a সুনামগঞ্জে মাদকদ্রব্য ও পাথর পাচারকালে নৌকাসহ আটক
ঢাকা রবিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

সুনামগঞ্জে মাদকদ্রব্য ও পাথর পাচারকালে নৌকাসহ আটক


সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১, ১০:০৩
সুনামগঞ্জে মাদকদ্রব্য ও পাথর পাচারকালে নৌকাসহ আটক

ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় জমজমাট হয়ে উঠেছে চোরাচালান বাণিজ্য। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবাধে কয়লা, পাথর, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, কাঠ, চাল ও অস্ত্র পাচাঁর করছে। তারপরও সোর্সদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- প্রতিদিনির মতো আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকালে জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ডলুরা সীমান্তের ধোপাজান-চলতি নদী দিয়ে ভারত থেকে নৌকা বোঝাই করে পাথর ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে চোরাচালানীরা। এই খবর পেয়ে দুপুরে বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৫ ঘনফুট পাথরসহ ১টি বারকি নৌকা জব্দ করে।
 
এর আগে মাছিমপুর সীমান্ত থেকে ১০ বোতল ও চিনাকান্দি সীমান্ত থেকে ১১ বোতল ভারতীয় মদ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। কিন্তু চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

অন্যদিকে ভোরে ৫টায় তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের বাঁশতলা তেতুলগাঁও, লালঘাট ও বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা এলাকা দিয়ে সোর্স শফিকুল ইসলাম ভৈবর, রমজান মিয়া, খোকন মিয়া, শহিদুল্লাহ, বাবুল মিয়া ও ইয়াবা কালাম পৃথক ভাবে ভারত থেকে প্রায় ৫০ মে.টন কয়লা ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে। পরে ৩টি স্টিলের ইঞ্জিনের নৌকা বোঝাই করে প্রায় ১৮ মে.টন কয়লাসহ মদ, গাঁজা ও ইয়াবাসহ বরশির চিপ পাচার করে ওপেন নিয়ে যায়। আর বাকি মালামাল সীমান্তের বিভিন্ন বাড়িঘরের ভিতর ও তার আশেপাশে পানিতে লুকিয়ে রাখে।
 
পাচারকৃত প্রতি নৌকা (৬ মে.টন) কয়লা জন্য ৫ হাজার টাকা চাঁদা নেয় বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী শফিকুল ইসলাম ভৈরব, রমজান মিয়া ও ইয়াবা কালাম। সোর্সরা দপটের সাথে প্রতিদিন এভাবেই ওপেন কয়লা ও মাদকদ্রব্য পাচার করে। কিন্তু বিজিবি এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয় না বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক তসলিম এহসান সাংবাদিকদের বলেন- জব্দকৃত মদ ও পাথরসহ নৌকা শুল্ক কার্যালয়ে জমা করার প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকার প্রবেশ পথে ব্যাপক তল্লাশি করছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ১১:১৯
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকার প্রবেশ পথে ব্যাপক তল্লাশি করছে

ফাইল ছবি

আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকার প্রবেশ পথে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একইসঙ্গে অনলাইনেও সতর্ক রয়েছেন বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া সড়ক-মহাসড়কে বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশের মৌচাক এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত কারো আচরণ ও গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলেই তাকে তল্লাশি করছে পুলিশ। মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তারা প্রাইভেট কার, সিএনজি, মোটরসাইকেল, রিকশাসহ দূরপাল্লার বাসগুলোকে থামিয়ে তল্লাশি করছে পুলিশ। দূর থেকে আশা যাত্রীদের করা হচ্ছে নানা প্রশ্ন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, কেউ যেন মহাসড়কে নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আমাদের এই তল্লাশি অভিযান চলছে। গাড়ি ভাঙচুর বা আগুন দেওয়ার মতো নাশকতা যেন কেউ না ঘটাতে পারে সেজন্য আমরা চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছি। আমাদের এ তল্লাশি চলতে থাকবে।

গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এবং শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় পুলিশ প্রতিটি গাড়ি ও যাত্রীদের তল্লাশি করছে। গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতেও পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব যানবাহন কালিয়াকৈর হয়ে এবং ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের যানবাহন শ্রীপুরের জৈনাবাজার দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। চেকপোস্টে থাকা পুলিশ সদস্যরা সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল, পিকআপ, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক গতিরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করছে। যাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ, বস্তা, মোবাইল ফোন চেক করছে। এতে যাত্রী ও চালকরা অনেকেই অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর অঞ্চলের যাত্রীবাহী বাসগুলো থামিয়ে বাসের ভেতর ও পরিবহণ চালকদের কাগজপত্র তল্লাশি করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকামুখী পরিবহণে এসব তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে। সূত্র: যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৬ মে, ২০২৫, ০৬:১৫
অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি

ছবি সংগৃহীত

অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি যেখান থেকে আমি অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারতাম, এই ধরনের মন্তব্য অনেকেরই। কেন আমি কানাডায় চলে এসেছি তার অনেক কারণ রয়েছে। একটি উন্নত দেশে আসার জন্য সবারই স্বপ্ন থাকে। প্রায় প্রত্যেকটি বাবা-মা ই চান সন্তানকে বিদেশে পাঠাতে সেটা উচ্চশিক্ষার জন্যেই হোক বা চাকরি র কারণেই হোক অথবা সুন্দর এবং নিরাপদ একটি দেশে বসবাস করার জন্যে ই হোক। আর কানাডার মত একটি সশৃংখল নিরাপদ দেশে আসা তো প্রায় সবারই স্বপ্ন থাকে। আমিও সেই স্বপ্নের বহির্ভূত নই। তারপরও শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে বাংলাদেশকে আরো অনেক কিছুই দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। তবে আমার ১২ বছরের শিক্ষকতার জীবনে অনেক ছাত্র গড়েছি। আলহামদুলিল্লাহ। আমার সর্বশেষ পোস্টটিতে অনেকের মতোই খন্দকার মোস্তফা কামাল আমাকে একটি কমেন্ট করেছিলেন তার রিপ্লাই দিতে গিয়ে রিপ্লাই টা এত বড় হয় যে রিপ্লাই হিসেবে সেটিকে পোস্ট করতে পারছিলাম না। ৮০০ অক্ষরের বেশি হলে রিপ্লাই ফেইল্ড হয় তাই এখানে পোস্ট করলাম যাতে অন্যান্যরাও যারা ভাবেন আমি  শিক্ষকতা করে বাংলাদেশে আরো অবদান রাখতে পারতাম, কেন আমি কানাডায় চলে এসেছি? তাদের কৌতুহল মেটাতে আমার রিপ্লাই থেকে জেনে নিতে পারেন।

Khondker Mostafa Kamal আপনি বেশি বলে ফেলেননি তবে অনেক কিছু না জেনে আপনার মত করে আপনি বলে গেছেন, আপনার না জানারই কথা কারণ এগুলো আমার না বলা কিছু কথা, যার কারণে আপনার পক্ষে সবকিছু জানা সম্ভবও নয়। আসলে আমি সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে কর্মরত অবস্থায় যখন এমফিল করছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগে তখন পরপর দুবার বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য এপ্লাই করেছি। (সঙ্গত কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদে আবেদনের জন্য যে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন তা আমার ছিল। আমি এসএসসিতে স্টার মার্কস প্রাপ্ত এবং উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান এবং সম্মিলিত মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিলাম। অনার্স, মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাসসহ প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং এমফিল করেছি। আমার কিছু পাবলিকেশনও ছিল। ঐ সময়ে আমার চেয়েও কম যোগ্যতার মানুষকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, যেহেতু তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং রাজনৈতিক দলের বড় বড় ব্যক্তিত্বদের সাহায্য নিয়েছিল। আমার শ্বশুর এবং শাশুড়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। আমার শাশুড়ি ডক্টর সুলতানা বানু আমারই বিভাগের চেয়ারম্যান পদে নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু নীতিগত কারণে আমরা কোন রাজনৈতিক দলের সাহায্য নেইনি। আমাদের সময়ে দলীয় সাহায্য ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা সম্ভব ছিল না। এরপর আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করি এবং একইভাবে বঞ্চিত হই। এর দু বছর পর একটি সুনামধন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ এপ্লাই করি, সেখানেও একই অবস্থা। ওই সময়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের (আমি সঙ্গত কারণেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ভাইয়ের ছেলে আমার সঙ্গে একজন ক্যান্ডিডেট ছিলেন। আমার  ইন্টারভিউতে সিলেকশনের পর ডেমোনস্ট্রেশনও হয়ে গিয়েছিল। ডেমোনস্ট্রেশনের পর সিদ্ধান্ত হলো আমি এক সপ্তাহের ভেতরেই জয়েন করছি। আমার বেতন কত হবে, আমার ক'টা থেকে ক'টা পর্যন্ত সপ্তাহে কতদিন ক্লাস নিতে হবে, চিটাগংয়ের ব্রাঞ্চে জয়েন করলে দ্বিগুণ বেতন পাবো, আরো অনেক সুবিধা পাবো ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনাও হয়েছিল। তারপর এক সপ্তাহ, দু' সপ্তাহ হয়ে গেল জয়েনিং লেটার আসছিল না। খোঁজ নিয়ে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেল সিলেকশনের পুরো প্রক্রিয়াটাই বাতিল করে দেয়া হয়েছে। কারণ ওই চেয়ারম্যান দেশের বাইরে ছিলেন এবং তিনি দেশে ফিরে জানলেন তার ভাইয়ের ছেলেকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সে কারণে তিনি এই কাজটি করেছিলেন। 

