a
ফাইল ছবি
দখলদার ইসরায়েলের 'রামুন' বিমানবন্দরে আইয়াশ-২৫০ নামে মধ্য পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বারা ইসরায়েলের সকল স্থানে হামলা চালানোর সক্ষম বলে জানিয়েছে হামাস।
হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবায়দা জানান, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের রামুন বিমানবন্দরে মধ্য পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র 'আইয়াশ' এর সাহায্যে হামলা চালানো হয়েছে। গাজা থেকে বিমানবন্দরটির দূরত্ব ২২০ কিলোমিটার, আর ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে আঘাতটি করা হয়। ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আইরন ডোম ক্ষেপনাস্ত্রটিকে ঠেকাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলের যে কোনো স্থানে হামলা করতে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটি হামাসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা শহীদ ইয়াহিয়া আইয়াশের নামে নাম দেয়া হয়েছে। তিনি ১৯৯৬ সালের ৫ জানুয়ারি শিনবেত এলাকায় ইসরায়েলের হামলায় শহীদ হন। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিওভেন রিভলিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন মন্ত্রীসভা।
এর আগে গতকাল রবিবার রাতে ইসরায়েলি আইনপরিষদ নেসেটের অধিবেশনের আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য লাপিদ-বেনেতের জোট সরকারের প্রতি সমর্থন দেয়। এর ফলে দেশটির দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটে। ২০০৯ থেকে টানা ১২ বছরসহ মোট ১৫ বছর তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আস্থাভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই জোট সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা নেসেটে তাৎক্ষণিকভাবে শপথ নেন। আগের সমঝোতা অনুযায়ী চার বছর মেয়াদের সরকারের প্রথম দফায় দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন নাফতালি বেনেত। ২০২৩ সালে শেষ দুই বছরের জন্য ইসরায়েলের নেতৃত্বের দায়িত্ব বেনেতের কাছ থেকে গ্রহণ করবেন ইয়ায়ির লাপিদ।
এদিকে আজ সোমবার কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই বেনেতের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রবিবার রাতেই এ বিষয়ে নাফতালি বেনেতকে বার্তা দেওয়ার কথা জানায় নেতানিয়াহুর দপ্তর।
ইয়ায়ির লাপিদের ইয়েশ আতিদ ও নাফতালি বেনেতের ইয়ামিনা দল ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজের মধ্যপন্থী ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট, অ্যাভিগদর লিবারমানের রক্ষণশীল ইসরায়েল বেইতেইনু, মিরেভ মিশেইলির নেতৃত্বের মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি, গিদন সারের নেতৃত্বের মধ্য-ডানপন্থী নিউ হোপ পার্টি, নিৎজান হরোউৎজের বামপন্থী মেরেৎজ ও মানসুর আব্বাসের নেতৃত্বের আরব-ইসরায়েলিদের রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড আরব লিস্ট এই জোটে রয়েছে।
ফাইল ছবি
রোজা রাখলে করোনার ঝুঁকি বেড়ে যায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির গবেষকরা বলছেন, রোজা রাখার মাধ্যমে কেউ করোনার বিস্তার ঘটায় না। সুস্থ মানুষের জন্য রোজা রাখা নিরাপদ।
করোনাকালে রোজা শুরু হওয়ায় আগে জারি করা এক নির্দেশিকায় এসব কথা জানান ডব্লিউএইচওর বিশেষজ্ঞরা।
ডব্লিউএইচও আরও বলেছে, রোজা রাখার ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এমন কোনো প্রমাণ নেই। যারা দীর্ঘ সময় ধরে করোনায় ভুগছেন তারাও রোজা রাখতে পারবেন। রোজা রাখা অবস্থায় তাদের উপসর্গ যদি গুরুতর আকার ধারণ করে, তাহলে তারা চিকিত্সকের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী রোজা ভাঙতে পারেন।
৭ এপ্রিল জারি করা ওই বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়, দুঃখের বিষয় যে, চলতি বছর করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। আমরা করোনায় অনেক মানুষকে হারিয়েছি। আরও অনেকে সংক্রমিত হচ্ছে। করোনা মহামারি এখন একটি বাস্তব হুমকি। তাই, এই রমজানে আমাদের আরও সচেতন থাকা জরুরি।