a
ভারত সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে থান্টলাং শহরে দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গেরিলাদের সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রচণ্ড গোলাগুলিতে শহরের বহুসংখ্যক ঘরবাড়িতে আগুন ধরে যায়।এতে শহরে বসবাসকারী প্রায় অর্ধেক লোক পালিয়ে গেছে।
সালাই থাং নামে একজন কমিউনিটি লিডার জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
সালাই থাং-সহ উদ্বাস্তু হওয়া লোকজন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংস্থা। অনেক লোকজন ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া লোকজন মারাত্মকভাবে খাদ্য ও আশ্রয়ের সংকটে ভুগছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশটি মারাত্মক সংকটের মাঝে চলছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেমে থেমে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত কয়েকশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ফাইল ছবি
ইউরোপজুড়ে ইউক্রেনের দূতাবাসে একের পর এক রহস্যজনক পার্সেল আসছে। এখন পর্যন্ত ১৭টি ইউক্রেনীয় দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশনে চিঠিবোমা অথবা প্যাকেট গেছে; যা এখনো কোন কুল কিনারা করতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী।
শুক্রবার এ প্রসঙ্গে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেছেন, গত কয়েক দিন ধরে পাওয়া এসব প্যাকেটে গরুর চোখসহ বিভিন্ন প্রাণীর অঙ্গ রয়েছে।
এখনো পর্যন্ত বেশিরভাগ প্যাকেটে পাওয়া গেছে পশুর চোখ। বুধবার স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের ইউক্রেনীয় দূতাবাসে চিঠিবোমা বিস্ফোরণে একজন কর্মকর্তা আহতও হন। দূতাবাসের বাকি কর্মীদের স্পেনের প্রধানমন্ত্রী, উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন দূতাবাসে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার পর স্পেনজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেন, স্পেনে ইউক্রেনের দূতাবাসে একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে এটি শুরু হয়েছে; কিন্তু এ বিস্ফোরণের পরে যা ঘটেছিল তা ছিল আরও অদ্ভুত এবং ভয়াবহ।
চিঠির পেছনে কে বা কারা জড়িত এমন প্রশ্নে কুলেবা সিএনএনকে বলেন, আমি সরাসরি রাশিয়ার নাম বলতে প্রলুব্ধ বোধ করছি, কারণ সবার আগে আপনাকে উত্তর দিতে হবে- এতে কার লাভ?
যদিও বুধবার মাদ্রিদের বিস্ফোরক প্যাকেটের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র বিষয়ক মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেনকো বলেন, স্পেন ছাড়াও মোড়ক পেয়েছে হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি এবং অস্ট্রিয়ার দূতাবাস। সূত্র: যুগান্তর
সংগৃহীত ছবি
তুরস্ক ও আজারবাইজান সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে এই সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই সামরিক মহড়া আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। মহড়ায় উভয় দেশের সেনাবাহিনীর ৬০০ সদস্য-কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন। খবর রয়টার্স
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আজারবাইজান ও তুরস্কের সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক-২০২১ যৌথ লাইভ ফায়ার কৌশল অনুশীলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুশীলনের মাধ্যমে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে যুদ্ধে আক্রমণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে গত ১৫ জুন আজারবাইজানের শুশা শহরে ভ্রমণ করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। ওই সময় তুরস্ক এবং আজারবাইজান শুশা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির অন্যতম বিষয় ছিল-প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং নতুন পরিবহন রুট শুরু করা।
গত বছর আজারবাইজান নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী দেশ আর্মেনিয়ার সঙ্গে ব্যাপক যুদ্ধে লিপ্ত হয়। যুদ্ধে তুরস্ক সরাসরি আজারবাইজানকে সমর্থন করে। ন্যাটো সদস্য তুরস্কের সমর্থন এবং অত্যাধুনিক তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে আজারবাইজনা সেনারা যুদ্ধে ব্যাপক সফলতা পায় এবং নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল পূনরুদ্ধার করে।