এখানে আরেকটি কথা বলি, প্রথমবার যে বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করেছিলাম সেখানে  আমার বদলে যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তাদের ব্রেক অফ স্টাডি ছিল এবং শিক্ষক হিসেবে তারা অনেক দুর্নাম কুড়িয়েছে। যে ছেলেটিকে নেওয়া হয়েছিল (আমি এখানে নাম উল্লেখ করছি না) তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির কেস হয়েছিল কোন এক ছাত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জন্য। আর যে মেয়েটিকে নেয়া হয়েছিল সে আমারই সহপাঠী ছিল তার বিরুদ্ধেও ছাত্রী নির্যাতনের অনেক দুর্নাম রয়েছে। প্রশাসনিকভাবে তাকে চার্জশিট করা হয়েছিল কারণ সে একজন ছাত্রীকে সময় মত এসাইনমেন্ট জমা দেয়নি বলে মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে তালা বন্দী করে রেখেছিল। এই ধরনের শিক্ষককে  নিয়োগ দেয়া হয়েছিল অথচ আমি মেধার দিক থেকেও তাদের চেয়ে যথেষ্ট যোগ্য ছিলাম এবং সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে আমি শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মান অর্জন করেছিলাম। এখনো ছাত্রীরা আমাকে ভালোবাসে এবং আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

এবার বলুন যে দেশ মেধার মর্যাদা দেয় না, সম্মানী দেয় না সে দেশের কাছে কি আশা করতে পারি? কানাডায় বিদেশি কোম্পানি গুলোকে আমার মেধা এবং শ্রম দিয়েছি এবং তারা আমাকে সম্মানিত করেছে। হয়তো এখানকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হইনি। এর পেছনেও কারণ ছিল আমার হাজবেন্ডের ব্রেইন স্ট্রোক এবং আমার সন্তান অনেক ছোট ছিল যার জন্য আমি পড়াশোনা শুরু করেও ছয় মাস পর অনেক ভালো রেজাল্ট করা সত্ত্বেও স্থগিত করতে হয়েছিল এবং সংসারের পুরো দায়িত্বটা আমাকেই নিতে তে হয়েছিল। যার কারনে আমি ছোট ছোট কিছু কোর্স করে নিয়েছিলাম এবং সেই অনুযায়ী চাকরি করেছি, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা হলো না। কিন্তু আমি যে চাকরিগুলো করেছি সেগুলো অনেক সম্মানের সাথেই করেছি এবং আর্থিকভাবে ও সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এই দেশ যে কোনো শ্রমের মূল্য দেয়, সম্মান করে। আর শিক্ষকতার সঙ্গে একদমই যে নেই তা কিন্তু না। কানাডাতে আমি ডে কেআর এ শিক্ষকতা করেছি, এবং বর্তমানে এখানকার new Immigrants এর মধ্যে যারা ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না এবং কমিউনিকেশন করতে পারেনা তাদের ইংলিশ  ও লিশকমিউনিকেশন স্কিল টিচার হিসেবে কাজ করছি।
 এবার নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়েছে। 


ধন্যবাদ

আপনাদের জন্যে শুভকামনা

....ফেসবুক পাতা থেকে 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আইন