a
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও স্বামী প্রিন্স ফিলিপ
ব্রিটেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ মারা গেছেন। আজ ৯ এপ্রিল, শুক্রবার সকালে তিনি রাজভবন উইন্ডসর ক্যাসেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে ‘ডিউক অব এডিনবার্গ’ খেতাবধারী এই যুবরাজের বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। খবর স্কাই নিউজ
এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ফিলিপকে। দীর্ঘ এক মাস চিকিৎসার পর হাসপাতাল ছাড়েন তিনি।
প্রিন্স ফিলিপ ও স্ত্রী ব্রিটিশ রানী এলিজাবেথ করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে লকডাউনের সময় ইংল্যান্ডের উইন্ডসর প্রাসাদেই ছিলেন। গত মার্চ মাসে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের দ্বারা করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন এই দম্পতি।
ফাইল ছবি
আবারও মার্কিন কংগ্রেসকে এড়িয়ে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন অব্যাহত রাখতে ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জো বাইডেনের প্রশাসন। অস্ত্র সরবরাহের আগে মার্কিন কংগ্রেসে পর্যালোচনার কথা থাকলেও তা মানছে না বাইডেন প্রশাসন।
চলতি ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে একবার মার্কিন সরকার কংগ্রেসকে উপেক্ষা করেই ইসরায়েলকে ট্যাংকের ১৪ হাজার গোলা দিয়েছে। তবে এ নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে তেমন কোনও হইচৈই হয়নি কারণ আমেরিকার ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাট ও বিরোধী রিপাবলিকান- দুই দলই ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সমর্থন দিয়ে আসছে। এমনকি মার্কিন নির্বাচনে ইহুদিবাদী লবি আইপ্যাকের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে এবং তাদেরকে উপেক্ষা করে কোন দলকে ক্ষমতা নিশ্চিত করা অনেকটা কঠিন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন শুক্রবার দ্রুততার সাথে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দেন।
গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ২১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি নারী ও শিশু। অথচ মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা আমেরিকা নগ্নভাবে ইসরায়েলকে অস্ত্র এবং অন্য সামরিক সাহায্য দিয়ে চলেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, দ্রুত ইসরায়েলকে ট্যাংকের ১৫৫ মিলিমিটারের গোলা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন কংগ্রেসকে উপেক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গাজায় বেসামরিক লোকজন হত্যা করার বিষয়ে বারবার আমেরিকা ইসরায়েলকে সতর্ক করছে বলে দাবি করলেও সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যা কমেনি। উপরন্তু মার্কিন সরকার ইসরায়েলকে কামানের গোলা এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে যুদ্ধের ময়দানে এদেরকে উসকেই দিচ্ছে। সূত্র: দ্য স্টেটসম্যান, আনাদোলু এজেন্সি, টাইমস অব ইসরায়েল
গত রোববার (২৮ জুলাই) রাতে ডিবি হেফাজতে থেকেই কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক।
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ছয় সমন্বয়ক হলেন- মো. নাহিদ ইসলাম, মো. সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. আবু বাকের মজুমদার, আসিফ মাহমুদ ও নুসরাত তাবাসসুম।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) তাদেরকে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামের বাবা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শুক্র ও শনিবার (২৬,২৭ জুলাই) কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়।
পরে রোববার (২৮ জুলাই) রাতে ডিবি হেফাজতে থেকে কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ৬ সমন্বয়ক।
বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। সর্বশেষে তাদের মুক্তির বিষয়টি নিয়ে রিট করা হয় আদালতে। যদিও আদালতে বিচারক অসুস্থ থাকায় এখনো পূর্ণাঙ্গ শুনানী ও রায় প্রদান করা হয়নি।
এদিকে আজ দুপুর আড়াইটায় ৬ সমন্বয়কারী ও সকল শিক্ষার্থীর মুক্তি চেয়ে ডিবি কার্যালয়ের সামনে মানব বন্ধন করার ঘোষণা দিয়েছিল বিক্ষুব্ধ নাগরিক এবং শিক্ষকসমাজ। সূত্র: যুগান্তর