a রাশিয়া সমুদ্রপথ অবরোধ করেছে: ইউক্রেন
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২ মাঘ ১৪৩২, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রাশিয়া সমুদ্রপথ অবরোধ করেছে: ইউক্রেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১১ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৭:৪২
রাশিয়া সমুদ্রপথ অবরোধ করেছে: ইউক্রেন

ফাইল ছবি

ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে আগামী সপ্তাহে নৌ মহড়ার প্রস্তুতি নেওয়া অংশ হিসেবে রাশিয়া সমুদ্রে তার প্রবেশের পথ অবরোধ করে রেখেছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা বলেন, আজভ সাগর সম্পূর্ণ অবরোধ করে রাখা হয়েছে এবং কৃষ্ণ সাগরে প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। খবর বিবিসির।

খবরে আরো বলা হয়, রাশিয়ার নৌ মহড়া কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে। ইতোমধ্যে দেশটি উপকূল এলাকায় সতর্কতা জারি করে বলেছে, এ মহড়ায় ক্ষেপণাস্ত্র ও গুলি ছোড়ার অনুশীলন করা হবে।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, বিশাল এলাকাজুড়ে মহড়ার আয়োজন করা হচ্ছে, যা নজির বিহীন। এতে উভয় সাগরেই জাহাজ চলাচল অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অপরদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ টুইটারে লেখেন, দুটি সাগরের আন্তর্জাতিক পানিসীমা রাশিয়া অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

এক টুইটে ইউক্রেনের মার্কিন দূতাবাস বলেছে, রাশিয়া কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরে সামরিক মহড়ার অজুহাতে ইউক্রেনের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব ও জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা সীমিত করে তাদের অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য জাহাজ চলাচলে বাধা দিয়েছে।

এদিকে প্রতিবেশী বেলারুশের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া। বেলারুশ রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ইউক্রেনের সঙ্গে যার বিশাল সীমান্ত। এসব মহড়ার বিষয়ে ফ্রান্স বলছে, এটি ‘হিংসাত্মক অঙ্গভঙ্গি’। অপরদিকে ইউক্রেন বলছে, এটি ‘মানসিক চাপ’ তৈরি করছে।

এদিকে রাশিয়ার হামলার আশঙ্কায় ইউক্রেনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলছেন, কয়েক দশকের মধ্যে ইউরোপ বৃহত্তম নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে।

রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেওয়ার পর থেকেই কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যে রাশিয়া ইউক্রেনের তিনটি জাহাজ আটক করেছে। ইউক্রেনের সীমান্তে রাশিয়ার প্রায় এক লাখ সেনা সমাবেশের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ আশঙ্কা করছে, মস্কো হয়তো কিয়েভে হামলা চালাতে পারে।

যদিও রাশিয়া ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। কিন্তু দেশটি ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

লিবিয়ার পথে তুর্কি সেনারা: গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি। আমেরিকা নিরব!


খোরশেদ আলম:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ০৮:৪৯
লিবিয়ার পথে তুর্কি সেনারা: গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি। আমেরিকা নিরব

ফাইল ছবি । ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কাসেম সোলেমানী

তুর্কি পার্লামেন্ট ২ জানুয়ারি লিবিয়ায় সৈন্য মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়ায় ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার টিকিয়ে রাখার লক্ষে তুর্কি সেনারা লিবিয়ার পথে রওয়ানা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। খবর এএফপি’র। 

ন্যাটো সমর্থিত আন্দোলনে ২০১১ সালে স্বৈরশাসক মোয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর থেকেই লিবিয়ায় বর্তমানে বিশৃংখলা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশটির পূর্ব ও পশ্চিমের প্রশাসন একক ক্ষমতা গ্রহণ করতে লড়াই চালিয়ে আসছে। 

বর্তমানে ফয়েজ আল-সরাজের নেতৃত্বে ত্রিপোলি সরকার ক্ষমতা চালিয়ে আসলেও এপ্রিল মাস হতে সামরিকভাবে শক্তিশালী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতার বাহিনীর ব্যাপক আক্রমণে শিকার হয়ে আসছেন। এদিকে তুরস্কের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ সৌদি আরব, মিশর, সংযোগ আমিরাত সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে খলিফার হাফতার বাহিনীকে সহযোগিতা করায় লিবিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রাণহানি ঘটছে।

প্রেসিডেন্ট এরদোগানের দাবি, ত্রিপোলির পক্ষ থেকে সাহায্য চাওয়ায় লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত ন্যাশনাল অ্যাকর্ড সরকারের স্থিতিশীলতা আনতে সামরিক সহায়তা দিতে তাদের এ পদক্ষেপ। 

