a
সংগৃহীত ছবি
চীনের প্রযুক্তির হুমকি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়াতে একটি বিল অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সিনেট। গতকাল মঙ্গলবার ৬৮-৩২ ভোটে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে বিলটি পাস হয়। খবর রয়টার্স।
মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে নানা বিষয়ে বিরোধ থাকলেও চীনের বিরুদ্ধে ‘হার্ড লাইন’ নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষই একমত।
বিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও গবেষণা জোরদার করার জন্য প্রায় ১৯০ বিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম উৎপাদন ও গবেষণায় খরচ করতে অতিরিক্ত আরও ৫৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিতেও এতে বলা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে পাঠানোর আগে বিলটিকে এখন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে পাস হতে হবে। অনুমোদনের পর, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে।
বিলে চীনের ‘প্রযুক্তি হুমকি’ মোকাবেলায় যেসব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে আছে, সরকারি ডিভাইসগুলোতে টিকটক অ্যাপ ডাউনলোড নিষিদ্ধ করা, চীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া কোম্পানির তৈরি বানানো ড্রোন ক্রয় না করা।
ফাইল ছবি
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শুক্রবার গভীররাতে একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লেগে ২৭ জন দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। পোড়া ভবন থেকে একে একে বের করে আনা হচ্ছে মৃতদেহ। শুত্রবার মধ্যরাতে আগুনে পোড়ার ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
দমকল বাহনিীর লোকজন অন্তত ৬০-৭০ জনকে উদ্ধার করেছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লাখ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।
মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের কাছে ওই ৪তলা বাড়িটিতে মূলত বিভিন্ন সংস্থার অফিস রয়েছে। দোতলায় রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও রাউটার নির্মাতা একটি সংস্থার অফিস।
শুক্রবার বিকাল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সেই অফিসেই প্রথম আগুন লাগে। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে ভবনটিতে। ভিতরে যারা ছিলেন, কিছু লোক বেরিয়ে আসেন। শনিবার সকালেও উদ্ধার কাজ অব্যাহত আছে।
সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কেউ দড়ি ধরে দেওয়াল বেয়ে নামছেন। কেউ আগুন থেকে বাঁচতে লাফ দিচ্ছেন।
নরেন্দ্র মোদি এক টুইটবার্তায় বলেছেন, ‘দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি অত্যন্ত দুঃখিত। শোকাহত পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’ সূত্র: যুগান্তর
সংগৃহীত ছবি: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের দলীয় প্রতীক
সম্প্রতি দেশের ১১ জন বিশিষ্ট নাগরিক হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে যে বিবৃতি দিয়েছেন তা ‘অমানবিক ও উস্কানিমূলক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
আজ বুধবার বিকেলে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, দেশপ্রেমিক ও ধর্মপ্রাণ প্রতিবাদী জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে একদল গণবিচ্ছিন্ন তথাকথিত বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতিকে আমরা অমানবিক, উস্কানিমূলক ও গণবিরোধী বলে আখ্যায়িত করছি। এই বিবৃতি স্বৈরতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদের নির্লজ্জ দালালির প্রমাণ বহন করে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের আহ্বানে দেশব্যাপী পালিত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও হরতালের কর্মসূচি চলাকালে প্রতিবাদকারী আলেম সমাজ, মাদ্রাসার ছাত্র ও ধর্মপ্রাণ মানুষদের ওপর বিনা উস্কানিতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালানোর পর তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে ওঠে।
পুলিশের গুলিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা না জানিয়ে তারা একতরফাভাবে প্রতিবাদী জনতার গণপ্রতিরোধকে তথাকথিত ‘তাণ্ডব’ আখ্যা দিয়ে গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এতই অন্ধ যে, আপনাদের বিবৃতিতে পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়া ১৭ জন নাগরিকের প্রতি কোনো ধরনের মানবিক সমবেদনা প্রকাশ করেননি। বরং আপনারা বিবেক-বুদ্ধি জলাঞ্জলি দিয়ে দালালির নজরানা পেশ করেছেন। প্রতিবাদী ধর্মপ্রাণ গণমানুষের ওপর ‘সর্বশক্তি প্রয়োগের' আহ্বান জানিয়ে প্রকারান্তরে ক্ষমতাসীনদের মানুষ হত্যার উৎসাহ দিয়েছেন।
এজন্য ভবিষ্যতে আপনাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।