a মমতা জোর দিয়ে বললেন, প্রচুর আসন নিয়ে আমাদের জয় হবে
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মমতা জোর দিয়ে বললেন, প্রচুর আসন নিয়ে আমাদের জয় হবে


নাঈম: আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:০৬
মমতা জোর দিয়ে বললেন, প্রচুর আসন নিয়ে আমাদের জয় হবে

ফাইল ছবি

রাজ্যে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। এইবার পুরো রাজ্য তাঁকিয়ে আছে ২ মে’র দিকে। এদিকে শুক্রবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাদেরকে একাধিক পরামর্শ দিলেন তৃণমূল নেত্রী। 

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা দলীয় কর্মীদের বললেন, ‘ভোট গণনার শুরু থেকেই শেষ পর্যন্ত সেই কেন্দ্রে থাকতে হবে, কোনও অবস্থাতেই গণনাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে আসা যাবে না, টেবিল আঁকড়ে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে।’ ভোট গণনা কেন্দ্রে অন্য দলের কারও কাছ থেকে কোনও রকম খাবার না নেওয়ারও কথা বলেন তিনি। 

আজ শুক্রবার বেলা ৩ টার আগে কালীঘাটে শুরু হওয়া বৈঠকে সেই কথা মাথায় রেখেই দলীয় প্রার্থী ও এজেন্টদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘কোনও অবস্থাতেই গণনা কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না’। এদিনের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও বলেন, একাধিক সংবাদমাধ্যমের সাথে বোঝাপড়া হয়েছে গেরুয়া শিবিরের (BJP)। 

তাই ভোট গণনার শুরু থেকেই হয়ত এটা দেখা যাবে যে, বিজেপি এগিয়ে। মমতা বলেন,চিন্তার কোনও বিষয় নেই। দিনের শেষে তৃণমূলই জিতবে। তাঁর কথায়, ভোট গণনা কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়া মানে ময়দান ছেড়ে দেওয়া। মমতা জোর দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চিত যে আমাদের প্রচুর আসন আসবে।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হিজবুল্লাহ রাশিয়ায় প্রতিনিধি অফিস খুলবে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বুধবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:০৩
হিজবুল্লাহ রাশিয়ায় প্রতিনিধি অফিস খুলবে

ফাইল ছবি

লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ তাদের একটি প্রতিনিধিত্বমূলক অফিস রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে খুলবে। গত মাসে হিজবুল্লাহ একটি প্রতিনিধিদল এবং সেই সময় দু'পক্ষের বৈঠকটিতে বিষয়টি নিয়ে গভীর আলোকপাত করা হয়। 

গত বছর ১৫ মার্চ রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ হিজুবল্লাহর প্রতিনিধিদলকে মস্কোয় স্বাগত জানিয়েছিলেন। হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সংগঠনের শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য মোহাম্মাদ রা’দ। 

রাশিয়ার অনুরোধেই ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা যায় এবং হিজবুল্লাহর সঙ্গে আগে যে বৈঠক হয়েছিল তার চেয়ে এবারের বৈঠক তুলনামূলক তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। পাশাপাশি এর দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, হিজবুল্লাহ সংগঠনকে রুশ সরকার একটি স্বাধীন শক্তি হিসেবে ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন: বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৪৩
সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন: বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  এখনি সময় সংস্কার পন্থি সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগণকে একই ছাতার নিচে একত্রিত করে সংস্কার তথা পরিকল্পিত সংস্কারের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দবস্তু, সুপ্রতিষ্ঠিত করে নতুন বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা রাখা। "সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।  

বাংলাদেশ সংস্কার পার্টির উদ্যোগে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ, সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে, (তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল, ২য় তলায়) আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ডঃ দিলারা চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেঃ জেনারেল আমিনুল করিম (অব) বিশিষ্ট অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল (BUP) ঢাকা। উক্ত আলোচনা আনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মেজর আমীন আহমেদ আফসারী (অব), নির্বাহী সভাপতি বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি এবং আহ্বায়ক, জাতীয় সংস্কার জোট।

উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্ব, রাজনিতীবিদ, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি, সামাজিক সংগঠক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সামরিক ও বেসামরিক অবসরপ্রাপ্ত/সাবেক কর্মকর্তা, রাষ্ট্রচিন্তক ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরের বিজয়ের পর থেকে ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশর রাজনৈতিক, বৈশ্বিক সম্পর্ক, অর্থনীতি ও দেশ পরিচালনার সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা আমারা সবাই জানি। ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবী বিজয়ের পর রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উন্নয়ন না গণতন্ত্র! কতটুকু উন্নয়ন, কতটুকু গণতন্ত্র, উন্নয়ন আগে না গণতন্ত্র আগে? এ বিতর্ক আমরা স্বৈরতন্ত্রের কৌশল হিসেবে ৫ আগষ্টের পূর্ব পর্যন্ত শুনেছি।

৫ আগষ্টের পর শুনছি সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে? কতটুকু সংস্কার আর কবে নির্বাচন? ইত্যাদি বহুমুখী আলোচনায় আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও বিজয়ের নায়কদের আত্মদান ও শহীদের রক্তের অবদান কি ভুলতে বসেছি? ক্ষমতার মোহে আর আন্দোলনের কৃতিত্ব ভাগাভাগি করতে গিয়ে আমরা কি সংস্কার ও বিজয়ের ফসল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা ভুলতে বসেছি? আমরা কি পুনরায় আমরা আবার অন্ধকেরের দিকে ধাপিত হচ্ছি। এসব বিষয় নিয়েই হবে, আজকের আলোচনা।

বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি মনে করে - "সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন"। সংস্কার কি ও কেন? কে করবে সংস্কার? কত দিন হবে এর ব্যাপ্তি? কি হবে নেতৃত্বের গঠন এবং কর্মপন্থা সবই নির্ধারিত হবে, প্রকৃতি গণতান্ত্রিক পন্থায় আলোচনার মাধ্যমে।

আসুন দেশের কথা ভাবি। ভবিষ্যৎ পজন্মের জন্য রেখে যাই এক অভূত পূর্ব "নতুন বাংলাদেশ"। প্রস্তাবিত এই প্রকৃত সংস্কার আন্দোলনে আপনি ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সকলকে সাদর আমন্ত্রন জানাচ্ছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক