a
ফাইল ছবি
দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাবদাহের কারণে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং আইনজীবীদের কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার বাধ্যবাধকতা নেই।
সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো: গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপদাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে বিচারক ও আইনজীবীদের ড্রেসকোড বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং আইনজীবীদের পরিধেয় পোষাক-সংক্রান্ত সুপ্রিমকোর্টের ২০২৩ সালের সিদ্ধান্ত পুনর্বহাল করা হয়।
সিদ্ধান্ত হয়, তীব্র তাবদাহের কারণে বিচারক এবং আইনজীবীরা ক্ষেত্রমতে সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার বাধ্যবাধকতা নেই। এই নির্দেশনা সুপ্রিমকোর্ট এবং দেশের সকল অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত ও ট্রাইব্যুনালে সোমবার থেকে কার্যকর হয়।
পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র : বাসস
ফাইল ছবি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ প্রতিষ্ঠানটির চার পরিচালকের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে শ্রম আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীরীরা।
রোববার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। এ সময় ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।
চলতি বছরের ৬ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চারজনের নামে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা। আদালতের আদেশটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৩ জুলাই শ্রম আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। রুলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
পরে গত ৭ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় অভিযোগ গঠন কেন বাতিল করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ড. ইউনূস। শুনানি শেষে এ বিষয়ে রায়ের জন্য রোববার (২০ আগস্ট) দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-২)।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বসিলার ওই বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে র্যাব।
র্যাব সদরদপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, র্যাবের কাছে গোপন সংবাদ রয়েছে জঙ্গি আস্তানার বিষয়ে। তাই ভোর থেকে বসিলার জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ওই বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। ওই বাড়িতে র্যাবের অভিযান চলছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে শনিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জঙ্গিদের তৎপরতা ও ব্রহ্মপুত্র নদে একটি নৌকায় জঙ্গিদের অবস্থানের কথা জানতে পেরে র্যাব-১৪’র একটি দল ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকায় অভিযান চালালে র্যাবের সঙ্গে গুলিবিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়।