a
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ফাইল ছবি
প্রাথমিকভাবে ভোট গননায় অনেক ব্যবধানে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, ভোট প্রবণতায় ২০৮টি আসনে এগিয়ে আছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ১০০টি আসন পার করতে পারেনি বিজেপি। দলটি এগিয়ে ৮০ আসনে।
এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে প্রশান্ত কিশোরের দাবিই মিলতে চলেছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। রাজ্যে ভোটগ্রহণ হয়েছে ২৯২ আসনে। এর মধ্যে ২০৮ আসনে এগিয়ে ঘাসফুল শিবির। রাজ্যের সরকার গঠন করতে দরকার ১৪৮ টি আসন, যা ইতোমধ্যে অর্জন হয়ে গেছে তৃণমূলের।
ফাইল ছবি
ফ্রান্সের পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় উগ্র ডানপন্থীরা বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। ফলে ফ্রান্সে বসবাসকারী ইহুদিদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা এখন দলে দলে বসবাসরত দেশটি ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রাথমিক জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনে মারিন লে পেন-এর উগ্র ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র্যালি (আরএন) পেয়েছে ৩৪.৫ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে- বামপন্থী নিউ পপুলার ফ্রন্ট অ্যালায়েন্স। দলটি ২৮.৫ থেকে ২৯.১ শতাংশ ভোট। আর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর জোট ২০.৫ থেকে ২১.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
জরিপ সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, আরএন ৫৭৭ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবে। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডের পর তারা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২৮৯ আসন পাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
সংস্থাগুলোর হিসাবে ভিন্নতাও আছে। ইপসস-এর প্রজেকশন অনুযায়ী আরএন পাবে ২৩০ থেকে ২৮০ আসন; ইফপ-এর হিসাব হচ্ছে ২০৪ থেকে ২৭০; এবং এলাব একমাত্র সংস্থা যারা এরএন-এর আসন সংখ্যা ২৬০ থেকে ৩১০-এর মধ্যে করেছে।
এই প্রেক্ষাপটে কোয়েলিটা অ্যাসোসিয়েশন ফর দি এবজরপশন অ্যান্ড এনকারেজমেন্ট অব জিউশ ইমিগ্রেশন বা আলিয়াহ’র সিইও অ্যারিয়েল কান্ডেল বলেছেন, “এখন প্রায় ৫০ হাজার ফরাসি ইহুদি ফ্রান্স ত্যাগের কথা ভাবছে।”
এনআরের সভাপতি জর্ডান বরদেল্লা এবং এর শীর্ষ আইনপ্রণেতা মারিন লে পেন ধর্মীয় উপাসনায় সরকারি অবস্থান সীমিত করতে চান। দলটির মুসলিমবিরোধী অ্যাজেন্ডার অংশ হিসেবেই তারা ইহুদিদেরও সংযত করতে চায়। তারা বিদেশে বসবাসকারী নাগরিকদের পেনসন সুবিধাও সীমিত করতে চায়।
এনআর-এর অনেক সমালোচক দলটিকে অ্যান্টিসেমিটিক হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে অনেকে এই অভিমতের সাথে একমত পোষণ করতে পারছেনা।
কান্ডেল বলেন, যদি জ্যাঁ-লাক মেলেনচোনের নেতৃত্বে উগ্র বামরা ক্ষমতায় আসে, তবে ইহুদিদের ফ্রান্স ত্যাগের আরও প্রবল তাগিদ সৃষ্টি হবে। কারণ অনেক ইহুদিই মেলেনচোনকে অ্যান্টিসেমিটিক বিবেচনা করে।
উল্লেখ্য, যখন ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ তৃতীয় বছরে গড়িয়েছে এবং জ্বালানি আর খাদ্য মূল্য অনেক উঁচুতে, তখন অভিবাসন-বিরোধী আরএন পার্টি এগিয়ে গেছে।
এই নির্বাচন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সে প্রথমবার উগ্র ডানপন্থীদের ক্ষমতায় আনতে পারে, এবং দলের নেতা লে পেনের শিষ্য ২৮-বছর বয়স্ক জর্ডান বরদেল্লাকে সরকার গঠনের সুযোগ দিতে পারে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
ফাইল ছবি
এ বছর ডেঙ্গু জ্বর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির অবহেলিত গ্রীষ্মমন্ডলীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. রমন ভেলাইউধন বলেছেন, বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক এখন ডেঙ্গু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। রয়টার্স
শুক্রবার (২২ জুলাই) ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী ডেঙ্গুর হার বেড়েই চলেছে। ২০০০ সাল থেকে ২০২২ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ৮ গুণ বেড়েছে।
সুদানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটির রাজধানী খার্তুমে প্রথমবারের মতো এই রোগের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ বছর ডেঙ্গু জ্বর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ইউরোপেও এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পেরুর বেশিরভাগ অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে ডেঙ্গুর কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ডেঙ্গু বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া গ্রীষ্মমন্ডলীয় রোগ। এটি 'মহামারির হুমকি' বাড়াচ্ছে। ডেঙ্গু আনুমানিক ১২৯টি দেশকে প্রভাবিত করে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ থেকে ৪০০ আক্রান্তের খবর নথিভুক্ত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এ বছর বিশ্বজুড়ে ৪ মিলিয়নেরও বেশি ডেঙ্গু কেস রয়েছে। এর বেশিরভাগই এশিয়ায় বর্ষা মৌসুমের সময় নথিভুক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গু আনুমানিক ১২৯টি দেশকে প্রভাবিত করে। সম্প্রতি বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে এবং পেরুতে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ডব্লিউএইচও'র রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. রমন ভেলাইউধন বলেন, ইতিমধ্যে আমেরিকান অঞ্চলগুলোতেও প্রায় ৩০ লাখ ডেঙ্গু কেস নথিভুক্ত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি হওয়া আর্জেন্টিনা বিকিরণ ব্যবহার করে মশাকে জীবাণুমুক্ত করছে। মশার ডিএনএ পরিবর্তন করে বনে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ভেলাইউধন বলেন, আমেরিকান অঞ্চলে অবশ্যই ডেঙ্গুর পরিস্থিতি খারাপ। আমরা আশা করি এশীয় অঞ্চল এটি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, উষ্ণ জলবায়ুতে মশা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ভাইরাসকে মশা তাদের দেহের মধ্যে বহুগুণে বহন করতে সক্ষম হয়। সূত্র: ইত্তেফাক