a বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি
ঢাকা সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২, ০৯ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ১০:১৪
বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি

ফাইল ছবি

কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে। রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএফইউজে ও ডিইউজে’র আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধ এ দাবি করেন।

গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে বিচার বিভাগকে মুক্তসাংবাদিকতার পক্ষে ভূমিকা নেয়া উচিত। তারা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদালত আজ মুক্ত সাংবাদিকতার পক্ষে রায় দিচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো সংবিধান বিরোধী আইন বন্ধে আদালতের ভূমিকা আমরা দেখতে পাইনি। 

সাংবাদিকরা গ্রেফতার হচ্ছেন এবং তারা বছরের পর জেল আছেন অথচ জামিন দেয়া হচ্ছে না।  দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন বলা হয়। কিন্তু কতটুকু স্বাধীন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারলে রুহুল আমিন গাজী মুক্তি পেতেন।

সমাবেশে বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, এ সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ গণমাধ্যম। আর সত্য হচ্ছে প্রধান শত্রু । সত্য প্রকাশের জন্য অনেক সাংবাদিককে আটক করে রাখা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক খুন হয়েছেন। মামলা-নির্যাতনে হয়রানি করা হচ্ছে।

রুহুল আমিন গাজীসহ সকল কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, মামলার মেরিট দেখে আর সংবিধান প্রদত্ত অধিকার প্রয়োগ করে বিচার বিভাগ রায় দিলে এসব মামলা টিকতে পারে না। 

এ প্রসঙ্গে শওকত মাহমুদ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে প্রেস ফ্রিডম নেই। অথচ ওই দেশের বিচারপতিরা সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অনেক মামলার আসামিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সাংবাদিক আটককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার মূল লক্ষ্য তাদের অপশাসনকে দীর্ঘায়িত করা। তিনি মুক্ত সাংবাদিকতা বিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সকল কালা কানুন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, কোনো সভ্যদেশে এমন ভয়ংকর আইন কল্পনাও করা যায় না। 

আমেরিকার সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয় মিডিয়ার স্বাধীনতা রক্ষায়। এতে বলা হয়, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে এমন কোনো আইন কখনো মার্কিন কংগ্রেসে পাস করবে না। এরাই হলো সভ্য। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানেও সংশোধনী এনে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হোক।

বিএফইউজে মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ৭৫ পূর্বে সংবাদপত্র বন্ধ করে এবং নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে তৎকালীন সরকার নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ অবস্থান নিলেই রুহুল আমিন গাজীসহ কারাবন্দি সকল সাংবাদিকের মুক্তি সম্ভব।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, এ সরকার অবৈধ। এ সরকার কর্তৃত্ববাদী। টিকে থাকার জন্য এ সরকার সব কিছু করতে পারে।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং শওকত মাহমুদসহ অন্যদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, রুহুল আমিন গাজী কিডনি সমস্যাসহ অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত। অথচ তার চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা নেই।

ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালীন নোমানী, রফিকুল ইসলাম আজাদ সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, বিএফইউজের সহসভাপতি মোদাব্বের হোসেন, বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ খায়রুল বাশার, ডিইউজের সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের সহকারি মহাসচিব শহীদুল্লাহ মিয়াজী, ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য একেএম মহসীন, ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু, দেওয়ান মাসুদা, সাখাওয়াত হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশীদ আলম, দপ্তর সম্পাদক তোফায়েল হোসেন, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, ডিইউজের সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ আলী আসফার, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য জেসমিন জুঁই প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার ও কোষাধ্যক্ষ গাজী আনোয়ারুল হক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ( বাসকপ) বগুড়া জেলা কমিটি থেকে সালমানকে বহিষ্কার


সিয়াম, বগুড়া প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৮ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৩:৪৬
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ( বাসকপ) বগুড়া জেলা কমিটি থেকে সালমানকে বহিষ্কার

ছবি সংগৃহীত

 

সিয়াম, বগুড়া প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ  পরিষদের বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালমান কবির হ্রদয় এর বিরুদ্ধে সংগঠন পরিপন্থী কার্যক্রম, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অসদাচরণ এবং মিথ্যাচারিতার জন্য তাঁকে জেলা কমিটির পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।

এছাড়াও কমিটিতে কার্যকরী সভাপতি পদে আবুল কালাম আজাদ, সহ- সভাপতি  পদে আব্দুল্লাহ ও মোঃ জাকারিয়া হোসেন সুজা ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মেঃ সুমনকে কো-অপট করা হয়।


আদেশক্রমে,

এটিএম মমতাজুল করিম
সভাপতি
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ( বাসকপ)

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

রাজধানীর গ্যাস লিকেজ আতঙ্ক, পরিস্থিতি স্বাভাবিক


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩, ০১:০৪
রাজধানীর গ্যাস লিকেজ আতঙ্ক, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আতঙ্ক বিরাজ করে নগরবাসীর মাঝে। তবে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। সমাধান হয়েছে লাইনের সমস্যাও। গ্রাহকরা এখন চুলা ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে তিতাসের জিএম (অপারেশন) সেলিম মিয়া জানান বলেন, গ্যাস লিকেজ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। এখন গ্রাহকরা চুলা জ্বালাতে পারবেন। লাইনে যে সমস্যা হয়েছিলো তার সমাধান করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এর আগে সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সময় বিভিন্ন এলাকার মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্যাসের চুলা না জ্বালানো এবং দেশলাই না জ্বালানোর অনুরোধ জানানো হয়।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকা থেকে আমরা ফোনকল পেয়েছি। তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেছি।

তিনি আরও জানান, আমাদের টিম প্রাথমিকভাবে জানতে পারে গ্যাসের অতিরিক্ত চাপের কারণে বিভিন্ন জায়গায় লিকেজ হচ্ছে। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ঢাকা শহরের ফায়ার সার্ভিসের সবগুলো ইউনিট।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস আরও জানায়, ঈদে শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায়, সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে গ্যাসের চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে (ওভার-ফ্লো) গন্ধ বাইরে আসছে। তিতাসের জরুরি ও টেকনিক্যাল টিম বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের লাইনে লিকেজের ঘটনা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাত ১ টায় প্রতিমন্ত্রীর নিজস্ব ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।  সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - গণমাধ্যম