a
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসের কারনে যখন হিমসিম খাচ্ছে ভারত তখনি বিশ্বের সর্বোচ্চ টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট প্রধানের ভারত ছাড়া চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা টাইমস।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আগারওয়াল জানান, টিকার জন্য ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা এবং তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বড় বড় ব্যবসায়ীরা তাকে ফোন করেছেন। টিকার জন্য তাকে একরকম হুমকিই দিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমানে ব্রিটেনে অবস্থান করছেন আদর পুনেওয়ালা। লন্ডনে আরও কয়েকদিন থাকবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এই রকম চাপের মুখে তিনি পড়তে চান না। টিকা নিয়ে সবকিছুর চাপ তিনি একা বহন করতে নারাজ।
তবে সামাজিকযোগাযোগধ্যমে গুঞ্জন উঠেছে হুমকি পেয়েই ভারত ছেড়েছেন ভারতের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের এ কর্মকর্তা।
আদর পুনেওয়ালার বিশেষ নিরাপত্তার জন্য এরইমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার নিরাপত্তায় জন্য ১১ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। দেশের যে কোনো প্রান্তে এই নিরাপত্তা পাবেন আদর পুনেওয়ালা বলে নিশ্চিত করেছে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
ফাইল ছবি
অধিকৃত ফিলিস্তিনের পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির এবং অন্যান্য অংশ থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করায় ব্যাপক ধরপাকড় চালাচ্ছে ইসরায়েলি পুলিশ।
জেরুজালেমে বিক্ষোভের সময় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে চলে আসা সংঘর্ষে শত শত ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
এর আগে শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির এবং অন্যান্য অংশ থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদের উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে সুইজারল্যান্ড। ইসরায়েলের এসব পদক্ষেপকে নিন্দা করেছে দেশটি।
সোমবার সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এই নিন্দা জানায়। তবে সব পক্ষকে এই স্পর্শকাতর' সময়ে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানানো হয়।
আদালতকে ব্যবহার করে ইসরায়েল সরকার শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবিরের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদ এবং তাদের ঘর-বাড়ি ধ্বংস করছে। সেখানে নতুন একটি ইহুদি বসতি স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়ে এসব ধ্বংসাত্বক কাজ করছে তেল আবিব।
গত কয়েকদিনে ইসরায়েলি সেনা ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারী ইহুদিরা ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে জোর করে বের কের দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং এ নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে।
ইতিমধ্যে, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বচিত হামলায় বহু ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন এবং অনেককে আটক করা হয়েছে। শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ইসরায়েল এই পরিকল্পনা বন্ধ না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে।
ফাইল ছবি
পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখলের জন্য তীব্র যুদ্ধ চলছে, শহরটির ৭০ শতাংশ বেশি এলাকা এখন রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে; তারা ইতোমধ্যেই শহরটির কেন্দ্রস্থল থেকে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের তাড়িয়ে দিয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক অভিমুখী সব সেতু ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর সেরহাই গাইদাই। খবর বিবিসির।
গাইদাই বলেন, শহরটি কার্যকরভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় লড়াই চলতে থাকা শহরটিতে রসদ সরবরাহ এবং বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেভেরোদোনেৎস্ক শহর দখল রাশিয়ার অন্যতম সামরিক লক্ষ্য বস্তু পরিণত হয়েছে। সেভেরোদোনেৎস্ক এবং কাছে লিসিচানস্ক শহরের নিয়ন্ত্রণ পেলে মস্কো পুরো লুহানস্ক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে। এই অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
টেলিগ্রাম পোস্টে গাইদাই জানান, সেভেরোদোনেৎস্কের তিনটি সেতুই ধ্বংস হয়ে গেছে। এই শহরে যেসব বাসিন্দারা থেকে গেছেন তারা কঠিন পরিস্থিতির মাঝে দিনাতিপাত করছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শহরটির জন্য মানুষের যে মূল্য দিতে হয়েছে তা ‘ভয়াবহ’। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা প্রতি মিটারের জন্য লড়াই করতে রুশ বাহিনীকে বাধ্য করেছে।
এদিকে, রুশপন্থী স্বঘোষিত দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের এক সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, শহরটিতে থেকে যাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের অবশ্যই ‘আত্মসমর্পণ করতে হবে নয়তো মরতে হবে’। সূত্র: আমাদের সময়