a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাচন ২ মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ অক্টোবর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ প্রদান করেন।
ভোটার তালিকায় নিজের নাম না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান ফেরদৌস ২৩ সেপ্টেম্বর রিটটি করেন। রিটে ভোটার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনা চান তিনি। হাসান ফেরদৌসের নাম ভোটার তালিকায় কেন অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে হাইকোর্ট। শ্রমসচিব ও শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি অংশগ্রহণ করেন আইনজীবী তীর্থ সলিল পাল ও নূরুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।
ফাইল ছবি
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায় বিচারক ও আইনজীবীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশনায় বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টসহ অধস্তন আদালতের বিচারক ও আইনজীবীরা কালো কোট এবং গাউনের পরিবর্তে সাদা ড্রেস ও নেক ব্যান্ড, কালো টাই পরবেন। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিবর্তিত এ পরিস্থিতিতে বিচারক এবং আইনজীবীদের সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ী/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন।
এ ক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার প্রয়োজনীয়তা নেই। এই নির্দেশনা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এবং দেশের সকল অধস্তন আদালতে অবিলম্বে কার্যকর হবে।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করা, গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
ডা.জাফর উল্লাহ চৌধুরী
চারিদিকে হতাশা ও দুঃসংবাদের মধ্য একটা ভাল ও পজেটিভ খবর নিয়ে আসলো, ড.জাফর উল্লাহ চৌধুরীর গনস্বাস্হ্য কেন্দ্র। জানিনা তার এই সুচিন্তা কোন দুষ্ট চক্রের দ্বারা বাধা গ্রস্হ্য হয় কি না....
আসুন জেনে নেই, গনস্বাস্হ্যের কি পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে...। বাসা বাড়িই হবে আপনার করোনা হাসপাতাল।
[১] আপনি বাসায় থাকবেন, শুধু একটা ফোন কল। ব্যস, আপনার বাসায় হাজির হয়ে যাবে 'গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র'র কোভিড ১৯ চিকিৎসক দল।
[২] 'গণস্বাস্থ কেন্দ্র'র ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লা চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে ঢাকার ভেতরে এই সেবা প্রদান করা হবে। গণস্বাস্থ্যের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম যে ওষুধ দেবে, তার জন্য কোনো টাকা নেবে না। এছাড়া করোনা পরীক্ষাসহ অন্যান্য যেসব পরীক্ষা করা হবে, সেগুলোর প্রায় অর্ধেক মূল্য নেবে তারা।
[৩] ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ধরেন, কেউ একজন রাজধানীর কলাবাগান থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফোন করল কিংবা অ্যাপসের মাধ্যমে জানাল। তার বাড়িতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গাড়ি যাবে, এক্সরে মেশিন যাবে, ইসিজি যাবে, ভ্যান্টিলেটর যাবে- সব যাবে। প্রথমে পরীক্ষার জন্য রক্তসহ প্রয়োজনীয় স্যাম্পল নিয়ে চলে আসবে। আগে যদি পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ থাকে, তাহলে তার বাড়িতে গিয়ে আমরা ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে আসব। এছাড়া বুকের এক্স-রে, ইসিজিসহ যেসব টেস্ট করানো প্রয়োজন, তা করা হবে। মোট কথা একজন করোনা রোগীর বাড়িতে একটা হাসপাতাল চলে যাবে।’
[৪] তিনি জানান, করোনা রোগীকে ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হবে। আর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হলে যে খরচ হবে, করোনা রোগীকে তার প্রায় অর্ধেক দিতে হবে। যেমন- বিভিন্ন পরীক্ষায় খরচ হলো ১০ হাজার টাকা, রোগীর পরিশোধ করতে হবে ৬ হাজার টাকা।
[৫] ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা দু’টি নম্বর দিয়ে দিচ্ছি। সেবা নিতে আগ্রহীদের সেই নম্বরে কল করতে হবে। নম্বর দুটি হলো- ০১৭০৯-৬৬৩৯৯৪ এবং +৮৮০৯৬০২১১১৯৪০। এই দুই নম্বরে ফোন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমকে ডাকতে পারবেন। আর করোনায় আক্রান্ত রোগীর বাড়ির একজন লোককে প্রশিক্ষণ দেব আমরা। যাতে করোনা রোগীর দেখাশোনা করতে পারে ওই বাড়ির প্রশিক্ষণ পাওয়া লোকটি।’
[৬] তিনি আরও বলেন, ‘এখন যে কেউ গণস্বাস্থ্যের হাসপাতালে এসে করোনার চিকিৎসা নিতে পারবেন। ৪০ শয্যার একটা ইউনিট করেছি আমরা। তার মধ্যে ৫টি করোনা আইসিইউ, সেন্ট্রাল অক্সিজেন, কার্ডিয়াক মনিটর, ভ্যান্টিলেটর, ইসিজিসহ সব সুবিধা নিয়ে করোনা ইউনিট খোলা হয়েছে। ধানমণ্ডিতে এগুলো করা হয়েছে। তারপর করোনা আইসোলেশন সেন্টারও করা হয়েছে। এখানে এখনই যেকোনো লোক এসে ভর্তি হতে পারে।’
ডা. জাফরুল্লা চৌধুরীর মতো আর দশজন যদি এই মানবিক সেবা নিয়ে এগিয়ে আসতো তাহলে লকডাউন, মুভমেন্ট পাশের প্রয়োজন হতো না, রাস্তা ঘাটে পাবলিক, ডাক্তারদের নিগৃহীত হতে হতো না। আসুন, এই মহৎ সেবার খবরটি সকলের কাছে পৌঁছে দিই। Dr. Zohir Biswas- ( তথ্যসুত্র) ...........Aminul Islam Mehidi ফেসবুক হতে সংগৃহীত