a
ফাইল ছবি
রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। শুক্রবার (১০ জুন) রাতে ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও এক থেকে দুই ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
চীন বাংলাদেশকে আরও ৬ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে দিচ্ছে। এই টিকা বাংলাদেশকে দেওয়া চীনের এই টিকা দ্বিতীয় উপহার। শুক্রবার (২১ মে) ঢাকার চীনা দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের কাছে টিকার জন্য কূটনৈতিক পত্র দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ টেলিফোনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনকে বাংলাদেশেকে ছয় লাখ টিকা উপহার দেওয়ার কথা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
চীনের দূতাবাস থেকে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশের করোনা মহামারির সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে চীন গভীর নজর রাখছে। মহামারির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে টিকা জরুরি প্রয়োজন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন চীন।
দূতাবাস সূত্রে জানায়, বাংলাদেশে উপহারের প্রথম চালানের ৫ লাখ টিকা আসার ৯ দিনের মাথায় আরও ৬ লাখ টিকা উপহারের ঘোষণা দিয়েছে চীন। এতে প্রমাণিত হয় চীন বাংলাদেশের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের সম্পর্ক কত গভীর! চীন বিশ্বাস করে, চীনের দ্বিতীয় ধাপের উপহারের টিকা বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজে দেবে।
ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মহামারির বিরুদ্ধে চীন অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। চীন বাংলাদেশের সঙ্গে মহামারি বিরোধী সহযোগিতা আরও জোরদার করবে এবং দুই দেশের জনগণের স্বাস্থ্য ও জীবন নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহযোগিতা করে যাবে চীন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: তিন দফা দাবিতে ঢাকার কাকরাইল মোড়ে প্রায় ৫০ ঘণ্টা ধরে অবস্থান কর্মসূচির পর উপদেষ্টা পরিষদ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে গণ-অনশনে বসেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। আজ শুক্রবার বিকেল চারটায় অনশন শুরু করেন তাঁরা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন মঞ্জুর মোর্শেদ আজ ১৬ ই মে, ২০২৫ ( শুক্রবার) গণ–অনশন শুরুর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আমাদের গণ–অনশন শুরু। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের গণ–অনশন কর্মসূচি চলবে।’
এর কিছুক্ষণ পর প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অনশন শুরু করেন। গণ–অনশনের শুরুতে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তাঁরা।
গতকাল ১৫ ই মে, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) রাত পৌনে ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি হিসেবে আজ সকাল ১০টায় প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষক সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা দিয়ে সমাবেশের সময় পেছানো হয়। সে অনুযায়ী আজ পবিত্র জুমার নামাজের পর বেলা সোয়া ২টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।
উল্লেখ্য যে গত ১৪ ই মে (বুধবার) তিন দফা দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষার্থীরা "লং মার্চ টু যমুনা " কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন স্তরের পুলিশি বাঁধা পেরিয়ে টিয়ার গ্যাস, গরম মানি, লাঠি পেটা, সাউন্ড গ্রেনেড কে উপেক্ষা করে কাকরাইলে যমুনা অভিমুখে অবস্থান নেয়। আজ তৃতীয় দিনের মতো তাদের এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলমান রাখার ঘোষণা রয়েছে।
জবিয়ানদের তিন দফা দাবি হলো-
১. আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে
২. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করেই অনুমোদন করতে হবে
৩. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে।