a
ফাইল ছবি
রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র রুশভীতি ষড়যন্ত্র জারি রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, পূর্বের সুপারপাওয়ার ধরে রাখার সক্ষমতা রাশিয়ার আছে।
দিমিত্রি মেদভেদেভ ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান তিনি রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপ সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।
ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিরক্তিকর ‘রুশভীতি’ পুঞ্জীভূত করে রেখেছে। রাশিয়া যেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়, এজন্য তারা এমনভাব করছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সেই আশা কখনো পূরণ হবে না। শত্রুকে জায়গামতো রাখার শক্তি রাশিয়ার আছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়ার নেতা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীদের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়াকে ‘বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্নের হুঁশিয়ারি দিয়েছে’।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, পশ্চিমাদের সঙ্গে মস্কোর কূটনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজন নেই। মেদভেদেভ আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের ঠিক করে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনে মস্কো আক্রমণ চালিয়ে যাবে। সূত্র: রয়টার্স
ফাইল ছবি
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)কে নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র আঁকা সেই সুইডিশ কার্টুনিস্ট লার্স ভিকস সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। সিভিলিয়ান পুলিশের একটি গাড়িতে সফর করার সময় সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মার্কারিড শহরের কাছে একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় দু’জন পুলিশ অফিসারও নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ট্রাকচালক। খবর বিবিসি অনলাইনের।
রবিবারের ওই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি পুলিশ। তবে ডাগেন্স নাইহেটার খবরের কাগজ জানিয়েছে, লার্স ভিকসের পার্টনার তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা পরিষ্কার নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এতে কেউ ইচ্ছাকৃত জড়িত নয়।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে সে মহানবী (স.)-এর যে ব্যাঙ্গবিত্র এঁকেছিল, তা এক বছর পর ডেনমার্কের একটি খবরের কাগজ প্রকাশ করে।
মহানবী (স.)-এর ব্যাঙ্গচিত্র আঁকার পর সারা বিশ্ব থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানান মুসলিম উম্মাহ। তখন থেকেই পুলিশি নিরাপত্তায় চলাচল করতো ৭৫ বছর বয়সী লার্স ভিকস।
ফাইল ছবি
ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে নির্বাচনি পরিবেশ অনুসন্ধান মিশনের (ইইএম) সদস্যরা সফরের প্রথম দিন দেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে বিদ্যমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করার মাধ্যমে একটি ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন।
প্রতিনিধিদলের নেতা চেলেরি রিকার্ডো এবং তার দলের সদস্যরা রোববার ঢাকায় অবস্থানরত কূটনীতিকদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন। আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউরোপীয় দেশগুলোর কূটনীতিকরা।
কূটনৈতিক সূত্র জানা গেছে, সফরকারী প্রতিনিধিদল জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গুয়েন লুইসের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির বাসভবনসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকের বিষয়ে কূটনীতিকগণ কোন মন্তব্য করেননি।
রিকার্ডোর নির্বাচনি ক্ষেত্রে ব্যাপক পেশাদার অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচনি প্রক্রিয়াগুলোতে পর্যবেক্ষণ, তত্ত্বাবধান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা কভার করে থাকে।
দেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে প্রতিনিধি দলটি ২৩ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি বিভাগের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ রফিকুল আলম সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এই মিশনের কাজ হবে মূল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের পরিধি, পরিকল্পনা, বাজেট, সরবরাহ ও নিরাপত্তা মূল্যায়ন করা।
ঢাকায় ইইউ প্রতিনিধিদল জানিয়েছে, তদন্ত মিশনের বাংলাদেশে অবস্থানকালে তারা সরকারি প্রতিনিধি, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এদিকে পরিস্থিতি মূল্যায়ন কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দল (ইওএম) পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
ঢাকায় ইইউ মিশনের তথ্যানুসারে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইওএম) ‘পরামর্শ যোগ্যতা, উপযোগিতা এবং সম্ভাব্যতা’ মূল্যায়ন করাই (ইইএম)-এর মূল উদ্দেশ্য। সূত্র: যুগান্তর