a ভিসির বাসভবনের সামনে থেকে সরে আসলেও অন্যান্য কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে
ঢাকা শনিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ভিসির বাসভবনের সামনে থেকে সরে আসলেও অন্যান্য কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২, ১২:০০
ভিসির বাসভবনের সামনে থেকে সরে আসলেও অন্যান্য কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে

ফাইল ছবি

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রাখার কর্মসূচি থেকে সরে এসেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তবে আন্দোলনের অন্যান্য কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ এমনটাই জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, জাফর স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যামের অনুরোধে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এবং ভিসির বাসভবনের সামনে থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা মিছিল, সমাবেশ, অবস্থান কর্মসূচি, প্রতিবাদী গান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

মোহাইমিনুল আরও বলেন, আমাদের ৫ দাবির মধ্যে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অর্থদানের অভিযোগে গ্রেফতার ৫ সাবেক শাবি শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের নামে করা মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। অনশনকারী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খরচ মিটিয়ে দেয়া হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি উপাচার্যের মদদে সংঘটিত পুলিশি হামলায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল দাবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনকে প্রত্যাহার এবং ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টোরিয়াল বডির অপসারণের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে জাফর স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যাম শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই দাবি পূরণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করার দায়িত্ব নিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল যা বর্তমানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্যোগে সচল আছে, সেগুলোও পুরোদমে চালু হবে বলে জানিয়েছেন।’

এর আগে, গতকাল সকাল ১০টা ২০ মিনিটে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক দম্পতি। এ সময় অনশনরত শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে অনশন ভাঙলেও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে মঙ্গলবার ভোর ৪টায় ঢাকা থেকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ক্যাম্পাসে পৌঁছান জাফর ইকবাল দম্পতি। ক্যাম্পাসে পৌঁছার পর ড. জাফর ইকবাল ও ইয়াসমিন হক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অনশন ভাঙার অনুরোধ জানান।

একপর্যায়ে অনশনরত শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনশনরত অন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে সকালে অনশন ভাঙার প্রতিশ্রুতি দেন। সকালে হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে অনশনস্থলে নিয়ে আসা হয় চিকিৎসারত শিক্ষার্থীদের। পরে সবাইকে পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান অধ্যাপক জাফর ইকবাল দম্পতি। সূত্র:বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নিজের অপকর্ম ঢাকতে ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ


অমৃতরায়, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৫, ০৩:৪৫
নিজের অপকর্ম ঢাকতে ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ

ছবি: ‍মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নিজের অবৈধ কর্মকাণ্ড আড়াল করতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে হিমেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। হিমেল এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন এবং পুরো বিষয়টিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ওই চিকিৎসকের নাম মোশারফ হোসাইন। তিনি ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের প্রফেসর ও আইসিইউ-এর প্রধান এবং পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে অবস্থিত মেডি এইড হাসপাতালের পরিচালক। ভুক্তভোগী ডাক্তার মোশারফ নিজেকে ড্যাবের সদস্য এ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বলে দাবি করেছেন।

অভিযোগের ব্যাপারে মেহেদী হাসান হিমেল জানান, ‘ডা. হারিস আমার মামা হন, তার সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক। আমাদের বাড়িও পাশাপাশি। আমার মামার সাথে অন্যায় হচ্ছে, এটা শোনার পর আমি ঘটনার খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। উভয়পক্ষের সাথে কথা বলেছি, সমাধানের জন্য দিন তারিখ ঠিক করা হয়েছে। তিনি আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির যেই অভিযোগ এনেছেন এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি কারো চাপে পড়ে আমার রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করতে আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। তিনি নিজের অপকর্ম ঢাকতে আমার উপর দোষ চাপাচ্ছেন।’

ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে হিমেল জানান, তার মামা ডাক্তার হারিসসহ আরও দুইজন চিকিৎসক ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর মিটফোর্ড টাওয়ারের তৃতীয় তলা (বর্তমানে মেডিলাইফ হাসপাতাল) ল্যান্ডস্কেপ কোম্পানির কাছ থেকে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তারা উক্ত ফ্লোরটি মেডিলাইফ হাসপাতাল নামে ভাড়া দেন, যেখানে ডাক্তার মোশাররফও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হন।

এর পূর্বে, ডাক্তার হারিসসহ মোট ছয়জন চিকিৎসক ‘এভার হেলথ হাসপাতাল’ নামে একই ফ্লোরে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল পরিচালনা করতেন। সেই সময়কার কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামের যৌথ মালিকানা বিষয়টি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয় এবং ডাক্তার মোশাররফ তার অংশের মালামাল বুঝে নেন।

কিন্তু ২০২৫ সালের ১ মার্চ ডাক্তার মোশাররফ ফ্লোরে তালা দেন এবং ৫ মার্চ ভোরে ফ্লোরে থাকা সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মালামাল বেআইনিভাবে লুট করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন মালিক পক্ষ। এমনকি ফ্লোরে ভাংচুর ও নতুন করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটান। অথচ ডাক্তার মোশাররফ ওই ফ্লোরের বৈধ মালিক নন বলে জানিয়েছেন হিমেল।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মালিকপক্ষ হিমেলকে বিষয়টি জানান এবং তিনি স্বশরীরে মালিক ডাক্তারগণসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেন। দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চলাকালীন, আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় ল্যান্ডস্কেপ কোম্পানির সাথে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে এবং বুধবার দুই পক্ষ বসে মীমাংসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন।

হিমেল বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে এক টাকাও দাবি করিনি। বরং একজন আত্মীয় ও একজন সচেতন ছাত্রনেতা হিসেবে আমি একটি অবৈধ দখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে সহযোগিতা করেছি। একজন চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েও যদি কেউ আইন অমান্য করে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক তালা লাগায়, সম্পত্তি দখল করে নেয়, তাহলে সেটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, যেভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা পুরো ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।”

এবিষয়ে ড. হারিস জানিয়েছেন, “আমরা মিডফোর্ড টাওয়ারের তৃতীয় তলা কিনে মেডি লাইফকে ভাড়া দিয়েছি। তবে সরকার পরিবর্তনের পর ৫ আগস্ট বিকেলে ডা. মোশাররফ একবার তালা লাগান, যা আমরা সেনাবাহিনীর সহায়তায় খুলি। পরে ১ মার্চ ওয়ারীর কমিশনার আবুল বাশারের সহায়তায় পুনরায় তালা লাগানো হয়। পরবর্তীতে আইনগত সহায়তা নিতে থানায় গেলে বিভিন্ন জায়গায় আবুল বাশারের প্রভাবে তাদের সহযোগিতা করতে নিষেধ করা হয়। তাই বিষয়টি তিনি যেহেতু রাজনৈতিক প্রভাবের জায়গাতে নিয়ে গিয়েছে আমরাও পলিটিক্যালি সমাধানের চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও জানান, শুরুতে বিষয়টি হিমেলকে ঈদের সময় তাকে অবগত করি। এরপর গত পরশু আমরা মেডি লাইফের চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে ডা. মোশাররফের কাছে যাই। তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, আপনি কি এই ফ্লোরের মালিক? তিনি জানান, না, তিনি মালিক নন। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপগুলো কমিশনার আবুল বাশার নিয়েছেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, সেখান থেকে বেরিয়ে ডা. মোশাররফ থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেন যে, তারা নাকি তার কাছে বিশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট। এই অভিযোগ সত্য কিনা মেডি লাইফের চেয়ারম্যান বিষয়টি স্পষ্ট করতে পারবেন। ইতিমধ্যে আমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

অপর মালিক ডা: মুর্শিদা পারভীন বলেন, ‘মোশাররফ আওয়ামী আমলে ফারুক খানের ভাতিজি জামাই পরিচয় দিয়ে আমাদের অত্যাচার করেছে এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এ মেডিকেল অফিসার থেকে প্রফেসর প্লাস হেড অফ ডিপার্টমেন্ট হয়েছে।এখন আবার বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আমার ফ্লোর জোর করে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। আমরা তার অত্যাচারের কাছে অসহায়।’

ডা: রাজিব বলেন, ‘আমি ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই ডিপার্টমেন্ট চাকরি করার কারণে আমার বিরুদ্ধে ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর উনাদের কাছে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে হেনস্তা করে। সাথে আমার ফ্লোর জোরপূর্বক দখল করে রেখে আমাদেরকেই মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। যারা আমাদের বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও মিথ্যে অভিযোগ আনছে।’

আরেকজন মালিক ডা: মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ওর মতো ভূমিদস্যুদের হাত থেকে আইনগত বা সামাজিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তার মত লোক দেশের জন্য ক্ষতিকর, আমরা চাইনা পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার কোন দোসর পুনরায় আর কারো সম্পদ দখল করুক।’

ডা. মোশাররফ হোসেনের লুটপাটের কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ এই প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। দেখা যাচ্ছে তিনি ট্রাকে করে হাসপাতালের মালামাল সরাচ্ছেন।

এরইমাঝে গত রোববার ডা. মোশাররফ হোসেন জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল-এর বিরুদ্ধে দলবল নিয়ে তার ক্লিনিকে যেয়ে হেনস্তা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ আনেন। এই ব্যাপারে ডা. মোশারফের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসলাম ত্যাগ করে ২দিন মন্ত্রীত্ব করতে পারবেন?


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৩৩
ইসলাম ত্যাগ করে ২দিন মন্ত্রীত্ব করতে পারবেন?

ফাইল ছবি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, কয়েক দিন আগে একজন প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনলাম, "আমি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দিয়ে দেব। সংসদে তুলব।" সাঈদ খোকন বলেন, ইসলাম থেকে নিজেকে ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কি না।

গত শনিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের দশম বর্ধিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অধিবেশন ও নবম কেন্দ্রীয় জেনারেল কমিটির পঞ্চম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সাঈদ খোকন আরও বলেন, তিনি কিন্তু মুসলমান। নামও মুসলমান।
 
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের আহ্‌বায়ক ও সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ এ কে এম রহমতুল্লাহ। প্রফেসর ড. দেওয়ান আবদুর রহীম ও সাবেক সচিব এম এ সবুরসহ জমিয়তে কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, আপনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিয়ে দেবেন? আপনি কি দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করেছেন? আপনি একজন সংসদ সদস্য। স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছেন? কোনো ফোরামেই করেননি। কিন্তু বলে দিলেন- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মানি না, এটা বাদ। সরকারের অনুমতি নেননি, দলের অনুমতি নেননি, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নেননি। একটা কথা বলে দিলেন। এ দায়িত্ব কি দল নেবে? এ দায়িত্ব কি সরকার নেবে?

সাঈদ খোকন বলেন, এটা কি মুসলমানের কাজ হলো? কোনো মুসলমান এটা করতে পারে? রাষ্ট্র তো দূরের কথা। রাষ্ট্র তো অনেক বড় ব্যাপার। ১৭ কোটি মুসলমানের দেশ। ৯৫ শতাংশ মুসলমান। রাষ্ট্র তো অনেক দূরের ব্যাপার। সাহস থাকলে বলেন না-আমি ইসলাম থেকে নিজেকে খারিজ করে দিলাম। কলিজার পাটা যদি থাকে তাহলে ‘আমি ইসলাম মানি না’ বলে খারিজ হয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে?

তিনি বলেন, নিজেকে মুসলমান দাবি করেন আবার ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। মানুষ চিৎকার করলে বলবেন মানুষ চেঁচামেচি করে। এটা কী রকম কথা?

আমি বলি এরা নামে মুসলমান। অনেকেই আছেন নামে মুসলমান। আসলে এরা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। আরে তোমার ইসলাম ভালো না লাগলে ছেড়ে চলে যাও। কেউ তোমারে রাইখা দেবো না বাইন্দা। এ দেশে কোটি কোটি মুসলমান আছে। তুমি দুই চার জন (ইসলাম থেকে) চলে গেলে কী আসবে আর যাবে? কিন্তু দাবি করবা মুসলমান আর ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলবা এইটা আমরা মানব না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস