a যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ফেরা ছাড়া সামনে আর কোন পথ নেই: ইরান
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ফেরা ছাড়া সামনে আর কোন পথ নেই: ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১, ০৬:৩৪
যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ফেরা ছাড়া সামনে আর কোন পথ নেই: ইরান

ফাইল ফটো:

যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতায় ফেরা ছাড়া সামনে আর কোন পথ নেই বলে দাবি করেছেন ইরানের মুখপাত্র আলী রাবিয়ি। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মার্কিন নীতি ব্যর্থ হয়েছে। এখন পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসা ছাড়া তাদের সামনে আর কিছু পথ নেই। 

আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের মুখপাত্র আলী রাবিয়ি এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে আমাদের সরকার যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা যাতে প্রত্যাহার হয় সেজন্য প্রথম থেকেই চেষ্টা করে এসেছে। ইরানের পরমাণু ইস্যুকে নিরাপত্তা বিষয়ক হুমকি হিসেবে তুলে ধরার দূরভিসন্ধিমূলক ষড়যন্ত্র নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর ইশতেহারের মাধ্যমে ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন নিজেই স্বীকার করছে, তাদের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতিগুলো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।

সূত্র : পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম

জীবন থেকে অনেক কিছু হারাতে পারে কিন্তু বিশ্বাস তা প্রতিহত করে


মুন্না শেখ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৫ মে, ২০২৫, ০৬:২৫
জীবন থেকে অনেক কিছু হারাতে পারে কিন্তু বিশ্বাস তা প্রতিহত করে

ছবি সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ। খাবার নেই, পানি নেই — কেবল এক বোতল পানি আর কিছু শুকনো বিস্কুট।

তিনদিনের মাথায় তার পানি ফুরিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদ, পানির অভাব আর একাকীত্বের ভারে সে প্রায় মৃত্যুর মুখে। ঠিক তখনই মনে পড়ে — পাইলট হওয়ার আগে সে ছিল একজন শিল্পী। পকেটে ছিল একটি পেন্সিল আর ভাঙা একটা চশমা। মরুভূমির বালুর ওপর সে আঁকতে শুরু করে — তার পরিবার, শহর, রাস্তা আর টলমলে পানি!

জানি সে বাঁচবে না, তবু শেষ মুহূর্তগুলোতে সে তার স্মৃতি ধরে রাখতে চায়। অবাক করা বিষয়, ছবি আঁকতে আঁকতে তার তৃষ্ণা কিছুটা কমে যায়, মন শান্ত হয়ে আসে। সে ভাবল, "আমি এখনো বেঁচে আছি। স্বপ্ন দেখতে পারি মানে এখনো হার মানিনি।"

অষ্টম দিনে এক ফরাসি উদ্ধারকারী দল তাকে খুঁজে পায়। তারা দেখে — কঙ্কালসার দেহ, ফেটে যাওয়া ঠোঁট, ক্লান্ত চোখ — কিন্তু সেই পাইলট তখনো বালিতে ছবি আঁকছে, যেন কোনো মন্ত্রমুগ্ধ শিল্পী!

উদ্ধারের পরে পাইলট বলেছিল, "আমি টিকে ছিলাম, কারণ আমি বিশ্বাস হারাইনি। আমার ভাঙা চশমা আর এক টুকরো পেন্সিলও আমাকে মরুভূমিতে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।”

শিক্ষা: জীবন অনেক কিছু কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু আপনার বিশ্বাস কেড়ে নিতে পারে না। যদি আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন, কেউ আপনাকে হারাতে পারবে না।

 

....ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

‘খালেদা জিয়াকে হত্যার অভিপ্রায়ে সরকার বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দিচ্ছে না’


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ১৯ আগষ্ট, ২০২৩, ০৬:০৩
‘খালেদা জিয়াকে হত্যার অভিপ্রায়ে সরকার বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দিচ্ছে না’

ফাইল ছবি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার অনুমতি দিচ্ছে না কেন? তিনি যদি উন্নত চিকিৎসার জন্য যান সেখানে চিকিৎসায় ধরা পড়তে পারে কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল কি না। বিদেশে উন্নত ল্যাবে এটা ধরা পড়তে পারে। এই কারণেই বেগম জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না।

শনিবার (১৯ আগস্ট) বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তার উন্নত চিকিৎসার দাবিতে ঢাকা জেলা বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচির শুরুতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রিজভী এই অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, আমাদের ধারণা হয়, আশঙ্কা হয় বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যা করার অভিপ্রায়ে ২০১৮ সালে নির্বাচনের আগে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছিল। কারণ শেখ হাসিনার একতরফা নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে বড় ভয় ছিল খালেদা জিয়া। পথের কাটা দূর করতে, নির্বাচনি মাঠ শূন্য করতে রাষ্ট্রশক্তি ব্যবহার করে, আইন আদালত ব্যবহার করে বন্দি করা হয়েছিল।

যে সুস্থ মানুষটি কারাগারের ভেতরে গেলেন, আজকে তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কেন? কারণ, শেখ হাসিনার বিরাট চক্রান্ত খালেদা জিয়াকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। উনি এমন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী যে, এক দল থাকবে, এক নেত্রী থাকবে। কেউ কোনো সত্য উচ্চারণ করবে না। যে করবে সে গুমের শিকার হবে বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হবে। এই কারণেই বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রেখেছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে যে দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, সেটা তিনি নিজেই প্রমাণ করেছেন। তার নির্বাচনে বিরোধী দল থাকে জেলখানায়। নির্বাচনি মাঠ শূন্য করার জন্য একের পর এক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয় না। তাই নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে হবে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন মাস্টার, তমিজ উদ্দিন, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু প্রমুখ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফটো গ্যালারি