a
ফাইল ছবি
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সরকারি ভবনে আলমারির দরজা খুলতেই চোখে পড়ল সিঁড়ি। ধাপে ধাপে সেই সিঁড়ি নেমে গেছে অনেক নিচে। সিঁড়ি ধরে নামলে থেমে যেতে হবে এক লোহার দরজার সামনে। সম্ভবত ওই দরজার ওপারে রয়েছে সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়েই কি তবে পালিয়ে গিয়েছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে?
শনিবার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে ঢুকে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। দাবি, পদত্যাগ করতে হবে গোতাবায়াকে। তার পর থেকেই প্রেসিডেন্টের বাসভবন তছনছ করছেন বিক্ষোভকারীরা। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, কখনো সুইমিং পুলে স্নান করছেন তারা। কখনো সরকারি ভবনের রান্নাঘরে খাওয়া-দাওয়া করছেন। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গেল, প্রেসিডেন্টের পালঙ্কে শুয়ে রয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তুলছেন ছবিও।
সরকারি বাসভবন খানাতল্লাশির সময়ই বিক্ষোভকারীরা খুলে ফেলেন নকল ওই আলমারির দরজা। তার পরেই তাদের চোখে পড়ে সেই সিঁড়ি। শনিবার দুপুরে প্রেসিডেন্টের বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের জোর করে ঢুকে পড়ার কিছুক্ষণ আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান গোতাবায়া। মনে করা হচ্ছে, ওই সুড়ঙ্গ দিয়েই পালিয়ে গিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের ব্যক্তিগত বাড়িতেও আগুন দেন বিক্ষোভকারীরা। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কুখ্যাত ইউনিট নেতজাহ ইয়েহুদা। ইহুদিবাদী এই বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েল বলছে, তাদের সেনাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।
এদিকে, নিষেধাজ্ঞার এই মার্কিন পরিকল্পনা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেছেন, আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত হবে না। আমাদের সৈন্যরা সন্ত্রাসী দানবদের সঙ্গে লড়াই করছে।
ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচও মার্কিন পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। গভির বলেন, আমাদের সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা মানে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল।
ঢাকা-কাঠমান্ডু চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ঢাকা ও কাঠমান্ডু পর্যটন, স্যানিটেশন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও রেলওয়ে সংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
বঙ্গভবনে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর সোমবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারী।
সমঝোতা স্মারকগুলো হলো-বাংলাদেশের পক্ষে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন এবং নেপালের সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব যাদব প্রসাদ কৈরালা যৌথভাবে স্বাক্ষরিত পর্যটন সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মেসবাউল ইসলাম এবং নেপালের শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) সহযোগিতা জোরদার করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সচিব বদরুল আরেফিন ও নেপারের সংস্কৃতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব যাদব প্রসাদ কৈরালা স্বাক্ষরিত ২০২২-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন এবং নেপাল সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব দীনেশ ভট্টাচার্য তাদের নিজ নিজ দেশের পক্ষে রোহানপুর-সিগবাদ রেলওয়ে রুট সংস্কার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।
এ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এবং নেপালের প্রেসিডেন্টের কন্যা ঊষা কিরণ ভান্ডারি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গায়াওয়ালি প্রমুখ।