অপরদিকে তুর্কি সেনা মোতায়েনের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি জানিয়েছে গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইসরাইল। প্রথমদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তুর্কি সেনা মোতায়েনের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানালেও ৩ জানুয়ারি শুক্রবার বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন হামলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশের পর থেকে নিজেকে ও নিজের দেশকে রক্ষায় বর্তমানে সবচেয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকায় তুর্কি সৈন্য লিবিয়ায় মোতায়েনের ব্যাপারে ঐ তিন দেশের সাথে আর কোন উচ্চবাচ্য করছেননা। 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণ গ্রামের অসৎ মাতব্বরের সেই দুষ্টু ছেলেটির ন্যায়। যে পাশের ঘরে আগুন লাগিয়ে মাঁচার নীচে লুকিয়ে থাকার মতো। পাশের ঘর আগুন লাগালে সেই আগুন যে নিজের ঘরে লাগবেনা তা হলফ করে বলা যাবেনা। বর্তমানে ট্রাম্প ও তার প্রশাসন ইরানের জেনারেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে শক্তি, সাহস ও নৈতিকতা সব থেকে নিজেকে আড়াল করতে বাধ্য হচ্ছেন। যেমন- লিবিয়ায় তুর্কি সেনারা অবস্থান নেওয়ায়, গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইসরায়েলে হুশিয়ারি দিলেও আমেরিকা একেবারে নিরব। 

অপরদিকে মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরাক ত্যাগের নির্দেশের পাশাপাশি কাশেম সোলামানিকে হত্যার পর পরই ভারত মহাসাগরে ও ওমান উপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করে ইরান, চীন ও রাশিয়া। 

ইরাকের পার্লামেন্টে বিল পাস হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে তার সৈন্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে। বিপরীতে ট্রাম্প ইরাককে অবরোধের হুমকি দিলেও জার্মানীর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা খুব একটা সহায়ক হবেনা। তিনি আরো উল্লেখ করেন, এই মুহুর্তে যুুক্তি বাদ দিয়ে হুমকি প্রদান করে কোন কাজ হবেনা।

এই মূহুর্তে ইঙ্গো-মার্কিন বলয়ের দেশগুলো বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরাট হুমকির মধ্যে থাকলেও মার্কিনীদের সহযোগিতা আগের মতো আশা করা দূরুহ। ফলে উভয় সংকটের মাঝে তাদের বর্তমান অবস্থান পরিস্কার করাও খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। 

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের মাঝেই ভারতের নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পকে ফোন করেছেন। যদিও বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন মোদি। পাকিস্তানও সতর্কতার সহিত তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। সৌদি আরব ও ওমান কাসেম সোলেমানিরক নিহতের ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে। 

এদিকে মালয়েশিার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মাহাথী ব্যতিক্রমধর্মী মন্তব্য করেছেন। তিনি সোলাইমানি হত্যাকে সৌদির সাংবাদিক খাসোগীর হত্যার মতোই বে-আইনী আখ্যা দিয়েছেন এবং সারা বিশ্বের মুসলমানকে এখন এক জোট হবার আহ্বান জানিয়েছেন। 

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, ইরানের কুদস ফোর্সের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যাকান্ডকে বিনা জবাবে ছেড়ে দেযা ঠিক হবেননা। ইরানের চারপাশে রয়েছে অজস্র মার্কিন লক্ষ্যবস্তু। ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, সৌদি আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে স্থাপিত যে কোন মার্কিন স্থাপনায়, সৈন্য, বিশেজ্ঞগণ ইরানের সহজ নিশানায়। 

এসব দেশে ইরান হুকুম না দিলেও সেখানে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভয়ানক হুমকি হিসেবেই কাজ করবে। ভীত সন্ত্রস্ত ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে নিরাপত্তা হুমকি মনে করে গ্রিস সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরে যান। উত্তর কোরিয়া, চীন, রাশিয়াসহ মার্কিনবিরোধী দেশগুলো তাদের অমীমাংসিত অ্যাসাইনমেন্টগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করলেও পূর্বের ন্যায় অপরাধী বা অপবাদী খ্যাত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতা করার সুযোগ কমই থাকবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। 

তারা আরও বলেন, লিবিয়ায় তুর্কি সেনাদের মোতায়েনে বর্তমানে আমেরিকার নিরবতা সেটাই প্রমাণ করে এবং অদূর ভবিষ্যতে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়তে পারে বিশ্বের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সামরিকসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসসূহ। 

খোরশেদ আলম: কলাম লেখক ও বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকানিউজ২৪/প্রকাশ: জানুয়ারি ৭, ২০২০

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৪৩
খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ছে

ফাইল ছবি

দুর্নীতির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের দুই শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়াচ্ছে সরকার। এ সংক্রান্ত আবেদনে মত দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী বলেন, আগের বাড়ানো মেয়াদ আগামী সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখ শেষ হবে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে একই শর্তে মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আগের শর্তে (বিদেশে যাওয়া যাবে না এবং দেশে চিকিৎসা নিতে হবে) তার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর জন্য মতামত দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সরকারের নির্বাহী আদেশে ৮ম বারের মতো দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক