a
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘লকডাউন’ বা বিধি-নিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সোমবার (৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৬ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন চলাচল করবে। তবে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে পারবে না। লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।
‘আজ (৩ মে) থেকে মার্কেটে পুলিশের অভিযান চলবে। মাস্ক না পরলে, স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে মার্কেট বন্ধ করে দেবো’- বলেও জানান তিনি।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ৮ দফা দাবি জানিয়ে অবিলম্বে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় সংস্কার জোট। ৮ দফা দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে জুলাই সনদ ঘোষণা করা, সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা, বিচারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সংসদ নির্বাচনের ৩ মাস পূর্বে অন্তর্বর্তী সরকারকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহতদের উন্নত চিকিৎসা দিয়ে নিরাপত্তা প্রদান ও নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য আগের সকল নিয়ম বাদ দিয়ে সকলের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পথ উন্মুক্ত করা।
২১ জুন, শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় সংস্কার জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ এসব দাবি জানান। ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা সরকারকে অবিলম্বে আমাদের ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি। তা নাহলে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংস্কার জোটের আহ্বায়ক মেজর আমীন আহমেদ আফসারী (অব.), সদস্য সচিব আব্দুর রহিমের পরিচালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- জনতার দল বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান সাবেক প্রতিমন্ত্রী গোলাম সরোয়ার মিলন, নৈতিক সমাজের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আমসাআ আমিন, জনতার পার্টি বাংলাদেশ এর মহাসচিব শওকত মাহমুদ, এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ ছালাউদ্দিন ছালু, জাতীয় সংস্কার জোটের প্রধান সমন্বয়ক প্রফেসর এ আর খান, নির্বাহী সমন্বয়ক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ নূরসহ জাতীয় সংস্কার জোটের ৫টি জোট ও ৩৫টি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম নগরের অন্যের হয়ে তিন বছর কারাভোগের পর মুক্ত হওয়ায় ১৩ দিনের মাথায় সেই মিনু আক্তারের (৩০) সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। নগরের বায়েজিদ সংযোগ সড়কে গত ২৮ জুন রাতে ট্রাকচাপায় মিনু গুরুতর আহত হন। ২৯ জুন ভোরে মিনুর মৃত্যু হয়। তবে সেই সময় পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে তাকে দাফন করে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। পরে তদন্ত শেষে জানা যায় যে, তিনি সেই আলোচিত মিনু আক্তার।
রবিবার বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনায় পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয়ের ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ট্রাকচালককে শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মিনুর বড় ভাই মো. রুবেল সাংবাদিকদের জানান, আমার বোনকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। তাকে যারা জেলে পাঠিয়েছিলেন, তারা এই ঘটনায় জড়িত কি না, তার তদন্ত হওয়া উচিত।
এদিকে,গত ১৬ জুন হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কুলসুম আক্তার কুলসুমীর বদলি হয়ে তিন বছরেরও অধিক সময় কারাভোগ শেষে মিনু চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন।