দলটির হাইকমান্ড।

এরপর গত ২২ এপ্রিল মির্জা আব্বাসকে ওই বক্তব্যের লিখিত ব্যাখ্যা দিতে দলের পক্ষ থেকে আরেকটি চিঠি দেয়া হয়। ২৬ এপ্রিল আব্বাস চিঠির জবাব দেন।

দলীয় সূত্র মতে, চিঠির জবাবে মির্জা আব্বাস লিখেছেন, ‘আমার অনিচ্ছাকৃত বক্তব্যে যদি দলের কোনো ক্ষতি হয়ে থাকে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আশা করি, আমার এই পত্রের মাধ্যমে দলে ও দলের বাইরে চলমান সব ধরনের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে।’

তিনি লেখেন, ‘১৭ এপ্রিল যখন আমি ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখি ঠিক তার পরমুহূর্তে স্থায়ী কমিটির মিটিং ছিল। আমার বক্তব্য রাখার সময় বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করার তাড়া আসে। তাই কথাগুলো যেভাবে বলতে চেয়েছি, সেভাবে বলতে পারিনি। বক্তব্য রাখার সময় এমন কিছু শব্দ চলে এসেছে সেগুলো ইচ্ছাকৃত নয়। আমি কোনো বক্তব্য দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বলিনি। এরপরও ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে তা অনিচ্ছাকৃত। সেদিন সময় পেলে এমনটা হতো না।’

১৮ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে জানিয়ে চিঠির শুরুতে মির্জা আব্বাস লেখেন, ‘দীর্ঘ ৪৫ বছরের মধ্যে যা কখনো ঘটেনি, এমন একটি অপ্রত্যাশিত, অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেদনাদায়ক ঘটনার সম্মুখীন আমাকে হতে হয়েছে এই চিঠির মাধ্যমে। 

ব্যক্তিগত জীবনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে রাজনীতিতে এসে আজ অবধি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দল ও জিয়া পরিবারের প্রতি আমার নিষ্ঠা ও কর্তব্য পালনে এবং রাজনৈতিক জীবনে কখনোই সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর কিছু করিনি।’

তিনি বলেন, ‘ওই দিনের বক্তব্যের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছি—ইলিয়াস আলী ও (বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য) সালাহউদ্দিন আহমেদ গুম একই সূত্রে গাঁথা। সরকার বলছে তারা করেনি। আমি মূলত সরকারের বক্তব্য কটাক্ষ করতে চেয়েছি। আমার কটাক্ষ করা বক্তব্য ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।’

মির্জা আব্বাসের ব্যাখ্যায় দল সন্তুষ্ট কি-না এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের দলের ভেরি মাচ ইন্টার্নাল (খুবই অভ্যন্তরীণ বিষয়)।’ সূত্র: জাগো নিউজ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক