ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪২৮, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
Mukto Sangbad Protidin

‘লকডাউন’ বাড়লো ১৬ মে পর্যন্ত


সোমবার, ০৩ মে, ২০২১, ০৩:৫৮
‘লকডাউন’ বাড়লো ১৬ মে পর্যন্ত

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘লকডাউন’ বা বিধি-নিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সোমবার (৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৬ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন চলাচল করবে। তবে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে পারবে না। লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

‘আজ (৩ মে) থেকে মার্কেটে পুলিশের অভিযান চলবে। মাস্ক না পরলে, স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে মার্কেট বন্ধ করে দেবো’- বলেও জানান তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

৮৫ বছরের বৃদ্ধা ৩৬ বছর ভাত না খেয়ে বেঁচে আছেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৪
৮৫ বছরের বৃদ্ধা ৩৬ বছর ভাত না খেয়ে বেঁচে আছেন

ফাইল ছবি: জোহরা বিবি

৮৫ বছরের বয়োবৃদ্ধা ১৫ সন্তানের জননী জোহরা বিবি ৩৬ বছর যাবৎ ভাত না খেয়েই বেঁচে আছেন। সাতক্ষীরা জেলা শহরতলী কুখরালী গ্রামের ওই বৃদ্ধা এখনো দিব্যি সুস্থ রয়েছেন। ভাত না খাওয়ার বিষয়ে জোহারা বিবি বলেন, ‘আমার আব্বা মান্দার মোড়ল ভারতের বশিরহাট থানার মেজ দারোগা ছিল।

সাকচুড়া আমাদের গ্রামের নাম। ছোট বেলায় আব্বা আমারে মোড়ল পরিবারে বিয়ে দেয়। আমার বয়স যখন তের বছর তখন আমার বড় ছেলের জন্ম হয়। বড় ছেলের বয়স এখন ৭১ বছর। আল্লাহ আমার ১৫ জন সন্তান দিয়েছে। আমার দুই জন ছেলে ও তিন জন মেয়ে মারা গেছে। আল্লাহর রহমতে ১০ জন সন্তান জীবিত আছে, সাত জন ছেলে ও তিন জন মেয়ে।’

জোহারা বিবি আরো বলেন, ‘আমার ছোট ছেলের জন্মের দুই তিন বছর পর আমার পেটে অনেক ব্যথা যন্ত্রণা হত। ছেলেরা বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পেট কাটতে হবে জানায়। কিন্তু আমি তো পেট কাটবো না। পেটের যন্ত্রণায় আমার খাওয়া কমে যায়। তখন আমি শাকসবজি, তরিতরকারি আর মুড়ি খেতাম। এর পর থেকে আমার পেটের যন্ত্রণা ধীরে ধীরে কমে যায়।’
 
‘এরপর থেকে আমি আর কখনো ভাত খায়নি। এখন সকালে বিস্কুট আর চা, দুপুরে মুড়ি ভিজিয়ে তরিতরকারি দিয়ে খায়, কখন কখন অল্প মাছ ও মাংস খাই, আর রাতে বিস্কুট আর চা খাই। আমি চশমা ছাড়া কোরআন শরিফ পড়তে পারি, তবে চশমা পড়লে ভাল হয়। শরিল (শরীর) আর আগের মত নেই, আস্তে আস্তে খারাপের দিকে যাচ্ছে, বয়স হচ্ছে তো’- বলেও উল্লেখ করেন জোহারা বিবি।

এ বিষয়ে জোহরা বিবির বড় ছেলে নুর ইসলাম মোড়ল জানান, মার ছোট বেলা থেকে পেটে একটু ব্যথা যন্ত্রণা ছিল। ১৯৮৩-৮৪ সালের দিকে পেটের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেলে আমরা মাকে ডাক্তারের কাছে নিলে ডাক্তার জানায় টিউমার হয়েছে অপারেশন করতে হবে। কিন্তু মা অপারেশন করবে না। ডাক্তারের ওষুধ খায় আর মা ভাত খাওয়া বাদ দেয় এতে মার পেটের যন্ত্রণা ধীরে ধীরে কমে যায়।

নুর ইসলাম মোড়লে বলেন, ‘১৯৮৫ সালের পর থেকে মা আর ভাত খায়নি। মা ভাত না খাওয়ায় প্রথমে আমরা অনেক চিন্তিত ছিলাম কিন্তু মা সুস্থ থাকায় আমাদের চিন্তা দূর হয়। তারপর থেকে মা যা খেতে চায় তা খাওয়ানোর চেষ্টা করি। আল্লাহর কাছে দোয়া করি মা সুস্থ থেকে বাকী জীবন পার করতে পারে।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভ্যান ডার ডাসেনের অপরাজিত শতরানেও পাকিস্তানের কাছে হার


ক্রীড়া ডেস্ক:
শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৩৭
ভ্যান ডার ডাসেনের অপরাজিত শতরানেও পাকিস্তানের কাছে হার

ফাইল ছবি

বিফলে গেল ভ্যান ডার ডাসেনের অপরাজিত শতরান। রান তাড়া করতে নেমে অধিনায়ক বাবর আজমের পালটা শতরানে সেঞ্চুরিয়নে শেষ বলে জিতে নিল পাকিস্তান। ৩ উইকেটে জয়লাভ করে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শুভ সূচনা শুরু করল পাকিস্তান। এরই সাথে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল সফরকারী দল।

গতকাল শুক্রবার (২ এপ্রিল) সেঞ্চুরিয়নে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫৫ রানে চার উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় পড়ে যায় প্রোটিয়ারা। জোড়া উইকেট তুলে নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর পঞ্চম উইকেটে ভ্যান ডার ডাসেন এবং ডেভিড মিলারের জুটিতে ম্যাচে ফেরে দক্ষিণ আফ্রিকা। পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যান যোগ করেন ১১৬ রান। ডেভিড মিলার অর্ধশতরান করে আউট হয়ে যান।

অ্যান্ডাইল ফেহলুকুয়াওকে সঙ্গে নিয়ে দলের খাতায় ৬৪ রান যোগ করেন এই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান। ৪৭তম ওভারে ফেহলুকুয়াও ব্যক্তিগত ২৯ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে রাবাদাকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ওডিআই শতরানটি পূর্ণ করেন ডাসেন। ১২৩ বল খেলে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছান তিনি। 

শেষটা ১৩৪ বলে ১২৩ রান করে অপরাজিত থেকে যান ডাসেন। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার এবং ২টি ছক্কা। রাবাদার সঙ্গে তার অবিভক্ত ৩৮ রানের জুটি প্রোটিয়াদের পৌঁছে দেয় ২৭৩ রানে।

জবাবে পাকিস্তান রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৮ রানে ওপেনার ফখর জামান সাজঘরে ফিরে গেলেও সফরকারী দলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন আরেক ওপেনার ইমাম উল হক এবং অধিনায়ক বাবর আজম। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে এই দুই ব্যাটসম্যান যোগ করেন ১৭৭ রান। ১০৪ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন আইসিসি র‍্যাংকিংয়ের দুই নম্বর ব্যাটসম্যান বাবর আজম। 

পাকিস্তানি অধিনায়কের ইনিংস সাজানো ছিল ১৭টি চার দিয়ে। খানিকটা ব্যাকফুটে চলে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা দ্রুত চারটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। ৭০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় ইমামকে।

ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে মোহম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে শাদাব খানের ৫৩ রানের পার্টনারশিপে ফের ম্যাচ ফেরে পাকিস্তান। ৫২ বলে মূল্যবান ৪০ রান করে আউট হন রিজওয়ান। শেষ ওভারে পাকিস্তানের জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র ৩ রান। কিন্তু প্রথম বলেই ব্যক্তিগত ৩৩ রানে ফেরেন শাদাব। এরপর ফেহলুকুয়াওয়ের টানা তিন বলে কোনও রান সংগ্রহ করতে না পেরে উত্তাপ বাড়িয়ে তোলেন ফাহিম আশরফ।

পঞ্চম ডেলিভারিটি বোলারের মাথার উপর দিয়ে ঠেলে ২ রান সংগ্রহ করেন ফাহিম। এরপর শেষ ওভারের অন্তিম বলে এক রান সংগ্রহ করে পাকিস্তানকে থ্রিলার জয় এনে দেন তিনি। ম্যাচের সেরা হন বাবর আজম। রবিবার (৪ এপ্রিল) জোহানেসবার্গে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে 
আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল।

দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোর: ৫০ ওভারে ২৭৩/৬ (মারক্রাম ১৯, ডি কক ২০, বাভুমা ১, ফন ডার ডাসেন ১২৩*, ক্লাসেন ১, মিলার ৫০, ফেলুকওয়ায়ো ২৯, রাবাদা ১৩*; আফ্রিদি ১০-১-৬১-২, হাসনাইন ১০-২-৫২-১, ফাহিম ৯-০-২৫-১, রউফ ১০-০-৭২-২, শাদাব ৮-০-৪৫-০, আজিজ ৩-০-১৬-০)।

পাকিস্তান স্কোর: ৫০ ওভারে ২৭৪/৭ (ইমাম ৭০, ফখর ৮, বাবর ১০৩, রিজওয়ান ৪০, আজিজ ৩, আসিফ ২, শাদাব ৩৩, ফাহিম ৫*, আফ্রিদি ০*; রাবাদা ১০-১-৫১-১, এনগিডি ১০-১-৬৫-০, নরকিয়া ১০-০-৫১-৪, ফেলুকওয়ায়ো ১০-০-৫৬-২, শামসি ১০-০-৫১-০)।

সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে পাকিস্তান।
ম্যান অব দা ম্যাচ: বাবর আজম।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook