a
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চলমান কঠোর লকডাউন আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহন।
সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
কোরবানি ঈদের মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ভার্চুয়ালিভাবে সরকারি অফিস চলবে এবং বন্ধ থাকবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও খোলা থাকবে শপিংমল ও দোকানপাট।
ফাইল ছবি
করোনা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয় দফায় বন্ধ থাকার পর আজ বুধবার থেকে (২ মার্চ) প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হচ্ছে। সপ্তাহে ছয়দিনই ক্লাস হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১ মার্চ) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস হবে। শিক্ষার্থীরা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করতে পারে, সেজন্য শিক্ষার্থীরা দুইটি শিফটে ক্লাসে আসবে।’
উল্লেখ্য, করোনা মহামারি শুরুর পর ২০২০ সালের মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার। দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সব স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়। তখন প্রাথমিকে শুধু পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস ছয় দিন চলছিল, বাকি শ্রেণিগুলোর শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাচ্ছিল সপ্তাহে এক দিন।
পরে ২ অক্টোবর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে দুই দিন করা হয়। এরপর সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করলে গত ২১ জানুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় বন্ধ করা হয়। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়। আর ১ মার্চ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে শবে মেরাজের কারণে মঙ্গলবার (১ মার্চ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি থাকায় আজ বুধবার থেকেই খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় জাপানে কয়েকটি অঞ্চলে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। টোকিও, ওসাকা, হোগো ও কিওটোতে ১১ মে জরুরি অবস্থা শেষ হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু এখন তা বাড়িয়ে মাসের শেষ পর্যন্ত করা হয়েছে। খবর-বিবিসির
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা জানিয়েছেন, আইচি ও ফুকুওকাকেও জরুরি অবস্থার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে জাপান সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে নির্ধারিত সময়ে অলিম্পিকের আয়োজন নিয়েও সন্দেহ তৈরি করেছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘদিন ধরে জাপানে জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে।জরুরি অবস্থার আওতায় বন্ধ থাকবে পানশালা ও রেস্তোরাঁগুলো। এছাড়া সিনেমা হল ও কারাওকে পার্লারের মতো স্থানগুলোও বন্ধ রাখতে হবে।
সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী এই জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে জাপান সরকার দেশে মহামারি করোনার চুতর্থ ঢেউ ঠেকানোর ব্যাপারে আশাবাদী বলে মন্তব্য করেছেন করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা।