a প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম মারা গেছেন
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম মারা গেছেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১, ০২:৩১
প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম মারা গেছেন

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। 

রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

জেয়াদ আল মালুমের ভাগিনী অ্যাডভোকেট মাকসুদা আক্তার লাইলী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

জানা গেছে, গত ২৫ মে রাতে স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় জেয়াদ আল মালুমকে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ফুসফুসে মারাত্মক সংক্রমণ ও জটিলতা ধরা পড়ে। পরবর্তীতে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় তাকে সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে তিনি জামায়াতে ইসলামির সাবেক আমির গোলাম আযম ও মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে করা মামলার বিচারে রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

জেয়াদ আল মালুমের টাঙ্গাইল জেলার সদর থানার করোটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। সে সময় জেয়াদ আল মালুম ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সংশ্লিষ্ট শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ, মামলা না নেয়ার অভিযোগ!


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ০৮:৫৪
আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ, মামলা না নেয়ার অভিযোগ

ফাইল ছবি । আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান

 
রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে নিখোঁজ হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান। গত তিন দিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছে। খবর বিবিসি বাংলার।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিখোঁজ হবার সময় তার সাথে গাড়িচালকসহ আরো তিনজন সহকর্মী ছিলেন। সেই তিনজন সহকর্মী এবং গাড়িটিরও কোন খোঁজ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করছেন আদনানের পরিবার। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।

আদনানের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোন থানাই সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করছেন তার পরিবার। এ নিয়ে সর্বশেষ রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।

তবে ঢাকায় পুলিশ বলছে, তিনি ঠিক কোন জায়গা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেই মামলা নেয়া হয়নি।

পরিবার থেকে আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার বলেছেন, আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত ২টা ৩৭ মিনিটে তার ( আদনান) সঙ্গে শেষ কথা হয়, তিনি তখন বলেছেন কাছাকাছি চলে আসছেন। উনি তখন গাবতলী ছিলেন। এরপর রাত তিনটা থেকে তার ফোন বন্ধ পাই, এখনো পর্যন্ত নম্বর বন্ধই পাচ্ছি।

মামলা না করার কারণ জানতে চাইলে আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কোথায় মামলা করবো, কার কাছে অভিযোগ করবো? মামলা করবো কী, কেউ তো জিডিই নিতে রাজী হচ্ছে না।’

তিনি বলেছেন স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নিয়ে শুক্রবার বিকালেই পুলিশের কাছে শরণাপন্ন হন তারা। কিন্তু রোববার বিকাল পর্যন্ত গাবতলী সংলগ্ন দারুসসালাম থানা কিংবা মিরপুর থানা কেউই মামলা গ্রহণ করেনি।

সাবেকুন নাহার অভিযোগ করেন, "থানায় ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি। কোন থানাই দায়িত্ব নিচ্ছে না, এক থানা আরেক থানাকে দেখিয়ে দিচ্ছে।"

তবে রোববার সকালে রংপুর সদর থানায় এ নিয়ে একটি জিডি করা হয়েছে আদনানের মায়ের পক্ষ থেকে।

৩১ বছর বয়সী আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে ফেসবুক এবং ইউটিউবে অনেকেই তাকে অনুসরণ করেন।

আদনানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে এবং তার সন্ধান চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

পুলিশ কী বলছে, আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিবিসি দারুসসালাম এবং মিরপুর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

মিরপুর থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ স্বীকার করেছেন যে কোন সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেননি তারা।

এ ব্যাপারে ওসি তোফায়েল বলেন, ‘উনি (আদনান) কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন সেই লোকেশনটা তো আমরা নিশ্চিত না। উনি গাবতলী থেকে নিখোঁজ হইছে, সেটা তো আমরা জানি না। সেক্ষেত্রে যেখান থেকে উনি রওনা হয়েছেন, সেই রংপুর অথবা উনার ঢাকায় যেখানে বাসা, সেখানে জিডি হতে পারে বা মামলা হতে পারে। 

এখন পুলিশ আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ লোকেশন শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। এজন্য পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাহায্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গাবতলী এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে আদনানকে বা তার গাড়ীকে দেখা যায়নি। বাংলাদেশে নিখোঁজ ব্যক্তিকে অনুসন্ধানের জন্য পুলিশের আলাদা কোনো বিভাগ নেই।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, যুগান্তর
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্রদের ৮ দফা দাবি মানতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ০৩:০৩
কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্রদের ৮ দফা দাবি মানতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  ৮ দফা দাবির বাস্তবায়ন নিয়ে আজ ১৩ই এপ্রিল সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলনের শিক্ষার্থীবৃন্দরা। আজকের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম দেয় এই শিক্ষার্থীরা। যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবিগুলো মানা না হয় তাহলে আরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, কৃষিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করার জন্য বাংলাদেশে সরকারি ১৮ টি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সহ অসংখ্য বেসরকারি কৃষি কলেজ রয়েছে, যেখানে কৃষিতে ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়ন করা হয়। সরকারি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে মিলিয়ে প্রায় অর্ধলক্ষ শিক্ষার্থী রয়েছে, বর্তমানে এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ আর হতাশ বিরাজমান, কারন কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীগণ চরম বৈষম্যের স্বীকার।

কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি বেসরকারি কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ০৮ দফা দাবি আদায়ে নিয়মতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নামে। এই যৌক্তিক ০৮ দফা দাবি নিয়ে ২০০৮ সাল, ২০০৯ সাল, ২০১৬ সালে আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে। কিন্তু বারংবার দাবি যৌক্তিক বলে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েও আজ পর্যন্ত কোন দাবি বাস্তবায়ন করা হয় নাই।

তাদের ০৮ দফা দাবির মধ্যে কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ অর্থাৎ পলিটেকনিক ছাত্র/ছাত্রীদের ডুয়েট এর ন্যায় একটি স্বতন্ত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অন্যতম একটি দাবি। পৃথিবীর কোন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আন্দোলন করতে হয় রাজপথে নামতে এমন এমন কোন দেশ আছে আমাদের জানা নেই, প্রিয় সাংবাদিক ভাইবোনদের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।
কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীগন যদি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে তৈরি হয় তাহলে সমস্যা কোথায়?

কয়েক যুগ এই যৌক্তিক বিষয় নিয়ে কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদগন আন্দোলন সংগ্রাম করার পরেও যখন দাবিগুলোর বিষয়ে কোন এক অজানা কারনে, কোন একদল কুচক্রী মহলের ইন্ধনে বাস্তবায়ন না হওয়ার কারনে আমরা জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট টা কাজে লাগিযে বৈষম্যের বিরুদ্ধে আবারো সোচ্চার হই। বর্তমান সরকার যাতে বিভ্রান্ত না হয় সেই জন্য আমরা প্রথমে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে কয়েক মাস আগে মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব, কৃষি উপদেষ্টা, কৃষি সচিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন জেলা প্রশাসক বরাবর আমাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দিই। তারা আমাদের এই দাবিগুলো কে অধিকার বলে অবিহিত করেন এবং যৌক্তিক দাবি বলে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ভাবে সত্য যে আবারো কোন এক কুচক্রী মহলের ইন্ধনে যারা আমাদেরকে শিক্ষার একটি গন্ডিতে রেখে মজা পায়, যারা চায়না আমরা তাদের সমকক্ষ পর্যায়ে যাই ঐ সমস্ত মহলের কারণে আমাদের দাবিকে আবারো বাস্তবায়ন না করার কৌশল অবলম্বন করছে।

আমরা সেজন্য আবারো অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস পরিক্ষা বর্জন কর্মসূচি গ্রহণ করি এবং সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের কর্মসূচি পালন করি। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো তারা আমাদের দাবি আদায়ে পদক্ষেপ না নিয়ে বিভিন্ন ভাবে ছাত্রদের বদলি, ড্রপআউট সহ হুমকি ধমকি প্রদর্শন করছে যা ছাত্রদের সাথে অত্যন্ত সাংঘর্ষিক বিষয়।

আমরা আপনারা জাতির বিবেক সাংবাদিকদের মাধ্যমে তাদেরকে বলে দিতে চাই, জুলাই আন্দোলনকে ভূলে যাবেন না। বৈষম্যের বিরুদ্ধে কিভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করে দাবি আদায় করতে হয় তা আমাদের জানা রয়েছে। আমরা এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না। প্রয়োজনে আরো কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

আমাদের ০৮ দফা দাবির প্রতিটি দাবিই অত্যন্ত যৌক্তিক। আপনাদের অবগতির জন্য নিম্নে ০৮ দফা দাবি গুলো পেশ করা হলো।
১। ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের স্বতন্ত্র পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ দিতে হবে।
২। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কে দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মচারী হিসেবে গেজেট করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে এবং প্রতিবছর নিয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
৩। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষক সংকট দূরীকরণ করতে হবে।
৪। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষাকে ডি.এ.ই এর অধিনস্থ থেকে বের করে সম্পূর্ণভাবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আলাদা প্রতিষ্ঠান করতে হবে।
৫। সকল কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সহকারি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদটি শুধুমাত্র ডিপ্লোমা কৃষিবিদ দের জন্য সংরক্ষিত করতে হবে।
৬। ডিপ্লোমা কৃষিবিদ দের বেসরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১০ম গ্রেডের পে-স্কেলে বেতন দিতে হবে। ৭। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের কে মাঠ সংযুক্তি ভাতা প্রদান করতে হবে (ইন্টার্নি)।
৮। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা-দের চাকুরীতে প্রবেশের পর ৬ মাসের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।
উপরোক্ত দাবিগুলো আদায় হলে কৃষিতে দক্ষ জনশক্তি তৈরী হবে। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার বৈষম্য গুলো দূর হবে। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার বৈষম্য দূর হলে বাংলাদেশের কৃষি অনন্য উচ্চতায় পৌছাবে বলে বিশ্বাস করি।

তাদের এই যৌক্তিক দাবিগুলো লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরা এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - বিবিধ

সর্বোচ্চ পঠিত - বিবিধ

বিবিধ এর সব খবর